ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গজারিয়ায় বাউশিয়া ইউনিয়নে মাসিক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল বন বিভাগের বিকল্প জীবিকা উন্নয়ন সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ উদ্বোধন সিন্দুকছড়ি জোনের মাসিক মত বিনিময় সভা “বসুন্ধরা সিমেন্টের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত “ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সাইনবোর্ডে আগুন জ্বালিয়ে অটোরিকশা চালকদের বিক্ষোভ “দেশীয় সফটওয়্যারে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের প্রত্যয়ে শপথ নিল বেসিসের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ” রাজশাহী গোদাগাড়ী অঞ্চলে পুকুর সংস্কারের নামে প্রশাসনকে যেভাবে বোকা বানাচ্ছে অবৈধ পুকুর ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ধাপে হাটহাজারী ও রাঙ্গুনিয়ায়-ফটিকছড়ি উপজেলায় ভোট আজ “অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স ও কনকর্ড রিয়েল এস্টেটের সাথে চুক্তি সই” গজারিয়ায় সাংবাদিকের উপর হামলা, থানার সামনে সাংবাদিকদের অবস্থান কর্মসূচি

বিড়ি শিল্পের শুল্ক প্রত্যাহারসহ পাঁচ দাবিতে বগুড়ায় মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার :
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বিড়ি শিল্পের দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল। তিনি এই শ্রমঘন শিল্পটি শুল্ক মুক্ত ঘোষণা করেছিলেন। তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেও বিড়ি শিল্পের উপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন বগুড়া জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার (০৯ মে) বেলা ১১ টায় বগুড়া কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসের সামনে পাঁচ দফা দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানান তারা।

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবি গুলো হলো বিড়ির অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার, বিড়ি শিল্পের শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি, নকল বিড়ি বাজারজাত বন্ধে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করা এবং বিদেশী কোম্পানির নিম্নস্তরের সিগারেট বন্ধ করা।

মানববন্ধন শেষে বগুড়া কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনারের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হারিক হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি, সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, লুৎফর রহমান, আনোয়ার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর, আবুল হাসনাত লাভলু, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফর রহমান, শ্রমিক নেতা সোহেল রানা, জসিম উদ্দিন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সিগারেট ও বিড়ি একই গোত্রভূক্ত হওয়া সত্ত্বেও দুটোর মাঝে বৈষম্য বিরাজ করছে এবং বিড়িকে অসম প্রতিযোগীতায় বাধ্য করা হচ্ছে। আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী বিড়িতে অগ্রীম আয়কর ১০ শতাংশ আর সিগারেটে ৩ শতাংশ। বিড়ি দেশীয় শ্রমিক নির্ভর শিল্প হিসেবে বিড়ির অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করতে হবে। একইসাথে বিড়ি শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি করতে হবে। এছাড়া কতিপয় অসাধু বিড়ি ব্যবসায়ী বিড়ি শিল্প ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে নকল ব্যান্ডরোল লাগিয়ে কোটি কোটি টাকা সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। এতে একদিকে সরকার বছরে বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে আর অন্যদিকে প্রকৃত রাজস্ব প্রদানকারী বিড়ি শিল্প মালিকরা চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। নকল বিড়ি বাজারজাত বন্ধে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

শ্রমিকরা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বিড়ি শিল্পের মালিকদের অবদান অপরিসীম। তারা এ দেশে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। অথচ বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানী ও দেশের কিছু এনজিও এই শিল্পকে ধ্বংস করতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বর্তমানে নিম্নস্তরের সিগারেট টোব্যাকো মার্কেটের ৭৫ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশ দখল করে আছে। এসব নিম্নস্তরের সিগারেট ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির। সুতরাং দেশীয় শ্রমঘন বিড়ি শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষার্থে এই দেশে বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীর নিম্নস্তরের সিগারেট উৎপাদন বন্ধ করতে হবে।

Human chain in Bogura demanding withdrawal bidi duty

Bogura District Bidi Workers Union formed a human chain and encirclement program in response to a five-point demand including the withdrawal of advance income tax in the next budget. They organized this event in front of the District’s Customs, Excise, and VAT office at 11 am on Thursday.

Their demands are during Bangabandhu’s era, there was no tax on bidi industry, so the bidi workers demanded withdrawal of bidi duty, withdrawal of advance income tax, stoppage of foreign companies’ low level cigarettes and increase in wages of workers engaged in bidi industry and Customs authorities should take strict action to stop fake bidis from being marketed.

At the end of the human chain, the workers presented a memorandum containing five-point demands to the Chairman of National Board of Revenue (NBR) through the Assistant Commissioner of Bogura Customs, Excise, and VAT office.

The bidi workers in the human chain said that the bidi industry is an ancient labor intensive industry of the country. The door of this industry was opened after independence by the hands of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. He declared this labor intensive industry duty free. 18 lakh poor, abandoned by husbands, physically challenged workers from all over the country including Bogura the District’s earn their living by working in bidi factories. In order to reduce the plight of bidi workers and to protect their work, Prime Minister Sheikh Hasina said in the budget speech of the Great National Assembly that the tax on bidi should be reduced and the tax on cigarettes should be increased a little more. Therefore, I am calling for the withdrawal of customs duty from the bidi industry during the tenure of Prime Minister Sheikh Hasina as during Bangabandhu. At the same time, we demand to withdraw the advance income tax from this industry as it is dependent on indigenous workers.

Bidi Workers Also said that the significance of the bidi industry to the nation’s economy is enormous. This historic, labor-intensive industry generates enormous amounts of annual money. However, some unscrupulous bidi merchants have dodged billions of dollars in income by selling counterfeit bidi and bidi with counterfeit brand rolls in an effort to ruin the bidi business. In the sake of the country’s growth, advancement, and actual bidi owners, the customs authorities should take the necessary steps to halt unlawful bidi manufacturers and counterfeit bidi. They should be arrested and punished together.

