ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইউএসটিসি ছাত্রদলের ৫ সদস্যের আহবায়ক কমিটির ৩ সদস্যের পদত্যাগ। পবিপ্রবিতে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদিত তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস মাছের নিলাম অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন লক্ষ্মীপুরে পুলিশের নায়েক থেকে সহকারী উপ পরিদর্শক হলেন ৬ জন পানি, খাবার এবং ঔষধ বিতরণ করেন KSA গোল্ডেন বয় সোসাইটি বোয়ালমারীতে গরুবাহী ট্রাকের চাপায় মা-মেয়ে নিহত কাঞ্চনায় স্কুল পরিচালনা নিয়ে মন্তব্য করায় হেনস্তার অভিযোগ মাত্র ৩০ সেকেন্ড টর্নেডোতে লন্ডভন্ড পটুয়াখালীর চরপাড়া। একটি মানবিক সাহায্যের জন্য আবেদন বাঁচতে চাই ক্যান্সারে আক্রান্ত মোহাম্মদ আরমান গজারিয়ায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভবেরচর কলেজ রোডে সড়ক দূর্ঘটনা আহত ৫

সাদেক হোসেন খোকার ১০ বছরের কারাদণ্ড

ফাইল ছবি

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক :   দুর্নীতির একটি মামলায় ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকাসহ চারজনের ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলায় সাদেক হোসেন খোকার ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অপর তিন আসামির ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অপর তিন আসামি হলেন- বনানীর ঢাকা সিটি করপোরেশনের ইউনিক কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল বাতেন নকি, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান আজাদ ও গুডলার্ক কার পার্কিং এর ম্যানেজার এইচ এম তারেক। আসামিদের মধ্যে খোকা লন্ডনে পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে থেকে জানা যায়, মামলার আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডিসিসির বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং কমপ্লেক্সের বেজমেন্টের কার পার্কিং ইজারার জন্য ২০০৩ সালের দরপত্র আহ্বান করেন। অংশগ্রহণ করা ৪টি দরপত্রের মধ্যে মিজানুর রহমান নামে জনৈক ব্যক্তি বার্ষিক এক লাখ ১০ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ দরদাতা নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে সাদেক হোসেন খোকা অপরাপর আসামিদের সঙ্গে পরস্পর যোগসাজশে ইজারার কার্যক্রম স্থগিত করেন। এর মাধ্যমে ফেব্রুয়ারি ২০০৩ সাল হতে ফেব্রুয়ারি ২০১১ সাল পর্যন্ত ৩০ লাখ ৮২ হাজার ৩৯৯ টাকা ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ক্ষতি করেছেন।

এ ঘটনায় ২০১২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শাহবাগ থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলাটিতে ২০১২ সালের ৮ নভেম্বর বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাসহ চার জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল হয়।

প্রসঙ্গত, জ্ঞাতআয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলায় ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আদালত খোকাকে ১৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১১ লাখ টাকা জরিমানা করে। ওই মামলায খোকার ১০ কোটি ৫ লাখ ২১ হাজার ৮৩২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, কিডনি, উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত খোকা ২০১৪ সালে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর আর দেশে ফিরে আসেননি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউএসটিসি ছাত্রদলের ৫ সদস্যের আহবায়ক কমিটির ৩ সদস্যের পদত্যাগ।

সাদেক হোসেন খোকার ১০ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট টাইম ১০:২৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৮

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক :   দুর্নীতির একটি মামলায় ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকাসহ চারজনের ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলায় সাদেক হোসেন খোকার ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অপর তিন আসামির ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অপর তিন আসামি হলেন- বনানীর ঢাকা সিটি করপোরেশনের ইউনিক কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল বাতেন নকি, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান আজাদ ও গুডলার্ক কার পার্কিং এর ম্যানেজার এইচ এম তারেক। আসামিদের মধ্যে খোকা লন্ডনে পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে থেকে জানা যায়, মামলার আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডিসিসির বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং কমপ্লেক্সের বেজমেন্টের কার পার্কিং ইজারার জন্য ২০০৩ সালের দরপত্র আহ্বান করেন। অংশগ্রহণ করা ৪টি দরপত্রের মধ্যে মিজানুর রহমান নামে জনৈক ব্যক্তি বার্ষিক এক লাখ ১০ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ দরদাতা নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে সাদেক হোসেন খোকা অপরাপর আসামিদের সঙ্গে পরস্পর যোগসাজশে ইজারার কার্যক্রম স্থগিত করেন। এর মাধ্যমে ফেব্রুয়ারি ২০০৩ সাল হতে ফেব্রুয়ারি ২০১১ সাল পর্যন্ত ৩০ লাখ ৮২ হাজার ৩৯৯ টাকা ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ক্ষতি করেছেন।

এ ঘটনায় ২০১২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শাহবাগ থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলাটিতে ২০১২ সালের ৮ নভেম্বর বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাসহ চার জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল হয়।

প্রসঙ্গত, জ্ঞাতআয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলায় ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আদালত খোকাকে ১৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১১ লাখ টাকা জরিমানা করে। ওই মামলায খোকার ১০ কোটি ৫ লাখ ২১ হাজার ৮৩২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, কিডনি, উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত খোকা ২০১৪ সালে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর আর দেশে ফিরে আসেননি।