ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৪ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাকেরগঞ্জের পাদ্রীশিবপুরে বড় পুইয়াউটা গ্রামে বাইতুন নাজাত জামে মসজিদের শুভ উদ্ভোধন। দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের বিরুদ্ধে সকলকে সজাগ থাকতে হবে-লায়ন গনি মিয়া বাবুল সোনারগাঁয়ে শম্ভুপুরা ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড আ’লীগের কার্যালয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭ তম জন্মদিন উপলক্ষে এম ইসফাক আহসানের এর উদ্যোগে রেলি ও আলোচনা সভা আইন পেশায় সর্বোচ্চ খেতাব ” আপিল বিভাগের আইনজীবী ” হিসেবে ভূষিত হলেন এডভোকেট রেজাউল করিম। সোনারগাঁয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর শুভ জন্মদিন উপলক্ষ্যে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে রবিন ও সাজুর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বাগেরহাটে ফকিরহাটে সড়ক যেন মরণ ফাঁদ, মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন আমান উল্লাহ পাড়া জামে মসজিদে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষ্যে মিলাদ মাহাফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত।

অর্ধ বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষিকা

রকিবুজ্জামান,মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুরের ডাসারে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা প্রায় অর্ধ বছর ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, তিনি স্বপরিবারে ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন। ছুটি না নিয়ে তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এতে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সহ স্থানীয় সচেতন মহল।
জানা যায়, মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার ১৪৫ নং পশ্চিম শশিকর ওয়াপদারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তমা রায় গত ২৩ মার্চ থেকে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক সংকট সৃষ্টি হয়েছে যার কারণে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। স্কুলটিতে মোট পাঁচটি  শিক্ষকের পদ রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষিকা তমা রায় অনুপস্থিত এবং একজন সহকারী শিক্ষক চিকিৎসাজনিত ছুটিতে আছেন। ফলে শতাধিক শিক্ষার্থীর প্রাথমিক বিদ্যালয়টি চলছে মাত্র তিনজন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে।
এদিকে, প্রধান শিক্ষক তমা রায়ের সন্ধানে তাঁর গ্রামের বাড়িতে গেলে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যকে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরা জানায়, তমা রায় স্বপরিবারে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে গিয়েছেন।কিন্তু তিনি চাকরি ছেড়ে যাননি।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় সরকার বলেন, ‘গত ২৩ মার্চ চিকিৎসার কথা বলে চলে যাওয়ার পর থেকে আমাদের প্রধান শিক্ষক আর স্কুলে আসেননি। তিনি কোনো ছুটির দরখাস্তও করেননি। আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু কোনো খোঁজ পাইনি। তাকে অনেকবার ফোনও করা হয়েছে কিন্তু তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তিনিও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন না। এরই মধ্যে আমরা শিক্ষা অফিসকে বিষয়টি জানিয়েছি। আমাদের প্রধান শিক্ষকের নিরুদ্দেশ হওয়াটা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংকট রয়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান যথাযথভাবে করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে আমরা দ্রুত কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকবার বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছি কিন্তু প্রধান শিক্ষিকা না পেয়ে তাকে এ পর্যন্ত তিনটি শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছি। এখন আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমীন ইয়াছমীন বলেন, প্রধান শিক্ষিকার অনুপস্থিতির বিষয়টি জেনেছি। দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাকেরগঞ্জের পাদ্রীশিবপুরে বড় পুইয়াউটা গ্রামে বাইতুন নাজাত জামে মসজিদের শুভ উদ্ভোধন।

অর্ধ বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষিকা

আপডেট টাইম ০৯:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
রকিবুজ্জামান,মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুরের ডাসারে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা প্রায় অর্ধ বছর ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, তিনি স্বপরিবারে ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন। ছুটি না নিয়ে তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এতে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সহ স্থানীয় সচেতন মহল।
জানা যায়, মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার ১৪৫ নং পশ্চিম শশিকর ওয়াপদারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তমা রায় গত ২৩ মার্চ থেকে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক সংকট সৃষ্টি হয়েছে যার কারণে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। স্কুলটিতে মোট পাঁচটি  শিক্ষকের পদ রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষিকা তমা রায় অনুপস্থিত এবং একজন সহকারী শিক্ষক চিকিৎসাজনিত ছুটিতে আছেন। ফলে শতাধিক শিক্ষার্থীর প্রাথমিক বিদ্যালয়টি চলছে মাত্র তিনজন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে।
এদিকে, প্রধান শিক্ষক তমা রায়ের সন্ধানে তাঁর গ্রামের বাড়িতে গেলে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যকে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরা জানায়, তমা রায় স্বপরিবারে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে গিয়েছেন।কিন্তু তিনি চাকরি ছেড়ে যাননি।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় সরকার বলেন, ‘গত ২৩ মার্চ চিকিৎসার কথা বলে চলে যাওয়ার পর থেকে আমাদের প্রধান শিক্ষক আর স্কুলে আসেননি। তিনি কোনো ছুটির দরখাস্তও করেননি। আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু কোনো খোঁজ পাইনি। তাকে অনেকবার ফোনও করা হয়েছে কিন্তু তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তিনিও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন না। এরই মধ্যে আমরা শিক্ষা অফিসকে বিষয়টি জানিয়েছি। আমাদের প্রধান শিক্ষকের নিরুদ্দেশ হওয়াটা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংকট রয়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান যথাযথভাবে করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে আমরা দ্রুত কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকবার বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছি কিন্তু প্রধান শিক্ষিকা না পেয়ে তাকে এ পর্যন্ত তিনটি শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছি। এখন আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমীন ইয়াছমীন বলেন, প্রধান শিক্ষিকার অনুপস্থিতির বিষয়টি জেনেছি। দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।