Presidents of Bangladesh Bidi Sramik Federation Amin Uddin BSc, Vice President Nazim Uddin, Lutfor Rahman, Joint Secretary Abdul Gofur, Abul Hasnat Lavlu, Anower Hossain, organizing secretary Shamim Islam, Shohel Rana among others, spoke in the function while the General Secretary Harik Hossain moderated it.

Tag :

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গজারিয়ায় বাউশিয়া ইউনিয়নে মাসিক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত

বিড়ি শিল্পের শুল্ক প্রত্যাহারসহ পাঁচ দাবিতে বগুড়ায় মানববন্ধন

আপডেট টাইম ০২:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার :
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বিড়ি শিল্পের দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল। তিনি এই শ্রমঘন শিল্পটি শুল্ক মুক্ত ঘোষণা করেছিলেন। তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেও বিড়ি শিল্পের উপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন বগুড়া জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার (০৯ মে) বেলা ১১ টায় বগুড়া কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসের সামনে পাঁচ দফা দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানান তারা।

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবি গুলো হলো বিড়ির অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার, বিড়ি শিল্পের শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি, নকল বিড়ি বাজারজাত বন্ধে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করা এবং বিদেশী কোম্পানির নিম্নস্তরের সিগারেট বন্ধ করা।

মানববন্ধন শেষে বগুড়া কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনারের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হারিক হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি, সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, লুৎফর রহমান, আনোয়ার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর, আবুল হাসনাত লাভলু, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফর রহমান, শ্রমিক নেতা সোহেল রানা, জসিম উদ্দিন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সিগারেট ও বিড়ি একই গোত্রভূক্ত হওয়া সত্ত্বেও দুটোর মাঝে বৈষম্য বিরাজ করছে এবং বিড়িকে অসম প্রতিযোগীতায় বাধ্য করা হচ্ছে। আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী বিড়িতে অগ্রীম আয়কর ১০ শতাংশ আর সিগারেটে ৩ শতাংশ। বিড়ি দেশীয় শ্রমিক নির্ভর শিল্প হিসেবে বিড়ির অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করতে হবে। একইসাথে বিড়ি শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি করতে হবে। এছাড়া কতিপয় অসাধু বিড়ি ব্যবসায়ী বিড়ি শিল্প ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে নকল ব্যান্ডরোল লাগিয়ে কোটি কোটি টাকা সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। এতে একদিকে সরকার বছরে বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে আর অন্যদিকে প্রকৃত রাজস্ব প্রদানকারী বিড়ি শিল্প মালিকরা চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। নকল বিড়ি বাজারজাত বন্ধে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

শ্রমিকরা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বিড়ি শিল্পের মালিকদের অবদান অপরিসীম। তারা এ দেশে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। অথচ বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানী ও দেশের কিছু এনজিও এই শিল্পকে ধ্বংস করতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বর্তমানে নিম্নস্তরের সিগারেট টোব্যাকো মার্কেটের ৭৫ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশ দখল করে আছে। এসব নিম্নস্তরের সিগারেট ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির। সুতরাং দেশীয় শ্রমঘন বিড়ি শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষার্থে এই দেশে বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীর নিম্নস্তরের সিগারেট উৎপাদন বন্ধ করতে হবে।

Human chain in Bogura demanding withdrawal bidi duty

Bogura District Bidi Workers Union formed a human chain and encirclement program in response to a five-point demand including the withdrawal of advance income tax in the next budget. They organized this event in front of the District’s Customs, Excise, and VAT office at 11 am on Thursday.

Their demands are during Bangabandhu’s era, there was no tax on bidi industry, so the bidi workers demanded withdrawal of bidi duty, withdrawal of advance income tax, stoppage of foreign companies’ low level cigarettes and increase in wages of workers engaged in bidi industry and Customs authorities should take strict action to stop fake bidis from being marketed.

At the end of the human chain, the workers presented a memorandum containing five-point demands to the Chairman of National Board of Revenue (NBR) through the Assistant Commissioner of Bogura Customs, Excise, and VAT office.

The bidi workers in the human chain said that the bidi industry is an ancient labor intensive industry of the country. The door of this industry was opened after independence by the hands of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. He declared this labor intensive industry duty free. 18 lakh poor, abandoned by husbands, physically challenged workers from all over the country including Bogura the District’s earn their living by working in bidi factories. In order to reduce the plight of bidi workers and to protect their work, Prime Minister Sheikh Hasina said in the budget speech of the Great National Assembly that the tax on bidi should be reduced and the tax on cigarettes should be increased a little more. Therefore, I am calling for the withdrawal of customs duty from the bidi industry during the tenure of Prime Minister Sheikh Hasina as during Bangabandhu. At the same time, we demand to withdraw the advance income tax from this industry as it is dependent on indigenous workers.

Bidi Workers Also said that the significance of the bidi industry to the nation’s economy is enormous. This historic, labor-intensive industry generates enormous amounts of annual money. However, some unscrupulous bidi merchants have dodged billions of dollars in income by selling counterfeit bidi and bidi with counterfeit brand rolls in an effort to ruin the bidi business. In the sake of the country’s growth, advancement, and actual bidi owners, the customs authorities should take the necessary steps to halt unlawful bidi manufacturers and counterfeit bidi. They should be arrested and punished together.

Presidents of Bangladesh Bidi Sramik Federation Amin Uddin BSc, Vice President Nazim Uddin, Lutfor Rahman, Joint Secretary Abdul Gofur, Abul Hasnat Lavlu, Anower Hossain, organizing secretary Shamim Islam, Shohel Rana among others, spoke in the function while the General Secretary Harik Hossain moderated it.