
রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের হাউলি জয়পুর গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই নারীর নাম সালমা বেগম (২৫)।
আজ মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সকালে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত সালমা ওই গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী আজাদ মল্লিকের স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের মা।
সালমার শাশুড়ি লতা বেগম জানান, ঈদের দিন রাতের খাবার খেয়ে দুই সন্তান সাদিক (৮) ও সিনহাকে (৫) সঙ্গে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন সালমা। সকাল ৬টার দিকে ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখে তিনি খুলে দেন। এরপর তিনি ঘরে ঢুকে সালমার মরদেহ খাটের ওপর দেখতে পেয়ে চিৎকার দেন। এসময় ওই ঘরে থাকা তার ৮ বছরের নাতনি সাদিক তাকে জানান তিনজন লোক তার মাকে মেরে ফেলেছে।
তিনি আরও জানান, ঈদের আগে তার ছেলে এক লক্ষ টাকার উপরে পাঠিয়েছে। তার পুত্রবধূ সালমাকে হত্যার পর সেই টাকাও নিয়ে গেছে হত্যাকারীরা।
সালমা বেগমের বাবা সালাম শেখ অভিযোগ করেন, ‘ওই পরিবারের লোকজনই আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও তাদের ফাঁসি চাই।’
বরাট ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ শাজাহান জানান, খবর পেয়ে ওই বাড়িতে এসে দেখেন সালমার মরদেহ ঘর থেকে নিচে নামাচ্ছে শ্বশুড়বাড়ির লোকজন। এরপর তিনি থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসেন।
রাজবাড়ী থানার ওসি মাহমুদুর রহমান জানান, মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত এটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না এটি হত্যা না আত্মহত্যা। তবে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সকালে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত সালমা ওই গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী আজাদ মল্লিকের স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের মা।
সালমার শাশুড়ি লতা বেগম জানান, ঈদের দিন রাতের খাবার খেয়ে দুই সন্তান সাদিক (৮) ও সিনহাকে (৫) সঙ্গে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন সালমা। সকাল ৬টার দিকে ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখে তিনি খুলে দেন। এরপর তিনি ঘরে ঢুকে সালমার মরদেহ খাটের ওপর দেখতে পেয়ে চিৎকার দেন। এসময় ওই ঘরে থাকা তার ৮ বছরের নাতনি সাদিক তাকে জানান তিনজন লোক তার মাকে মেরে ফেলেছে।
তিনি আরও জানান, ঈদের আগে তার ছেলে এক লক্ষ টাকার উপরে পাঠিয়েছে। তার পুত্রবধূ সালমাকে হত্যার পর সেই টাকাও নিয়ে গেছে হত্যাকারীরা।
সালমা বেগমের বাবা সালাম শেখ অভিযোগ করেন, ‘ওই পরিবারের লোকজনই আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও তাদের ফাঁসি চাই।’
বরাট ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ শাজাহান জানান, খবর পেয়ে ওই বাড়িতে এসে দেখেন সালমার মরদেহ ঘর থেকে নিচে নামাচ্ছে শ্বশুড়বাড়ির লোকজন। এরপর তিনি থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসেন।
রাজবাড়ী থানার ওসি মাহমুদুর রহমান জানান, মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত এটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না এটি হত্যা না আত্মহত্যা। তবে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে।