ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে শরনখোলা উপজেলার রায়েন্দা বাজার প্লাবিত। ভাঙ্গা – যশোর – বেনাপোল মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরন হলে দুরত্ব কমবেশি ৮৬ কি: মি: গজারিয়ায় ভবেরচর ইউনিয়নে জাতীয় শোক দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত। মাদারীপুরের কালকিনিতে এক শিশুকে ধর্ষনের চেষ্টা,থানায় মামলা দায়ের টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত রাঙ্গাবালীর জল কপাটের বেহাল দশা, দুশ্চিন্তায় কৃষকরা গজারিয়ার বালুয়াকান্দীতে অনুদানের চেক হস্তান্তর মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের যৌথ বর্ধিত সভা ট্রাক উল্টে খাদে পড়ে গেল শরনখোলা উপজেলায় মতলব উত্তরে নতুন ভোটার ফরমে ইউপি সদস্যের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ

সকাল থেকে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে সার্ভার ত্রুটিতে এপথে যাতায়াতকারী সহস্রধিক যাত্রী আটকা পড়েছে

শার্শা(যশোর)প্রতিনিধিঃ বেনাপোল চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনে সার্ভার ত্রুটিতে পাসপোর্টের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় দেশ-বিদেশি প্রায় সহস্রাধিক পাসপোর্ট যাত্রী আটকা পড়ে আছে। এতে এক প্রকার ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। সোমবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সার্ভার অচল রয়েছে বলে জানান যাত্রীরা। জানা যায়, ব্যবসা, চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় কাজে প্রতিদিন এপথে সাড়ে ৫ থেকে ৭ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু মাঝে মধ্যেই কমপিউটারে অনলাইন প্রক্রিয়ায় পাসপোর্টের কাজ করতে যেয়ে সার্ভার সমস্যায় আটকা পড়েন যাত্রীরা। ভারতগামী পাসপোর্টে যাত্রী আনুস সিং সোমবার সকাল ৮ টায় ইমিগ্রেশন ভবনে জানান, তিনি ভোর ৬ টা থেকে ইমিগ্রেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কমপিউটারে অনলাইনে সমস্যার কারনে জানতে পেরেছেন পাসপোর্টে কাজ হচ্ছে না। এ ধরনের সমস্যায় এখানে বিকল্প ব্যবস্থা থাকা দরকার বলেও মনে করেন তিনি। যাত্রী আজিম বলেন, সার্ভার সমস্যায় প্রায় দেড় ঘন্টা তিনি পরিবার নিয়ে ইমিগ্রেশনে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু এখানে যাত্রীদের বসার কোন ব্যবস্থা না থাকায় এ দূর্ভোগ আরো বেড়েছে। বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার সকাল ৮ টার সময় জানান, তাদের ইজ্ঞিনিয়াররা সার্ভার সচলের চেষ্টা করছেন। সচল হলেই পাসপোর্টেও কাজ শুরু হবে। আটকে পড়া পাসপোর্ট যাত্রীরা ইমিগ্রেশন অপেক্ষা করছেন। যানা যায়, প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৬ টা থেকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত শুরু হয়। আগে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ হতো হাতে কলমে। এখন সে কাজ করতে হয় সম্পূর্ণ অনলাইন প্রক্রিয়ায়। আর যাত্রীদের সকল তথ্য সেখানে সংরক্ষন থাকে। তাই সার্ভার সচল না হলে কাজ করা সম্ভব হয়না। এদিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে পাসপোর্ট যাত্রীদের বিশ্রামের কোন ব্যবস্থা নেই। বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনের পাশেই একটি আন্তর্জার্তিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল থাকলেও সেখানে শতাধিক যাত্রী বিশ্রামেরও জায়গা নেই। ফলে এ ধরনের সমস্যায় পড়লে যাত্রীদের দূর্ভোগের সীমা থাকে না।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে শরনখোলা উপজেলার রায়েন্দা বাজার প্লাবিত।

সকাল থেকে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে সার্ভার ত্রুটিতে এপথে যাতায়াতকারী সহস্রধিক যাত্রী আটকা পড়েছে

আপডেট টাইম ০৬:২১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯

শার্শা(যশোর)প্রতিনিধিঃ বেনাপোল চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনে সার্ভার ত্রুটিতে পাসপোর্টের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় দেশ-বিদেশি প্রায় সহস্রাধিক পাসপোর্ট যাত্রী আটকা পড়ে আছে। এতে এক প্রকার ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। সোমবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সার্ভার অচল রয়েছে বলে জানান যাত্রীরা। জানা যায়, ব্যবসা, চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় কাজে প্রতিদিন এপথে সাড়ে ৫ থেকে ৭ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু মাঝে মধ্যেই কমপিউটারে অনলাইন প্রক্রিয়ায় পাসপোর্টের কাজ করতে যেয়ে সার্ভার সমস্যায় আটকা পড়েন যাত্রীরা। ভারতগামী পাসপোর্টে যাত্রী আনুস সিং সোমবার সকাল ৮ টায় ইমিগ্রেশন ভবনে জানান, তিনি ভোর ৬ টা থেকে ইমিগ্রেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কমপিউটারে অনলাইনে সমস্যার কারনে জানতে পেরেছেন পাসপোর্টে কাজ হচ্ছে না। এ ধরনের সমস্যায় এখানে বিকল্প ব্যবস্থা থাকা দরকার বলেও মনে করেন তিনি। যাত্রী আজিম বলেন, সার্ভার সমস্যায় প্রায় দেড় ঘন্টা তিনি পরিবার নিয়ে ইমিগ্রেশনে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু এখানে যাত্রীদের বসার কোন ব্যবস্থা না থাকায় এ দূর্ভোগ আরো বেড়েছে। বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার সকাল ৮ টার সময় জানান, তাদের ইজ্ঞিনিয়াররা সার্ভার সচলের চেষ্টা করছেন। সচল হলেই পাসপোর্টেও কাজ শুরু হবে। আটকে পড়া পাসপোর্ট যাত্রীরা ইমিগ্রেশন অপেক্ষা করছেন। যানা যায়, প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৬ টা থেকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত শুরু হয়। আগে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ হতো হাতে কলমে। এখন সে কাজ করতে হয় সম্পূর্ণ অনলাইন প্রক্রিয়ায়। আর যাত্রীদের সকল তথ্য সেখানে সংরক্ষন থাকে। তাই সার্ভার সচল না হলে কাজ করা সম্ভব হয়না। এদিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে পাসপোর্ট যাত্রীদের বিশ্রামের কোন ব্যবস্থা নেই। বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনের পাশেই একটি আন্তর্জার্তিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল থাকলেও সেখানে শতাধিক যাত্রী বিশ্রামেরও জায়গা নেই। ফলে এ ধরনের সমস্যায় পড়লে যাত্রীদের দূর্ভোগের সীমা থাকে না।