ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুমকিতে আন্তঃ উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। মুন্সীগঞ্জ পৌর নির্বাচনে আমিরুল ইসলাম এর নির্দেশে জগ মার্কার গনসংযোগ রাজধানীর বেইলি রোডে আগুন লাগার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেন। “গুলশানে বিশ্বমানের জুয়েলারী শোরুম চালু করছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড” ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিটাগাং রোড সিমরাইল ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধার মৃত্যু ও আহত ২ “সীমানা ছাড়িয়েআকিজ পাইপস অ্যান্ড ফিটিংস এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে” ” অরক্ষিত ও অনিয়ন্ত্রিত ভবনের কারণে অনেক তাজা স্বপ্ন পুড়ে নিঃস্ব হলো অনেক পরিবার চসিক মেয়রের উদ্যোগে খেলার মাঠ পেল হালিশহরের শিশুরা বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের নিহত সাংবাদিক বৃ‌ষ্টি খাত‌ুন যেভা‌বে হ‌লো অ‌ভিশ্রু‌তি শাস্ত্রী চিঠি লিখে পরিবারের কাছে দোয়া ও প্রমিকার’কে চির বিদায় জানিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

সৈয়দপুরে ছেলেধরা সন্দেহে বাক প্রতিবন্ধিকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ॥ সৈয়দপুরে ছেলেধরা সন্দেহে অজ্ঞাত বাক প্রতিবন্ধি মানসিক রোগীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের মালিপাড়া এলাকায় ওই প্রতিবন্ধিকে আটক করা হয়। পরে খাতামধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জুয়েল চৌধুরী থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। মালিপাড়ার বাসিন্দা নির্মাণ শ্রমিক লিটন চন্দ্র রায়ের (৩০) স্ত্রী অনিতা রাণী জানান, সকাল ৯টার দিকে তার সাত মাস বয়সী শিশুকন্যা ললিতা রাণীকে বাড়ির শোয়ার ঘরে বিছানায় শুইয়ে রেখে গোসলখানায় কাপড় ধোয়ার জন্য আসেন। এর কিছুক্ষণ পর ঘরে গিয়ে দেখেন অজ্ঞাত ওই ব্যক্তি তার শিশু কন্যাকে একটি ব্যাগে ভরছে। এ সময় সে চিৎকার দিলে তার শিশু কন্যাকে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ওই ব্যক্তি। পরে এলাকার লোকজন তাকে আটক করে পাশের ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে যায়। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জুয়েল চৌধুরী জানান, ছেলে ধরা সন্দেহে একজনকে এলাকাবাসী আটক করেছে এমন সংবাদ পেয়ে তিনি পরিষদে ছুটে আসেন। পরে থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই মানসিক প্রতিবন্ধিকে থানায় নিয়ে যান। এলাকাবাসী জানান, অজ্ঞাত ওই ব্যক্তি শিশু ললিতাকে ব্যাগে ভরছিল গৃহবধূ অনিতা রাণীর এমন চিৎকারে তার বাসায় গেলে ঘটনাটি সবাই দেখতে পায়। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজাহান পাশা বলেন, আটক ওই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসা করা হলেও বাক প্রতিবন্ধি থাকায় কোন কিছু জানা যায়নি। তিনি বলেন, তার আচার আচরণে বোঝা গেছে সে মানসিক রোগী। ফলে ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না দেয়ায় থানার জিডি মূলে ওই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিককে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ছেলে ধরার বিষয়টি নিছক একটি গুজব। তাই এসব গুজবে কান না দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। আর এমন কোন ঘটনা ঘটলে আইন হাতে না নিয়ে থানা পুলিশকে জানানোর জন্য বলেন তিনি। এদিকে ছেলেধরা গ্রুপ বের হয়েছে এমন গুজবে অভিভাবকদের মাঝে চরম আতংক সৃষ্টি হয়েছে। তারা তাদের সন্তানদের নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সবই গুজব। তাই আতংকিত না হতে সকলের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে।

Tag :

জনপ্রিয় সংবাদ

দুমকিতে আন্তঃ উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

সৈয়দপুরে ছেলেধরা সন্দেহে বাক প্রতিবন্ধিকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী

আপডেট টাইম ০৬:১৫:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ॥ সৈয়দপুরে ছেলেধরা সন্দেহে অজ্ঞাত বাক প্রতিবন্ধি মানসিক রোগীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের মালিপাড়া এলাকায় ওই প্রতিবন্ধিকে আটক করা হয়। পরে খাতামধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জুয়েল চৌধুরী থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। মালিপাড়ার বাসিন্দা নির্মাণ শ্রমিক লিটন চন্দ্র রায়ের (৩০) স্ত্রী অনিতা রাণী জানান, সকাল ৯টার দিকে তার সাত মাস বয়সী শিশুকন্যা ললিতা রাণীকে বাড়ির শোয়ার ঘরে বিছানায় শুইয়ে রেখে গোসলখানায় কাপড় ধোয়ার জন্য আসেন। এর কিছুক্ষণ পর ঘরে গিয়ে দেখেন অজ্ঞাত ওই ব্যক্তি তার শিশু কন্যাকে একটি ব্যাগে ভরছে। এ সময় সে চিৎকার দিলে তার শিশু কন্যাকে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ওই ব্যক্তি। পরে এলাকার লোকজন তাকে আটক করে পাশের ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে যায়। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জুয়েল চৌধুরী জানান, ছেলে ধরা সন্দেহে একজনকে এলাকাবাসী আটক করেছে এমন সংবাদ পেয়ে তিনি পরিষদে ছুটে আসেন। পরে থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই মানসিক প্রতিবন্ধিকে থানায় নিয়ে যান। এলাকাবাসী জানান, অজ্ঞাত ওই ব্যক্তি শিশু ললিতাকে ব্যাগে ভরছিল গৃহবধূ অনিতা রাণীর এমন চিৎকারে তার বাসায় গেলে ঘটনাটি সবাই দেখতে পায়। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজাহান পাশা বলেন, আটক ওই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসা করা হলেও বাক প্রতিবন্ধি থাকায় কোন কিছু জানা যায়নি। তিনি বলেন, তার আচার আচরণে বোঝা গেছে সে মানসিক রোগী। ফলে ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না দেয়ায় থানার জিডি মূলে ওই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিককে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ছেলে ধরার বিষয়টি নিছক একটি গুজব। তাই এসব গুজবে কান না দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। আর এমন কোন ঘটনা ঘটলে আইন হাতে না নিয়ে থানা পুলিশকে জানানোর জন্য বলেন তিনি। এদিকে ছেলেধরা গ্রুপ বের হয়েছে এমন গুজবে অভিভাবকদের মাঝে চরম আতংক সৃষ্টি হয়েছে। তারা তাদের সন্তানদের নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সবই গুজব। তাই আতংকিত না হতে সকলের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে।