ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সাইনবোর্ডে আগুন জ্বালিয়ে অটোরিকশা চালকদের বিক্ষোভ “দেশীয় সফটওয়্যারে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের প্রত্যয়ে শপথ নিল বেসিসের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ” রাজশাহী গোদাগাড়ী অঞ্চলে পুকুর সংস্কারের নামে প্রশাসনকে যেভাবে বোকা বানাচ্ছে অবৈধ পুকুর ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ধাপে হাটহাজারী ও রাঙ্গুনিয়ায়-ফটিকছড়ি উপজেলায় ভোট আজ “অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স ও কনকর্ড রিয়েল এস্টেটের সাথে চুক্তি সই” গজারিয়ায় সাংবাদিকের উপর হামলা, থানার সামনে সাংবাদিকদের অবস্থান কর্মসূচি গত ১৯শে মে রাত ১১ টায় সাইনবোর্ড লিংকরোডে অটো সিএনজি ভাঙচুর বাকেরগঞ্জের এমপি হাফিজ মল্লিকের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় দিশেহারা একটি কুচক্রী মহল।। টাঙ্গাইলে উপজেলা নির্বাচনের ৩য় ও ৪র্থ ধাপের প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় টাঙ্গাইলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃংখলা রক্ষার্থে নির্বাচনী ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ফাইল ছবি

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক :  মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে জাতির পক্ষ থেকে একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ ১৬ ডিসেম্বর ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে প্রথমে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদদের স্মৃতির প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুন সুর। তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার দেন। পরে এক মিনিট নীরবতা পালন করে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় স্মৃতিসৌধে ফুল দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা। এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, সরকারের পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও সরকার দলীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জনের দিন আজ। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রভাতী সূর্যের আলোয় ঝলমলিয়ে উঠেছিল বাংলার রক্তস্নাত শিশির ভেজা মাটি, অবসান হয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সাড়ে তেইশ বছরের নির্বিচার শোষণ, বঞ্চনা আর নির্যাতনের কালো অধ্যায়। নয় মাসের যুদ্ধ শেষে এদিন জন্ম নেয় একটি নতুন দেশ স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। প্রায় ৯২ হাজার পাকিস্তানি বাহিনী ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সূচিত হয়েছিল এই মাহেন্দ্রক্ষণ।

আজ প্রত্যুষে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের সূচনা হয়। সরকারি ছুটির দিন আজ। সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে শহীদদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ জনতার ঢল। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সর্বস্তরের মানুষ নিয়ে রাজধানীসহ সারাদেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বিজয় মঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

Tag :

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সাইনবোর্ডে আগুন জ্বালিয়ে অটোরিকশা চালকদের বিক্ষোভ

বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

আপডেট টাইম ০৩:১৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক :  মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে জাতির পক্ষ থেকে একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ ১৬ ডিসেম্বর ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে প্রথমে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদদের স্মৃতির প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুন সুর। তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার দেন। পরে এক মিনিট নীরবতা পালন করে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় স্মৃতিসৌধে ফুল দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা। এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, সরকারের পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও সরকার দলীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জনের দিন আজ। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রভাতী সূর্যের আলোয় ঝলমলিয়ে উঠেছিল বাংলার রক্তস্নাত শিশির ভেজা মাটি, অবসান হয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সাড়ে তেইশ বছরের নির্বিচার শোষণ, বঞ্চনা আর নির্যাতনের কালো অধ্যায়। নয় মাসের যুদ্ধ শেষে এদিন জন্ম নেয় একটি নতুন দেশ স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। প্রায় ৯২ হাজার পাকিস্তানি বাহিনী ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সূচিত হয়েছিল এই মাহেন্দ্রক্ষণ।

আজ প্রত্যুষে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের সূচনা হয়। সরকারি ছুটির দিন আজ। সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে শহীদদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ জনতার ঢল। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সর্বস্তরের মানুষ নিয়ে রাজধানীসহ সারাদেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বিজয় মঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।