
হলফনামায় ব্যাংক ঋণের তথ্য গোপন করার অভিযোগে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি এবং তার স্বামী এস এম পারভেজ আলমের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সিআইবি রিপোর্ট তলব করেছেন হাইকোর্ট।
একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারীর দায়ের করা নির্বাচনী মামলার শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাতেমা নজিবের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে এদিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির জাতীয় স্থায়ী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ্ আলম অভি।
অ্যাডভোকেট শাহ্ আলম অভি আদেশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করে বলেন, চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি এবং তার স্বামী এস এম পারভেজ আলমের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সিআইবি রিপোর্ট ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিলের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হলফনামায় নিজ ও স্বামীর নামে থাকা ব্যাংক ঋণের তথ্য গোপন করায় খাদিজাতুল আনোয়ার সনির সংসদ সদস্য পদ বাতিল করে ওই আসনে পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে হাইকোর্টে নির্বাচনী মামলা দায়ের করেন সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ। মামলায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিধিমতে ১৪ জনকে বিবাদী করা হয়।
একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারীর দায়ের করা নির্বাচনী মামলার শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাতেমা নজিবের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে এদিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির জাতীয় স্থায়ী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ্ আলম অভি।
অ্যাডভোকেট শাহ্ আলম অভি আদেশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করে বলেন, চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি এবং তার স্বামী এস এম পারভেজ আলমের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সিআইবি রিপোর্ট ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিলের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হলফনামায় নিজ ও স্বামীর নামে থাকা ব্যাংক ঋণের তথ্য গোপন করায় খাদিজাতুল আনোয়ার সনির সংসদ সদস্য পদ বাতিল করে ওই আসনে পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে হাইকোর্টে নির্বাচনী মামলা দায়ের করেন সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ। মামলায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিধিমতে ১৪ জনকে বিবাদী করা হয়।