সংবাদ শিরোনাম ::
“পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ‘উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে’ রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে: টিআইবি” এডিস’র লার্ভা পাওয়ায় ৬ স্থাপনাকে ঢাদসিক’র জরিমানা টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত টাঙ্গাইলে বিবেকানন্দ স্কুল ফুটবল চ্যাম্পিয়শীপের উদ্বোধন মতলব উত্তরে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত করা হয়েছে মতলব উত্তরের অলিপুরে বিট পুলিশং সভা অনুষ্ঠিত হয় ‘দুর্নীতি উৎসাহিত হবে’, পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি নিয়ে ডিআরইউ “পুলিশের অসৎ কর্মকর্তাদের রক্ষার অপপ্রয়াস থেকেই এ ধরনের বিবৃতি: গণ অধিকার পরিষদ” গজারিয়ায় কেক কেটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করলো উপজেলা আওয়ামী লীগ ২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষ্মা দূর করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিরাপদ সমুদ্রাঞ্চল গড়ে তুলতে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক:   নিরাপদ সমুদ্র অঞ্চল গড়ে তুলতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটি নিরাপদ সমুদ্রাঞ্চল গড়ে তুলতে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর। বঙ্গোপসাগরের বিশাল জলরাশির অতলে সম্পদের প্রাচুর্যতা রয়েছে। এই সম্পদ আমরা উত্তোলন করতে সক্ষম হলে আগামি কয়েক প্রজন্ম লাভবান হবে। আর আমাদের অর্থনীতিতেও বিরাট অবদান রাখবে।আজ বুধবার সকালে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ১৪তম ‘হেড অব এশিয়ান কোস্ট গার্ড মিটিংয়ে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সম্পদের নিরাপদ ও পরিবেশগত টেকসই ব্যবহারের জন্য ব্লু ইকোনমি নীতি আমরা প্রনয়ন করেছি এবং তা বাস্তবায়নের কাজও আমরা শুরু করেছি। যা বাংলাদেশের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে বিশ্বাস করি।

সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল অপরিহার্য মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ সমুদ্রপথে সম্পাদিত হয়। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে আমাদের এই সমুদ্রপথে মাদকদ্রব্য পাচার, অস্ত্রপাচার, মানবপাচার অনিয়ন্ত্রিত মৎস আহরণ, জলদস্যুতা, সশস্ত্র ডাকাতি এবং আরও বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ প্রায়শই সংগঠিত হয়ে থাকে। এসব অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে শুধু দেশীয় নয় পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর অপরাধীরাও জড়িত থাকে। অপরাধীরা অনেক সময় আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে থাকে। কাজেই একক দেশ হিসেবে কারও পক্ষে এটা দমন করা সম্ভব না। যদি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা হয়, তাহলে এটা দমন করা সম্ভব; এবং এটা অপরিহার্য।

গত এক দশকে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি লাভ করেছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা স্বল্পন্নোত দেশ ছিলাম। এখন আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গ্রাজুয়েশন পেয়েছি। দেশকে আরও উন্নত করার জন্য আমরা বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

Tag :

জনপ্রিয় সংবাদ

“পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ‘উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে’ রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে: টিআইবি”

নিরাপদ সমুদ্রাঞ্চল গড়ে তুলতে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম ০৮:১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮
মাতৃভূমির খবর ডেস্ক:   নিরাপদ সমুদ্র অঞ্চল গড়ে তুলতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটি নিরাপদ সমুদ্রাঞ্চল গড়ে তুলতে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর। বঙ্গোপসাগরের বিশাল জলরাশির অতলে সম্পদের প্রাচুর্যতা রয়েছে। এই সম্পদ আমরা উত্তোলন করতে সক্ষম হলে আগামি কয়েক প্রজন্ম লাভবান হবে। আর আমাদের অর্থনীতিতেও বিরাট অবদান রাখবে।আজ বুধবার সকালে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ১৪তম ‘হেড অব এশিয়ান কোস্ট গার্ড মিটিংয়ে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সম্পদের নিরাপদ ও পরিবেশগত টেকসই ব্যবহারের জন্য ব্লু ইকোনমি নীতি আমরা প্রনয়ন করেছি এবং তা বাস্তবায়নের কাজও আমরা শুরু করেছি। যা বাংলাদেশের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে বিশ্বাস করি।

সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল অপরিহার্য মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ সমুদ্রপথে সম্পাদিত হয়। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে আমাদের এই সমুদ্রপথে মাদকদ্রব্য পাচার, অস্ত্রপাচার, মানবপাচার অনিয়ন্ত্রিত মৎস আহরণ, জলদস্যুতা, সশস্ত্র ডাকাতি এবং আরও বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ প্রায়শই সংগঠিত হয়ে থাকে। এসব অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে শুধু দেশীয় নয় পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর অপরাধীরাও জড়িত থাকে। অপরাধীরা অনেক সময় আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে থাকে। কাজেই একক দেশ হিসেবে কারও পক্ষে এটা দমন করা সম্ভব না। যদি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা হয়, তাহলে এটা দমন করা সম্ভব; এবং এটা অপরিহার্য।

গত এক দশকে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি লাভ করেছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা স্বল্পন্নোত দেশ ছিলাম। এখন আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গ্রাজুয়েশন পেয়েছি। দেশকে আরও উন্নত করার জন্য আমরা বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।