ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বগুড়া শহরের নারুলীতে মুক্তিযোদ্ধা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের উদ্বোধন গজারিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর বক্তব্য প্রদানের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভা “খালিয়াজুরীতে নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের মামলা করে প্রতিপক্ষের সমর্থকদের হয়রানির অভিযোগ” জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সমাধিতে খুলনা অনলাইন প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা গজারিয়ায় বাউশিয়া ইউনিয়নে মাসিক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল বন বিভাগের বিকল্প জীবিকা উন্নয়ন সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ উদ্বোধন সিন্দুকছড়ি জোনের মাসিক মত বিনিময় সভা “বসুন্ধরা সিমেন্টের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত “ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সাইনবোর্ডে আগুন জ্বালিয়ে অটোরিকশা চালকদের বিক্ষোভ “দেশীয় সফটওয়্যারে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের প্রত্যয়ে শপথ নিল বেসিসের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ”

পরিকল্পিত পরিবার মানুষের মৌলিক অধিকার : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, পরিকল্পিত পরিবার আজ মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক দম্পতি ও নাগরিকের স্বাধীনভাবে সন্তান সংখ্যা ও সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে বিরতি নেয়ার অধিকার রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পরিবার পরিকল্পনা তথা পরিকল্পিত পরিবার বিশ্বব্যাপী আজ মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। প্রয়োজনীয় তথ্য, শিক্ষা ও সেবা গ্রহণের মাধ্যমে প্রত্যেক দম্পতি ও নাগরিকের স্বাধীনভাবে সন্তান সংখ্যা ও সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে বিরতি নেয়ার অধিকার রয়েছে। এ অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণের দোরগোড়ায় পরিবার পরিকল্পনা সেবা পৌঁছে দিতে হবে যা জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের পাশাপাশি দেশে মা ও শিশুমৃত্যু হার কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তাই এবারের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘পরিকল্পিত পরিবার, সুরক্ষিত মানবাধিকার’ যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি।’
তিনি ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে একথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি পালনে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘সকলের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সারাদেশে প্রায় ১৩ হাজার ৫শ’টি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছে যার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য, পরিবার কল্যাণ ও পুষ্টিসেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। সুস্থ-সবল জাতি গঠনে পরিবার পরিকল্পনা, মা, শিশুস্বাস্থ্য এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের এসব সেবা অবকাঠামোসমূহের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং মানসম্মত সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ এগিয়ে আসবেন- এ প্রত্যাশা করি।’

Tag :

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়া শহরের নারুলীতে মুক্তিযোদ্ধা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের উদ্বোধন

পরিকল্পিত পরিবার মানুষের মৌলিক অধিকার : রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম ০১:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুলাই ২০১৮

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, পরিকল্পিত পরিবার আজ মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক দম্পতি ও নাগরিকের স্বাধীনভাবে সন্তান সংখ্যা ও সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে বিরতি নেয়ার অধিকার রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পরিবার পরিকল্পনা তথা পরিকল্পিত পরিবার বিশ্বব্যাপী আজ মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। প্রয়োজনীয় তথ্য, শিক্ষা ও সেবা গ্রহণের মাধ্যমে প্রত্যেক দম্পতি ও নাগরিকের স্বাধীনভাবে সন্তান সংখ্যা ও সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে বিরতি নেয়ার অধিকার রয়েছে। এ অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণের দোরগোড়ায় পরিবার পরিকল্পনা সেবা পৌঁছে দিতে হবে যা জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের পাশাপাশি দেশে মা ও শিশুমৃত্যু হার কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তাই এবারের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘পরিকল্পিত পরিবার, সুরক্ষিত মানবাধিকার’ যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি।’
তিনি ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে একথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি পালনে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘সকলের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সারাদেশে প্রায় ১৩ হাজার ৫শ’টি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছে যার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য, পরিবার কল্যাণ ও পুষ্টিসেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। সুস্থ-সবল জাতি গঠনে পরিবার পরিকল্পনা, মা, শিশুস্বাস্থ্য এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের এসব সেবা অবকাঠামোসমূহের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং মানসম্মত সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ এগিয়ে আসবেন- এ প্রত্যাশা করি।’