ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুমকিতে আন্তঃ উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। মুন্সীগঞ্জ পৌর নির্বাচনে আমিরুল ইসলাম এর নির্দেশে জগ মার্কার গনসংযোগ রাজধানীর বেইলি রোডে আগুন লাগার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেন। “গুলশানে বিশ্বমানের জুয়েলারী শোরুম চালু করছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড” ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিটাগাং রোড সিমরাইল ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধার মৃত্যু ও আহত ২ “সীমানা ছাড়িয়েআকিজ পাইপস অ্যান্ড ফিটিংস এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে” ” অরক্ষিত ও অনিয়ন্ত্রিত ভবনের কারণে অনেক তাজা স্বপ্ন পুড়ে নিঃস্ব হলো অনেক পরিবার চসিক মেয়রের উদ্যোগে খেলার মাঠ পেল হালিশহরের শিশুরা বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের নিহত সাংবাদিক বৃ‌ষ্টি খাত‌ুন যেভা‌বে হ‌লো অ‌ভিশ্রু‌তি শাস্ত্রী চিঠি লিখে পরিবারের কাছে দোয়া ও প্রমিকার’কে চির বিদায় জানিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

২৫টি ব্যথানাশক ট্যাবলেট খেয়েছেন মুশফিক

মুশফিকুর রহিমের বাঁ পাঁজরের ৯ নম্বর হাড়টা ভেঙে গেছে। এমন একটা জায়গা, যেখানে ইনজেকশনও দেওয়া যায় না। টেপ লাগিয়ে, ট্যাবলেট খেয়ে খেলতে হয়। দিনে ৬টির মতো করে ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে, দুবাইয়ের তীব্র গরমে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসটি খেলেছেন মুশফিক

উইকেটকিপিং অনুশীলন করতে গিয়ে চোট পান ১২ সেপ্টেম্বর। কিন্তু চোটটা এমন এক জায়গায় যে সেখানে ইনজেকশন দেওয়া যায় না। আবার যায় না ব্যান্ডেজ করাও। মুশফিকুর রহিম তাই নিজেকে খেলার মতো ফিট রাখছেন ব্যথানাশক ট্যাবলেট খেয়ে।

‘গত চার দিনে ২৫টির মতো ব্যথানাশক ট্যাবলেট খেয়েছি। এভাবেই খেলছি।’ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেছেন পরশু দুবাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৪৪ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলা ব্যাটসম্যান। চোট সম্পর্কে জানতে চাইলে মুশফিক জানিয়েছেন, ‘বাঁ পাঁজরের ৯ নম্বর হাড়টা ভেঙে গেছে। এখনো ওটা ভাঙাই আছে। এটা এমন একটা জায়গা যেখানে ইনজেকশনও দেওয়া যায় না। টেপ লাগিয়ে, ট্যাবলেট খেয়ে যতটুকু খেলা যায়। কাল (পরশু) তো পুরো ইনিংসেই সমস্যা হয়েছে। শট খেলতে গেলেই ওখানে লেগেছে।’

তবে নিজের ব্যথা মুশফিক ভুলে যাচ্ছেন তামিম ইকবালের সাহস দেখে, ‘ওর কিন্তু এক জায়গায় ভাঙেনি। দুই-তিন জায়গায় ভেঙেছে। ওই অবস্থায় খেলতে নামাটা অনেক সাহসী সিদ্ধান্ত এবং তামিম নিজেই সিদ্ধান্তটা নিয়েছে। দেশের প্রতি, খেলার প্রতি তার যে প্রতিজ্ঞা আর নিবেদন, এটা তা-ই প্রমাণ করে। ওকে দেখে সে জন্যই অন্য রকম একটা তাড়না কাজ করেছে আমার মধ্যে। আর কিছু না হোক, তামিমের জন্য হলেও আমাকে ২৫-২৬টা রান করতে হবে যাতে আমরা লড়াই করতে পারি।’

