ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাকেরগঞ্জে ড. আবদুস সালাম মল্লিক ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় বিভিন্ন মহলের শুভেচ্ছা।। বরিশালে সুলভ মুল্যে বসুন্ধরা পন্য পেয়ে ক্রেতারা খুশী। বাবুগঞ্জে স্কুল ছুটির পরে বাড়ি যাওয়ার সময় দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ। আমার বাবাও মায়ের দেওয়া উপদেশ বড়দের সম্মান কর ছোটদের স্নেহ করো। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশাখী নারী উদ্যোক্তা মেলা শুরু। টাঙ্গাইলে তিনদিন ব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা শুরু বাকেরগঞ্জে প্রধান মন্ত্রীর ছবি ব্যঙ্গক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট করায় হায়দর সিপাই গ্রেফতার। বাকেরগঞ্জে স্ত্রীর দায়ের কৃত মামলায় স্বামী পারভেজ খান গ্রেফতার।। বাকেরগঞ্জে তরমুজ চাষী হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী রুদ্র গাজী গ্রেফতার টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে বাস ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় আরও দুই আসামি গ্রেফতার

মোঃ মশিউর রহমান,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ
কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঈগল পরিবহনের বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার (৫ আগস্ট) ভোরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও সোহাগপল্লী থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বেলা ১২টায় তার কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কানপুর গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে মো. আউয়াল (৩০), কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার বাহেজ উদ্দিনের ছেলে নুরনবী (২৬)। গ্রেফতারকৃতদের সবাই মাদকাসক্ত। ঘটনার পরপরই বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেফতার হওয়া রাজা মিয়ার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। এরপর থেকেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে বাস ডাকাত চক্রের সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এর আগে তারা আরও কোন ডাকাতি কর্মকান্ডে অংশ নিয়েছে কিনা, তাদের দলের সদস্য সংখ্যা কত, তারা আর কি ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ সুপার। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে ঈগল পরিবহনের একটি বাস নারায়নগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের একটি খাবার হোটেলে যাত্রা বিরতি করে। সেখান থেকে যাত্রা শুরুর পর তিন দফায় যাত্রীবেশি কয়েক জন ডাকাত বাসে ওঠে। বাসটি টাঙ্গাইল অতিক্রম করার পর ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে চালককে জিম্মি করে বাসটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। তারা যাত্রীদের হাত, পা, চোখ বেঁধে তাদের সব লুট করে নেয়। এ সময় বাসে থাকা এক নারী যাত্রী ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হন। ডাকাতরা বাসটি টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের দিকে নিয়ে যায়। রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাসটি মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া নামক স্থানে রাস্তার খাদে নামিয়ে দেয় তারা। পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা যাত্রীদের উদ্ধার করে। পরে পুলিশ আসলে যাত্রীরা ডাকাতি ও নির্যাতনের বিষয়টি জানান। ওই বাসের যাত্রী হেকমত মিয়া বাদী হয়ে মধুপুর থানায় বাস ডাকাতি ও ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।

Tag :

জনপ্রিয় সংবাদ

বাকেরগঞ্জে ড. আবদুস সালাম মল্লিক ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় বিভিন্ন মহলের শুভেচ্ছা।।

টাঙ্গাইলে বাস ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় আরও দুই আসামি গ্রেফতার

আপডেট টাইম ০৩:১৫:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২

মোঃ মশিউর রহমান,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ
কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঈগল পরিবহনের বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার (৫ আগস্ট) ভোরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও সোহাগপল্লী থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বেলা ১২টায় তার কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কানপুর গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে মো. আউয়াল (৩০), কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার বাহেজ উদ্দিনের ছেলে নুরনবী (২৬)। গ্রেফতারকৃতদের সবাই মাদকাসক্ত। ঘটনার পরপরই বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেফতার হওয়া রাজা মিয়ার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। এরপর থেকেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে বাস ডাকাত চক্রের সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এর আগে তারা আরও কোন ডাকাতি কর্মকান্ডে অংশ নিয়েছে কিনা, তাদের দলের সদস্য সংখ্যা কত, তারা আর কি ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ সুপার। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে ঈগল পরিবহনের একটি বাস নারায়নগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের একটি খাবার হোটেলে যাত্রা বিরতি করে। সেখান থেকে যাত্রা শুরুর পর তিন দফায় যাত্রীবেশি কয়েক জন ডাকাত বাসে ওঠে। বাসটি টাঙ্গাইল অতিক্রম করার পর ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে চালককে জিম্মি করে বাসটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। তারা যাত্রীদের হাত, পা, চোখ বেঁধে তাদের সব লুট করে নেয়। এ সময় বাসে থাকা এক নারী যাত্রী ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হন। ডাকাতরা বাসটি টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের দিকে নিয়ে যায়। রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাসটি মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া নামক স্থানে রাস্তার খাদে নামিয়ে দেয় তারা। পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা যাত্রীদের উদ্ধার করে। পরে পুলিশ আসলে যাত্রীরা ডাকাতি ও নির্যাতনের বিষয়টি জানান। ওই বাসের যাত্রী হেকমত মিয়া বাদী হয়ে মধুপুর থানায় বাস ডাকাতি ও ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।