শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন

হাজিগঞ্জ উপজেলায় মিনি কাটিং ড্রেজারের জমজমাট বালুর ব্যবসা ওয়ার্ড মেম্বারের।

স্টাফ রিপোর্টার মোঃতপছিল হাছানঃ চাঁদপুর হাজিগঞ্জ উপজেলায় ১২ নং দ্বাদশ ইউনিয়নে ফসলি জমি থেকে  অবৈধভাবে মিনি কাটিং ড্রেজার দিয়ে বালু ও মাটি উত্তোলন করে ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ইউসুফ পাটোয়ারী মালাপাড়া গ্রামের মধ্যে জমজমাট বানিজ্য করে আসছে জনপ্রতিনিধি । এতে আশপাশের ফসলি জমি ও সড়ক ধসে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া কাছাকাছি থাকা বেশ কিছু কয়েকটি বসতঘরও হুমকির মধ্যে রয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন ফসলি জমি থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের মহোৎসব চলছে, এ যেনো দেখার কেউ নেই। প্রতিদিন প্রায় ৪৫ টি অবৈধ মিনি কাটিং ড্রেজার ১২ নং দ্বাদশ ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকায় আবাদি জমি গর্ত করে বালি উত্তোলন করে আসছে একটি প্রভাবশালী মহল এবং এতে জড়িত ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা । এতে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ওই প্রভাবশালী দুষ্কৃত মহলটি।
এদের বার বার মাটি উত্তোলন না করার জন্য প্রশাসন থেকে নিষেধ করা হলেও কর্ণপাত করছেন না। বরং আবাদি জমিতে মাটি উত্তোলন করে বিশাল সুড়ঙ্গ করে ফেলেছেন কিন্তু কৃষি ফলনের পিছিয়ে পড়ছে প্রকৃতিক কৃষকদের ধারণা করেন । এ ধরনের মহালদের কারণে আশেপাশে কৃষি জমিন হুমকির মুখে পড়েছে। এই মুহুর্তে এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলেন ১২নং দ্বাদশ ইউনিয়নের মধ্যে এক সময় আবাদি জমি আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে ফসল উৎপাদন। সেই সঙ্গে ওই এলাকায় দেখা দেবে চরম খাদ্য সঙ্কট। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি, এমনকি খোদ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতেও আলোচনা হয়েছে। তারপরও ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না ।
সরোজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাজিগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ১০০ এক শতাধিক ড্রেজার মেশিন রয়েছে। আর এসব ড্রেজার দিয়ে প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় কৃষি আবাদি জমি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালি উত্তোলন করে কৃষি জমি ধ্বংস করে দিচ্ছে। বিশেষ করে গত বর্ষা মৌসুম থেকে একটি প্রভাবশালী মহল উপজেলার মধ্যে থাকাতে কাজ করিতে সক্ষম হয়। এদিকে ১ নং ওয়ার্ডের ইউসুফ পাটোয়ারী দল বহর হাতে রেখে  ৮৮ শতাংশ জায়গা থেকে মাটি উত্তোলন করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, কিন্তু তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন এগুলো আপনাদের দেখার বিষয় নয় দেখার জন্য লোক আছে বলে জানায়। এই বিষয়ে ১২ নং দ্বাদশ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনা :খোরশেদ আলম কে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তিনি বলেন সবাইকে বলে দেওয়া হয়েছে কিন্তু তারা আমার কোন কথা শোনে না যার যার মতন তারা নিজেদের নিজ কাজ করতেছে কিন্তু আমি চাই তাদের ফসলি কৃষি জমিনের দস্যুদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুদৃষ্টি কামনা করেন।
হাজিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া সাথে মোবাইল মোটো ফোনে কথা বলিলে  শুভ সরকারি তালিকাভুক্ত দৈনিক মাতৃভূমির খবর পত্রিকা কে বলেন,কোথাও ড্রেজারে বালু উত্তোলনের অনুমতি নেই। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ড্রেজার উচ্ছেদ ও জরিমানা আদায় করছি। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানাই।
নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar