ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঝড়ে লন্ডভন্ড নড়াইলের একটি মাদ্রাসা কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উদযাপন কুসিক নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন যারা সিলেটের বন‍্যার্তদের পাশে বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানা আকস্মিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার গজারিয়ায় মাদক, সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ,প্রতিরোধে বিট পুলিশের সভা অনুষ্ঠিত। নওগাঁর নিয়ামতপুরে শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লায় ট্রেনের চাকা লাইনচ্যুত হয়ে তিন রুটে চলাচল বন্ধ। সরে দাঁড়ালো বিদ্রোহী,সাতকানিয়ার এওচিয়ায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবু ছালেহ

স্যান্ডউইচ নাকি প্যাটিস

স্যান্ডউইচ আর প্যাটিস—সব বয়সী মানুষই কমবেশি এগুলো পছন্দ করে। স্যান্ডউইচ ও প্যাটিসের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানালেন ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের প্রধান তামান্না চৌধুরী।

স্যান্ডউইচ

■ স্যান্ডউইচ অনেকগুলো উপকরণ দিয়ে তৈরি করা যায়। প্রতিটি উপকরণেই আলাদা আলাদা পুষ্টিগুণ রয়েছে।

■ সবজির স্যান্ডউইচ সবচেয়ে বেশি পুষ্টিসম্পন্ন।

■ বাইরের স্যান্ডউইচ খাওয়ার চেয়ে নিজে তৈরি করে খাওয়াই ভালো।

■ এক বেলার খাবার হিসেবে খেলে স্যান্ডউইচ খেতে পারেন।

■ স্যান্ডউইচে তুলনামূলক কম চর্বি থাকে। তাই এটি স্বাস্থ্যকর।

■ বাসায় বানানো স্যান্ডউইচ প্রতিদিন খেতে পারেন। আর বাজারে তৈরি হলে সপ্তাহে এক-দুইবারের বেশি খাওয়া উচিত না।

■ স্যান্ডউইচ বেশি সবজি দিয়ে তৈরি করাটা খেলে পুষ্টিচাহিদা বেশি পূরণ হবে।

■ মেয়োনিজ দিয়ে স্যান্ডউইচ না খাওয়াই ভালো। এতে শরীরের ক্ষতি হয়।

প্যাটিস

■ প্যাটিস তৈরিতে বেশি তেল ব্যবহার করা হয়। তাই এটি তুলনামূলক শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

■ এতে শর্করা থাকে। তাই এটা শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

■ ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ বেশি।

■ প্যাটিস বাসায় বানানো খুবই কষ্টকর। তারপরও বাজারের চেয়ে বাসায় বানিয়ে খাওয়া প্যাটিস পুষ্টিকর।

■ বেলা হিসেবে না খেয়ে নাশতার সময় প্যাটিস খাওয়াই ভালো।

■ বাসায় বানানো সম্ভব হলে সপ্তাহে একটি বা দুটি প্যাটিস খেতে পারেন। আর বাজারে তৈরি হলে মাসে এক বা দুইবারের বেশি খাওয়া উচিত না।

■ প্যাটিসের সঙ্গে ড্রেসিংস বা সস ব্যবহার করবেন না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝড়ে লন্ডভন্ড নড়াইলের একটি মাদ্রাসা

স্যান্ডউইচ নাকি প্যাটিস

আপডেট টাইম ০৫:৫০:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ অক্টোবর ২০১৮

স্যান্ডউইচ আর প্যাটিস—সব বয়সী মানুষই কমবেশি এগুলো পছন্দ করে। স্যান্ডউইচ ও প্যাটিসের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানালেন ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের প্রধান তামান্না চৌধুরী।

স্যান্ডউইচ

■ স্যান্ডউইচ অনেকগুলো উপকরণ দিয়ে তৈরি করা যায়। প্রতিটি উপকরণেই আলাদা আলাদা পুষ্টিগুণ রয়েছে।

■ সবজির স্যান্ডউইচ সবচেয়ে বেশি পুষ্টিসম্পন্ন।

■ বাইরের স্যান্ডউইচ খাওয়ার চেয়ে নিজে তৈরি করে খাওয়াই ভালো।

■ এক বেলার খাবার হিসেবে খেলে স্যান্ডউইচ খেতে পারেন।

■ স্যান্ডউইচে তুলনামূলক কম চর্বি থাকে। তাই এটি স্বাস্থ্যকর।

■ বাসায় বানানো স্যান্ডউইচ প্রতিদিন খেতে পারেন। আর বাজারে তৈরি হলে সপ্তাহে এক-দুইবারের বেশি খাওয়া উচিত না।

■ স্যান্ডউইচ বেশি সবজি দিয়ে তৈরি করাটা খেলে পুষ্টিচাহিদা বেশি পূরণ হবে।

■ মেয়োনিজ দিয়ে স্যান্ডউইচ না খাওয়াই ভালো। এতে শরীরের ক্ষতি হয়।

প্যাটিস

■ প্যাটিস তৈরিতে বেশি তেল ব্যবহার করা হয়। তাই এটি তুলনামূলক শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

■ এতে শর্করা থাকে। তাই এটা শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

■ ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ বেশি।

■ প্যাটিস বাসায় বানানো খুবই কষ্টকর। তারপরও বাজারের চেয়ে বাসায় বানিয়ে খাওয়া প্যাটিস পুষ্টিকর।

■ বেলা হিসেবে না খেয়ে নাশতার সময় প্যাটিস খাওয়াই ভালো।

■ বাসায় বানানো সম্ভব হলে সপ্তাহে একটি বা দুটি প্যাটিস খেতে পারেন। আর বাজারে তৈরি হলে মাসে এক বা দুইবারের বেশি খাওয়া উচিত না।

■ প্যাটিসের সঙ্গে ড্রেসিংস বা সস ব্যবহার করবেন না।