ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাসারা উচ্চ বিদ্যালয় এর গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের অভিযোগ। প্রশান্তি আবাসিকে রাস্তার উদ্বোধন করলেন মেয়র বাকেরগঞ্জের প্রথম শহীদ মিনারটি অযত্নে অবহেলায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। সিলেট নগরীতে হঠাৎ করে বেড়েছে মশার উপদ্রব মেডিকেলে পড়ার স্বপ্ন পূরণে হাত বাড়ালেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক মনপুরায় ইউপি সদস্যের আত্মীয়ের কাছ থেকে ভিজিএফের চাল জব্দ সুশৃঙ্খল সুরক্ষিত হাইওয়ে মহাসড়ক’ হাইওয়ে পুলিশের সেবা সপ্তাহ—২০২৪ হাইওয়ে পুলিশের সেবা সপ্তাহ—২০২৪ ’সুশৃঙ্খল সুরক্ষিত মহাসড়ক’ শিরোনামে টাঙ্গাইলে গৃহায়ন তহবিলের তালিকাভুক্ত এনজিও প্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীদের নিয়ে মতবিনিময় অপ্রাপ্ত বয়সেই ৩ বিয়ে, সংবাদ করায় ৪ সাংবাদিকের নামে মামলা

সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষায় নীতিমালা

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক :   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে তাঁর সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করছে। কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল। কিছুদিন পর পরই এই আন্দোলন হয়। সেজন্য আমরা কোটা পদ্ধতি বাতিল করে দিয়েছি এটা ঠিক। তবে, একটা নীতিমালা আমরা তৈরী করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধী, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠী বা অনগ্রসর জাতি- তারা যেন যথাযথভাবে চাকুরি পায় এবং চাকরিতে তাদের অধিকার নিশ্চিত হয় নীতিমালায় সেই ব্যবস্থাটা অবশ্যই করা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৭তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস এবং ২০তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পর থেকেই প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষায় তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ হিসেবে তাদের প্রাপ্য অধিকারটা আমরা যেন দিতে পারি এবং তাদের ভেতরে যে শক্তি আছে সেটাকে আমরা যেন কাজে লাগাতে পারি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য কল্যাণ ফাউন্ডেশন তৈরি এবং তাদের মধ্যে যারা খেলাধূলায় সম্পৃক্ত তাদেরকে বিশেষ অলিম্পিকে সম্পৃক্ত করাসহ আরো নানা ধরনের সুযোগ আওয়ামী লীগ সরকারই করে

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সভাপতিত্ব করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জিল্লার রহমান এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সভাপতি সায়েদুল হকও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ডা. মোজাম্মেল হোসেন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর “প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩” এবং “নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন, ২০১৩” নামে দু’টি আইন পাশ করে। ইতোমধ্যে এর বিধিমালাও প্রণয়ন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের নির্দেশনা হচ্ছে যত স্থাপনা হবে প্রতিটি জায়গায় প্রতিবন্ধীদের যাতায়াতের এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যেন থাকে।

তিনি বলেন, বিশেষ টয়লেটের ব্যবস্থাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সকল স্থানে তাদের জন্য যেন সুযোগ-সুবিধা থাকে সেই নির্দেশনা দেয়া আছে।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় দুই ঈদ, বাংলা ও ইংরেজী নববর্ষ এবং বড় দিন উপলক্ষে যে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠান তা এই প্রতিবন্ধীদের আঁকা ছবি দিয়েই করা হয় বলেও উল্লেখ করেন।

Tag :

জনপ্রিয় সংবাদ

বাসারা উচ্চ বিদ্যালয় এর গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের অভিযোগ।

সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষায় নীতিমালা

আপডেট টাইম ০১:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৮

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক :   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে তাঁর সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করছে। কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল। কিছুদিন পর পরই এই আন্দোলন হয়। সেজন্য আমরা কোটা পদ্ধতি বাতিল করে দিয়েছি এটা ঠিক। তবে, একটা নীতিমালা আমরা তৈরী করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধী, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠী বা অনগ্রসর জাতি- তারা যেন যথাযথভাবে চাকুরি পায় এবং চাকরিতে তাদের অধিকার নিশ্চিত হয় নীতিমালায় সেই ব্যবস্থাটা অবশ্যই করা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৭তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস এবং ২০তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পর থেকেই প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষায় তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ হিসেবে তাদের প্রাপ্য অধিকারটা আমরা যেন দিতে পারি এবং তাদের ভেতরে যে শক্তি আছে সেটাকে আমরা যেন কাজে লাগাতে পারি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য কল্যাণ ফাউন্ডেশন তৈরি এবং তাদের মধ্যে যারা খেলাধূলায় সম্পৃক্ত তাদেরকে বিশেষ অলিম্পিকে সম্পৃক্ত করাসহ আরো নানা ধরনের সুযোগ আওয়ামী লীগ সরকারই করে

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সভাপতিত্ব করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জিল্লার রহমান এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সভাপতি সায়েদুল হকও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ডা. মোজাম্মেল হোসেন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর “প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩” এবং “নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন, ২০১৩” নামে দু’টি আইন পাশ করে। ইতোমধ্যে এর বিধিমালাও প্রণয়ন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের নির্দেশনা হচ্ছে যত স্থাপনা হবে প্রতিটি জায়গায় প্রতিবন্ধীদের যাতায়াতের এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যেন থাকে।

তিনি বলেন, বিশেষ টয়লেটের ব্যবস্থাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সকল স্থানে তাদের জন্য যেন সুযোগ-সুবিধা থাকে সেই নির্দেশনা দেয়া আছে।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় দুই ঈদ, বাংলা ও ইংরেজী নববর্ষ এবং বড় দিন উপলক্ষে যে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠান তা এই প্রতিবন্ধীদের আঁকা ছবি দিয়েই করা হয় বলেও উল্লেখ করেন।