
ইরানের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রাজধানী তেহরান থেকে ১ হাজারের বেশি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বন্দরটি। সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, এ ঘটনায় অন্তত ৪০৬ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। তেহরান থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক তহিদ আসাদি জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ৪০৬ জনে দাঁড়িয়েছে।ইরানের জরুরি সেবার মুখপাত্র বাবাক ইয়াকতেপেরেস্টও আহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিন ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও ঠিক কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং কোনো নিহতের খবর নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ।
বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, এটি ইরানের সবচেয়ে আধুনিক সামুদ্রিক বন্দর। যা হোরমোজগানের প্রাদেশিক রাজধানী বন্দর আব্বাস থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্বে এবং হরমুজ প্রণালীর উত্তর দিকে অবস্থিত। যেখান দিয়ে পৃথিবীর মোট উৎপাদিত তেলের পাঁচ ভাগের এক ভাগ পরিবহণ হয়ে থাকে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলা হয়েছে, বন্দর আব্বাসের উপকণ্ঠে অবস্থিত শহীদ রাজি বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এটি ইরানের অন্যতম প্রধান কনটেইনার শিপমেন্ট সুবিধা, যেখানে প্রতিবছর প্রায় ৮ কোটি টন (৭২.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন) পণ্য সামগ্রী পরিচালিত হয়।
হোরমোজগান বন্দর ও সামুদ্রিক প্রশাসনের কর্মকর্তা ইসমাইল মালেকজাদেহ বলেছেন, শনিবার (২৬ এপ্রিল) শহীদ রাজি বন্দরের ডকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আমরা আগুন নেভানোর কাজ করছি।
হোরমোজগান প্রদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার পরিচালক মেহেরদাদ হাসানজাদেহ সরকারি টেলিভিশনকে জানিয়েছেন, আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে বিস্ফোরণে ঠিক কতজন হতাহত হয়েছেন সেটি এখনও নিশ্চিত নয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, বিস্ফোরণ এলাকা থেকে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলি বের হচ্ছে। অন্যান্য ভিডিওতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন এবং গাড়ি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ওই সময় অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন বা গাড়ি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, শহীদ রাজি বন্দর দিয়ে মূলত জাহাজে কনটেইনার ওঠানামা করা হয়। তবে সেখানে তেলের ট্যাংক এবং পেট্রলজাত রাসায়নিক পদার্থের অবকাঠামোও আছে।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। তেহরান থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক তহিদ আসাদি জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ৪০৬ জনে দাঁড়িয়েছে।ইরানের জরুরি সেবার মুখপাত্র বাবাক ইয়াকতেপেরেস্টও আহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিন ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও ঠিক কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং কোনো নিহতের খবর নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ।
বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, এটি ইরানের সবচেয়ে আধুনিক সামুদ্রিক বন্দর। যা হোরমোজগানের প্রাদেশিক রাজধানী বন্দর আব্বাস থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্বে এবং হরমুজ প্রণালীর উত্তর দিকে অবস্থিত। যেখান দিয়ে পৃথিবীর মোট উৎপাদিত তেলের পাঁচ ভাগের এক ভাগ পরিবহণ হয়ে থাকে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলা হয়েছে, বন্দর আব্বাসের উপকণ্ঠে অবস্থিত শহীদ রাজি বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এটি ইরানের অন্যতম প্রধান কনটেইনার শিপমেন্ট সুবিধা, যেখানে প্রতিবছর প্রায় ৮ কোটি টন (৭২.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন) পণ্য সামগ্রী পরিচালিত হয়।
হোরমোজগান বন্দর ও সামুদ্রিক প্রশাসনের কর্মকর্তা ইসমাইল মালেকজাদেহ বলেছেন, শনিবার (২৬ এপ্রিল) শহীদ রাজি বন্দরের ডকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আমরা আগুন নেভানোর কাজ করছি।
হোরমোজগান প্রদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার পরিচালক মেহেরদাদ হাসানজাদেহ সরকারি টেলিভিশনকে জানিয়েছেন, আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে বিস্ফোরণে ঠিক কতজন হতাহত হয়েছেন সেটি এখনও নিশ্চিত নয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, বিস্ফোরণ এলাকা থেকে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলি বের হচ্ছে। অন্যান্য ভিডিওতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন এবং গাড়ি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ওই সময় অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন বা গাড়ি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, শহীদ রাজি বন্দর দিয়ে মূলত জাহাজে কনটেইনার ওঠানামা করা হয়। তবে সেখানে তেলের ট্যাংক এবং পেট্রলজাত রাসায়নিক পদার্থের অবকাঠামোও আছে।