ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ২ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটুয়াখালীতে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত। সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে দুমকিতে আওয়ামীলীগের উদ্যোগে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল বদরপুর আদমিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় আগুন দিয়ে অধ্যক্ষকে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন করা হয় কুমিল্লার মুরাদনগরে কূষিজমিন থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ টি ড্রেজার মেশিন জব্দ। বাকেরগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকের অপচিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন গৃহবধূ,থানায় অভিযোগ টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের প্রশাসনিক সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা‌ গুইমারা উপজেলায় বার্ষিক কার্যক্রম পর্যালোচনা ও ফিডব্যাগ গ্রহণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমাহামার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ।

২০৩০ সালে বাংলাদেশে কেউ বেকার থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

মাতৃভূমির খবর ডেস্কঃ  আগামী পাঁচ বছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তার দাবি, ২০৩০ সালে টেলিস্কোপ দিয়ে দেশে দরিদ্রতা খুঁজে পাওয়া যাবে না। আজ রোববার নগরীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন হার্নেসিং ব্লকচেন টেকনোলজি ফর ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। দু’দিনব্যাপী কনফারেন্সের আয়োজন করে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

আরো পড়ুন : চলমান অভিযান সব আইন অমান্যকারীর বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের উন্নয়ন তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালে প্রত্যেক পরিবারে একটা করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। আমি বলতে চাই ২০৩০ সালে টেলিস্কোপ দিয়ে দরিদ্রতা খুঁজে পাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে সেসময় ‘ঘর নেই’ এমন লোক থাকবে না। সবাই থাকবে ক্ষুধামুক্ত।

মুস্তফা কামাল  বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেশের উন্নয়নে কাজ করছি। উনাকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী টাকা-পয়সা কামানো পছন্দ করেন না। অর্থ ও বৈভবের প্রতি উনার কোনো মোহ নাই। প্রধানমন্ত্রীর একটাই মোহ দেশের সব পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কাজ করা।

তিনি বলেন, ২০৪১ সালে ২০টা প্রথম শ্রেণির দেশের কাতারে থাকবে বাংলাদেশ। ২০৩০ সালে চায়না নম্বর ওয়ান দেশ হবে, অন্যদিকে ভারত হবে তৃতীয় অর্থনীতির দেশ। আমাদের অবস্থান মধ্যখানে। চায়না ও ভারতকে আমাদের সঙ্গে নিয়ে সামনে যেতে হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ, ইআরডির ভারপ্রাপ্ত সচিব ফরিদা নাসরিন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পটুয়াখালীতে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

২০৩০ সালে বাংলাদেশে কেউ বেকার থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

আপডেট টাইম ১২:৫৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মাতৃভূমির খবর ডেস্কঃ  আগামী পাঁচ বছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তার দাবি, ২০৩০ সালে টেলিস্কোপ দিয়ে দেশে দরিদ্রতা খুঁজে পাওয়া যাবে না। আজ রোববার নগরীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন হার্নেসিং ব্লকচেন টেকনোলজি ফর ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। দু’দিনব্যাপী কনফারেন্সের আয়োজন করে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

আরো পড়ুন : চলমান অভিযান সব আইন অমান্যকারীর বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের উন্নয়ন তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালে প্রত্যেক পরিবারে একটা করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। আমি বলতে চাই ২০৩০ সালে টেলিস্কোপ দিয়ে দরিদ্রতা খুঁজে পাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে সেসময় ‘ঘর নেই’ এমন লোক থাকবে না। সবাই থাকবে ক্ষুধামুক্ত।

মুস্তফা কামাল  বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেশের উন্নয়নে কাজ করছি। উনাকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী টাকা-পয়সা কামানো পছন্দ করেন না। অর্থ ও বৈভবের প্রতি উনার কোনো মোহ নাই। প্রধানমন্ত্রীর একটাই মোহ দেশের সব পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কাজ করা।

তিনি বলেন, ২০৪১ সালে ২০টা প্রথম শ্রেণির দেশের কাতারে থাকবে বাংলাদেশ। ২০৩০ সালে চায়না নম্বর ওয়ান দেশ হবে, অন্যদিকে ভারত হবে তৃতীয় অর্থনীতির দেশ। আমাদের অবস্থান মধ্যখানে। চায়না ও ভারতকে আমাদের সঙ্গে নিয়ে সামনে যেতে হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ, ইআরডির ভারপ্রাপ্ত সচিব ফরিদা নাসরিন।