ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ মে ২০২৪, ২০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশ জুরে শুরু হয়েছে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। মুরাদনগর উপজেলা মোট-১৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। টাঙ্গাইলে এইচআইভি ও এইডস রোগের সচেতনতা সৃষ্টিতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত লোহাগড়া উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিক বরাদ্দ বগুড়া শিবগঞ্জে নাতির রাম দা’র কোপে নানী খুন ফুটপাত উদ্ধার করতে হবে: মেয়র রেজাউল আন্তর্জাতিক মে দিবস পালন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রাসাদ নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয় রাঙ্গুনিয়ায় চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানে প্রতিদ্বন্দ্বীবিহীন প্রার্থী ভোট হবে ভাইস চেয়ারম্যানের (চার প্রার্থীর মধ্যে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার ভোট প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে দুই জনের মধ্যে।) “কেরানীগঞ্জে এক হাজার পথচারীদের মাঝে শরবত বিতরণ করলেন সাংবাদিকরা” লক্ষ্মীপুরে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ পুরস্কার নিয়ে বির্তক দিঘলিয়ায় মে দিবস পালিত।

মাধবপুরে যুবতী খুনের মামলাসহ ৩১মামলার তালিকা ভুক্ত আসামি ইউপি সদস্য পলাতক

হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ৪নং আদাঐর ইউপির সুলতানপুর গ্রামের ৩১মামলার তালিকাভুক্ত কুখ্যাত আসামি আবু মিয়া আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পলাতক রয়েছে। মামলা সুত্রে জানা যায়, উপজেলার একই ইউনিয়নের মেহেরপুর গ্রামের নিরিহ মুয়াজ্জিন সহিদ মিয়ার মেয়ে নাবালিকা ভিকটিম সুলতানা আক্তার গত বছর জেএসসি পরিক্ষায় পাস করে। বিগত ১৫/১০/২১ তারিখে ভিকটিম সুলতানার মা সুলতানার ছোট ভাইকে নিয়ে তার নানার বাড়িতে ছিল, সেদিন সন্ধ্যায় তার বাবা সহিদ মিয়া মসজিদে আযান দেওয়ার জন্য চলে যান, এরই ফাকে ভিকটিম সুলতানাকে ঘরে একা পেয়ে আবু মিয়ার ইসারায় কোন কোন সহযোগি সহ ধর্ষণের উদ্দেশ্য ঘরে ডুকে নাবালিকা ভিকটিম সুলতানাকে হত্যা করে।

সহিদ মিয়া মসজিদ থেকে এসে ঘরে মেয়ের লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আসামি আবু মিয়া সহ তাকে মুখ চেপে ধরে অন্য ঘরে নিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখে এবং চিৎকার দিতে নিষেধ করে। চিৎকার দিলে তার অবস্থা মেয়ের মত হবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে কিছুক্ষন পরে ভিকটিমের মা মেয়ের খবর পেয়ে বাড়িতে আসলে তাকেও হত্যার ভয় দেখিয়ে কান্না কাটি করিতে নিষেধ করে এবং ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে মেয়ের লাশও মা বাবাকে দেখতে দেয় নি খুনের আলামত নষ্ট করার লক্ষ্যে রাতের আঁধারে প্রচুর বৃষ্টিপাতের মধ্যে লাশ দাফন করে ফেলে ভিকটিমের মা বাবাকে হত্যার ভয় দেখিয়ে এ ব্যপারে মুখ খুলতে নিষেধ করে।

পরবর্তীতে সহিদ মিয়া তার স্ত্রীকে নিয়ে শশুর বাড়িতে গিয়ে নিরাপদ আশ্রয় নেয় এবং কোন কোন সাক্ষীদের নিখট হইতে মেয়ের খুনের বিষয়ে তথ্যাদি সংগ্রহ করে ২০/১২/২১ তারিখে কুখ্যাত আবু মিয়া সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে মাধবপুর থানাকে এফআইআর এর আদেশ দেন, ২৫/১/২০২২ তারিখে মামলাটি মাধবপুর থানা এফআইআর করেন। এর পর থেকে আসামীরা পলাতক রয়েছে সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় , বহু কু- কর্মের হুতা আবু মিয়া এমন কোন অপরাধ করতে জানে নি তার বাকী নাই তার নামে বিভিন্ন অভিযোগে ৩১টি মামলা রয়েছে এর মধ্যে সরাষ্ট উপ-সচিবের ভাই হত্যা সহ ৪ টি খুনের মামলা ৫টি সিটিং।

২টি চাঁদাবাজি ২টি ব্যাংক জালিয়াতি ১টি অপহরণ সহ একাদিক ডাকাতি, চুরি, অগ্নি সংযোগ, মাদক ও মারামারির মামলা রয়েছে তার পরিচালিত বাহিনী দ্বারা বহু কু কর্ম করে কুটি টাকার বনে গেছেন। অনেকে তার নামে মামলা করেও বিপাকে পড়েছেন পরবর্তীতে তার হাত থেকে বাচার জন্য আপোষ করতে বাধ্য হয়েছেন এই সু-চতুর আবু মিয়া অনেকের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী ফুঁসে উঠেছেন বহু কু কর্মের হুতা আবু মিয়ার বিরুদ্ধে একই ইউনিয়নের খিলগাঁও গ্রামের সুখলাল সরকারকে ২৭/৫/২১ তারিখে অপহরনের অভিযোগে।

