ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রেকর্ড দরপতন মুদ্রার , ১ মার্কিন ডলার কিনতে হচ্ছে ২৫৫ পাকিস্তানি রুপিতে মাতৃত্বকালীন কার্ড প্রদানে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ,ইউপি সচিবসহ আটক দুই মতলব উত্তরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জাতীয় ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট কমিটির সভাপতির পদ থেকে থেকে পদত্যাগ করেছেন সাইফুল আলম রনি কুলাউড়ায় ফাহিম স্মৃতি দ্বৈত নক আউট ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২৩, শুভ উদ্বোধনী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পরিত্যাক্ত স্কুল ভবন থেকে ৬৮ রাউন্ড এলএমজি গুলি উদ্ধার। ফরিদগঞ্জে যাত্রা শুরু করেছে এক্স স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন অবিভাবক শূণ্যতায় অস্তিত্ব বিলিনের পথে ডাকাতিয়া রামপালে সুইডেনের দূতাবাসে পবিত্র কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত সারা দেশব্যাপী কেন্দ্রীয় ফারিয়ার ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন

সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল, চারজনের প্রতীক পরিবর্তনের নির্দেশ

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক :  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া চার প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

হাইকোর্টে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তাঁরা হলেন-জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন মো. মুসলিম উদ্দিন, ঝিনাইদহ-২ আসনে মো. আবদুল মজিদ, জয়পুরহাট-১ আসনে মো. ফজলুর রহমান ও রাজশাহী-৬ আসনে মো. আবু সাইদ চাঁদ এবং স্বতন্ত্র রংপুর-১ আসনে মো. আসাদুজ্জামান ও ময়মনসিংহ-৮ আসনে  মাহমুদ হোসেন।

এ ছাড়া চারটি আসনে প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক পরিবর্তন করে অন্য চারজনকে দেওয়া হয়েছে। এঁরা হলেন নওঁগা-১ আসনে খালেক চৌধুরীর পরিবর্তে মোস্তাফিজুর রহমান, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মুহিত তালুকদারের পরিবর্তে মাসুদা মোমিন, মানিকগঞ্জ-১ আসনে এস এম জিন্নাহ কবিরের পরিবর্তে বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে খন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলুকে এবং নাটোর-১ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম বিমলের পরিবর্তে কামরুন্নাহার শিরীনকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে বিএনপির সাত প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছিলেন। পরে কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পৃথক আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের শুনানি শেষে তাদের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ দেন হাইকোর্ট।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রেকর্ড দরপতন মুদ্রার , ১ মার্কিন ডলার কিনতে হচ্ছে ২৫৫ পাকিস্তানি রুপিতে

সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল, চারজনের প্রতীক পরিবর্তনের নির্দেশ

আপডেট টাইম ০১:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৮

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক :  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া চার প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

হাইকোর্টে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তাঁরা হলেন-জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন মো. মুসলিম উদ্দিন, ঝিনাইদহ-২ আসনে মো. আবদুল মজিদ, জয়পুরহাট-১ আসনে মো. ফজলুর রহমান ও রাজশাহী-৬ আসনে মো. আবু সাইদ চাঁদ এবং স্বতন্ত্র রংপুর-১ আসনে মো. আসাদুজ্জামান ও ময়মনসিংহ-৮ আসনে  মাহমুদ হোসেন।

এ ছাড়া চারটি আসনে প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক পরিবর্তন করে অন্য চারজনকে দেওয়া হয়েছে। এঁরা হলেন নওঁগা-১ আসনে খালেক চৌধুরীর পরিবর্তে মোস্তাফিজুর রহমান, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মুহিত তালুকদারের পরিবর্তে মাসুদা মোমিন, মানিকগঞ্জ-১ আসনে এস এম জিন্নাহ কবিরের পরিবর্তে বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে খন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলুকে এবং নাটোর-১ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম বিমলের পরিবর্তে কামরুন্নাহার শিরীনকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে বিএনপির সাত প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছিলেন। পরে কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পৃথক আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের শুনানি শেষে তাদের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ দেন হাইকোর্ট।