মুশফিক মনে করেন, দলের প্রতি সবার আত্মনিবেদনই অনেক। কিন্তু নিজেদের উজাড় করে দেওয়ার এই ছবিটা সব সময় সেভাবে তুলে ধরা হয় না, ‘তামিমের সিদ্ধান্ত সারা বিশ্বেই অনেক সম্মান পাবে। দলের প্রতি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের যে নিবেদন, সেটা আসলে খুব কম মানুষই জানে। গ্রায়েম স্মিথ সিডনিতে ভাঙা হাত নিয়ে খেলতে নামলে বিরাট ব্যাপার হয়ে যায়, কিন্তু আমাদের তামিম নামলে কিছু হয় না। আফসোসটা এ জায়গাতেই। হয়তো আমরা বাংলাদেশ দলে খেলি বলেই আমাদের নিয়ে ওই রকম আলোচনা হয় না। তবে আমরা নিজেরা অন্তত জানি কে কী রকম। দলের মধ্যে আমরা সবাই সবাইকে সম্মান করি। এটাই আমাদের আনন্দ

Tag :

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুমকিতে আন্তঃ উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

২৫টি ব্যথানাশক ট্যাবলেট খেয়েছেন মুশফিক

আপডেট টাইম ১২:৩২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮
মুশফিকুর রহিমের বাঁ পাঁজরের ৯ নম্বর হাড়টা ভেঙে গেছে। এমন একটা জায়গা, যেখানে ইনজেকশনও দেওয়া যায় না। টেপ লাগিয়ে, ট্যাবলেট খেয়ে খেলতে হয়। দিনে ৬টির মতো করে ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে, দুবাইয়ের তীব্র গরমে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসটি খেলেছেন মুশফিক

উইকেটকিপিং অনুশীলন করতে গিয়ে চোট পান ১২ সেপ্টেম্বর। কিন্তু চোটটা এমন এক জায়গায় যে সেখানে ইনজেকশন দেওয়া যায় না। আবার যায় না ব্যান্ডেজ করাও। মুশফিকুর রহিম তাই নিজেকে খেলার মতো ফিট রাখছেন ব্যথানাশক ট্যাবলেট খেয়ে।

‘গত চার দিনে ২৫টির মতো ব্যথানাশক ট্যাবলেট খেয়েছি। এভাবেই খেলছি।’ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেছেন পরশু দুবাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৪৪ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলা ব্যাটসম্যান। চোট সম্পর্কে জানতে চাইলে মুশফিক জানিয়েছেন, ‘বাঁ পাঁজরের ৯ নম্বর হাড়টা ভেঙে গেছে। এখনো ওটা ভাঙাই আছে। এটা এমন একটা জায়গা যেখানে ইনজেকশনও দেওয়া যায় না। টেপ লাগিয়ে, ট্যাবলেট খেয়ে যতটুকু খেলা যায়। কাল (পরশু) তো পুরো ইনিংসেই সমস্যা হয়েছে। শট খেলতে গেলেই ওখানে লেগেছে।’

তবে নিজের ব্যথা মুশফিক ভুলে যাচ্ছেন তামিম ইকবালের সাহস দেখে, ‘ওর কিন্তু এক জায়গায় ভাঙেনি। দুই-তিন জায়গায় ভেঙেছে। ওই অবস্থায় খেলতে নামাটা অনেক সাহসী সিদ্ধান্ত এবং তামিম নিজেই সিদ্ধান্তটা নিয়েছে। দেশের প্রতি, খেলার প্রতি তার যে প্রতিজ্ঞা আর নিবেদন, এটা তা-ই প্রমাণ করে। ওকে দেখে সে জন্যই অন্য রকম একটা তাড়না কাজ করেছে আমার মধ্যে। আর কিছু না হোক, তামিমের জন্য হলেও আমাকে ২৫-২৬টা রান করতে হবে যাতে আমরা লড়াই করতে পারি।’

মুশফিক মনে করেন, দলের প্রতি সবার আত্মনিবেদনই অনেক। কিন্তু নিজেদের উজাড় করে দেওয়ার এই ছবিটা সব সময় সেভাবে তুলে ধরা হয় না, ‘তামিমের সিদ্ধান্ত সারা বিশ্বেই অনেক সম্মান পাবে। দলের প্রতি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের যে নিবেদন, সেটা আসলে খুব কম মানুষই জানে। গ্রায়েম স্মিথ সিডনিতে ভাঙা হাত নিয়ে খেলতে নামলে বিরাট ব্যাপার হয়ে যায়, কিন্তু আমাদের তামিম নামলে কিছু হয় না। আফসোসটা এ জায়গাতেই। হয়তো আমরা বাংলাদেশ দলে খেলি বলেই আমাদের নিয়ে ওই রকম আলোচনা হয় না। তবে আমরা নিজেরা অন্তত জানি কে কী রকম। দলের মধ্যে আমরা সবাই সবাইকে সম্মান করি। এটাই আমাদের আনন্দ