তার ছেলে আবু মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে মামলটি পিবিআই হবিগঞ্জ তদন্ত করছেন কিন্তু আবু মিয়ার তান্ডব সিমাহীন ভিকটিম সুখলাল সরকারকে অপহরন করে ক্ষান্ত হন নি ভিকটিমের ছেলের নামে দুইটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন এবং অপহরন মামলা টি আপোষ মিমাংসার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে চাপ প্রয়োগ করছেন এলাকাবাসী তার তান্ডব থেকে বাচতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন।

Tag :

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশ জুরে শুরু হয়েছে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। মুরাদনগর উপজেলা মোট-১৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।

মাধবপুরে যুবতী খুনের মামলাসহ ৩১মামলার তালিকা ভুক্ত আসামি ইউপি সদস্য পলাতক

আপডেট টাইম ০৯:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ৪নং আদাঐর ইউপির সুলতানপুর গ্রামের ৩১মামলার তালিকাভুক্ত কুখ্যাত আসামি আবু মিয়া আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পলাতক রয়েছে। মামলা সুত্রে জানা যায়, উপজেলার একই ইউনিয়নের মেহেরপুর গ্রামের নিরিহ মুয়াজ্জিন সহিদ মিয়ার মেয়ে নাবালিকা ভিকটিম সুলতানা আক্তার গত বছর জেএসসি পরিক্ষায় পাস করে। বিগত ১৫/১০/২১ তারিখে ভিকটিম সুলতানার মা সুলতানার ছোট ভাইকে নিয়ে তার নানার বাড়িতে ছিল, সেদিন সন্ধ্যায় তার বাবা সহিদ মিয়া মসজিদে আযান দেওয়ার জন্য চলে যান, এরই ফাকে ভিকটিম সুলতানাকে ঘরে একা পেয়ে আবু মিয়ার ইসারায় কোন কোন সহযোগি সহ ধর্ষণের উদ্দেশ্য ঘরে ডুকে নাবালিকা ভিকটিম সুলতানাকে হত্যা করে।

সহিদ মিয়া মসজিদ থেকে এসে ঘরে মেয়ের লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আসামি আবু মিয়া সহ তাকে মুখ চেপে ধরে অন্য ঘরে নিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখে এবং চিৎকার দিতে নিষেধ করে। চিৎকার দিলে তার অবস্থা মেয়ের মত হবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে কিছুক্ষন পরে ভিকটিমের মা মেয়ের খবর পেয়ে বাড়িতে আসলে তাকেও হত্যার ভয় দেখিয়ে কান্না কাটি করিতে নিষেধ করে এবং ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে মেয়ের লাশও মা বাবাকে দেখতে দেয় নি খুনের আলামত নষ্ট করার লক্ষ্যে রাতের আঁধারে প্রচুর বৃষ্টিপাতের মধ্যে লাশ দাফন করে ফেলে ভিকটিমের মা বাবাকে হত্যার ভয় দেখিয়ে এ ব্যপারে মুখ খুলতে নিষেধ করে।

পরবর্তীতে সহিদ মিয়া তার স্ত্রীকে নিয়ে শশুর বাড়িতে গিয়ে নিরাপদ আশ্রয় নেয় এবং কোন কোন সাক্ষীদের নিখট হইতে মেয়ের খুনের বিষয়ে তথ্যাদি সংগ্রহ করে ২০/১২/২১ তারিখে কুখ্যাত আবু মিয়া সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে মাধবপুর থানাকে এফআইআর এর আদেশ দেন, ২৫/১/২০২২ তারিখে মামলাটি মাধবপুর থানা এফআইআর করেন। এর পর থেকে আসামীরা পলাতক রয়েছে সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় , বহু কু- কর্মের হুতা আবু মিয়া এমন কোন অপরাধ করতে জানে নি তার বাকী নাই তার নামে বিভিন্ন অভিযোগে ৩১টি মামলা রয়েছে এর মধ্যে সরাষ্ট উপ-সচিবের ভাই হত্যা সহ ৪ টি খুনের মামলা ৫টি সিটিং।

২টি চাঁদাবাজি ২টি ব্যাংক জালিয়াতি ১টি অপহরণ সহ একাদিক ডাকাতি, চুরি, অগ্নি সংযোগ, মাদক ও মারামারির মামলা রয়েছে তার পরিচালিত বাহিনী দ্বারা বহু কু কর্ম করে কুটি টাকার বনে গেছেন। অনেকে তার নামে মামলা করেও বিপাকে পড়েছেন পরবর্তীতে তার হাত থেকে বাচার জন্য আপোষ করতে বাধ্য হয়েছেন এই সু-চতুর আবু মিয়া অনেকের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী ফুঁসে উঠেছেন বহু কু কর্মের হুতা আবু মিয়ার বিরুদ্ধে একই ইউনিয়নের খিলগাঁও গ্রামের সুখলাল সরকারকে ২৭/৫/২১ তারিখে অপহরনের অভিযোগে।

তার ছেলে আবু মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে মামলটি পিবিআই হবিগঞ্জ তদন্ত করছেন কিন্তু আবু মিয়ার তান্ডব সিমাহীন ভিকটিম সুখলাল সরকারকে অপহরন করে ক্ষান্ত হন নি ভিকটিমের ছেলের নামে দুইটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন এবং অপহরন মামলা টি আপোষ মিমাংসার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে চাপ প্রয়োগ করছেন এলাকাবাসী তার তান্ডব থেকে বাচতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন।