ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন বিপ্লব মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের পদত্যাগে উৎফুল্ল তার সর্মফক। দিপু চৌধুরীর রোগমুক্তি কামনায় এডভোকেট সেলিম মিয়ার উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ। মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন হাজ্বী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব মিঠাপুকুরে স্বচ্ছতা ফিরেছে টিসিবি পণ্য বিতরন ন “আমরা চাই বিএনপি ‘টেরোরিস্ট’ কর্মকান্ড থেকে বেরিয়ে আসুক : তথ্যমন্ত্রী” দুমকীতে ধর্ষণের অভিযোগে অটো চালককে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ। “এজিএম হলেন মিজানুর রহমান চাঁদপুর -২ আসন থেকে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম মনোনয়ন পাওয়ায় বাবু ও হোসেনের নেতৃত্বেপাঁচআনী চৌরাস্তা বাজারে আনন্দ মিছিল অনুষ্টিত হয় নৌকার প্রার্থী দেওয়ার বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরন।

সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল, চারজনের প্রতীক পরিবর্তনের নির্দেশ

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক :  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া চার প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

হাইকোর্টে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তাঁরা হলেন-জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন মো. মুসলিম উদ্দিন, ঝিনাইদহ-২ আসনে মো. আবদুল মজিদ, জয়পুরহাট-১ আসনে মো. ফজলুর রহমান ও রাজশাহী-৬ আসনে মো. আবু সাইদ চাঁদ এবং স্বতন্ত্র রংপুর-১ আসনে মো. আসাদুজ্জামান ও ময়মনসিংহ-৮ আসনে  মাহমুদ হোসেন।

এ ছাড়া চারটি আসনে প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক পরিবর্তন করে অন্য চারজনকে দেওয়া হয়েছে। এঁরা হলেন নওঁগা-১ আসনে খালেক চৌধুরীর পরিবর্তে মোস্তাফিজুর রহমান, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মুহিত তালুকদারের পরিবর্তে মাসুদা মোমিন, মানিকগঞ্জ-১ আসনে এস এম জিন্নাহ কবিরের পরিবর্তে বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে খন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলুকে এবং নাটোর-১ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম বিমলের পরিবর্তে কামরুন্নাহার শিরীনকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে বিএনপির সাত প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছিলেন। পরে কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পৃথক আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের শুনানি শেষে তাদের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ দেন হাইকোর্ট।

Tag :

জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন বিপ্লব মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের পদত্যাগে উৎফুল্ল তার সর্মফক।

সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল, চারজনের প্রতীক পরিবর্তনের নির্দেশ

আপডেট টাইম ০১:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৮

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক :  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া চার প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

হাইকোর্টে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তাঁরা হলেন-জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন মো. মুসলিম উদ্দিন, ঝিনাইদহ-২ আসনে মো. আবদুল মজিদ, জয়পুরহাট-১ আসনে মো. ফজলুর রহমান ও রাজশাহী-৬ আসনে মো. আবু সাইদ চাঁদ এবং স্বতন্ত্র রংপুর-১ আসনে মো. আসাদুজ্জামান ও ময়মনসিংহ-৮ আসনে  মাহমুদ হোসেন।

এ ছাড়া চারটি আসনে প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক পরিবর্তন করে অন্য চারজনকে দেওয়া হয়েছে। এঁরা হলেন নওঁগা-১ আসনে খালেক চৌধুরীর পরিবর্তে মোস্তাফিজুর রহমান, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মুহিত তালুকদারের পরিবর্তে মাসুদা মোমিন, মানিকগঞ্জ-১ আসনে এস এম জিন্নাহ কবিরের পরিবর্তে বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে খন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলুকে এবং নাটোর-১ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম বিমলের পরিবর্তে কামরুন্নাহার শিরীনকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে বিএনপির সাত প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছিলেন। পরে কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পৃথক আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের শুনানি শেষে তাদের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ দেন হাইকোর্ট।