ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ১ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লার মুরাদনগরে কূষিজমিন থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করে। চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের জাতীয় শোক দিবস পালন কুমিল্লার মুরাদনগরে কূষিজমিন থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করে। মুরাদনগরে ভ্রাম্যমান আদালতে পাঁচটি ড্রেজার মেশিন জব্দ। বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়ননের তহশিলদার অফিসের নথি গায়েব। কমলনগরে শোক দিবসে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও কাঙ্গালি ভোজ কুমিল্লার আমতলী থেকে ২৪ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটক। কুলাউড়ায় ৬০২ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২২ উপলক্ষে ব্যাপক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২২ উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচী পালন শরনখোলা উপজেলায়। মুরাদনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালন। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত।

কনকনে শীতে কাঁপছে দেশ

মাতৃভূমির খবর ডেস্কঃ হঠাৎ করেই রাজধানীসহ সারাদেশে শীতের প্রভাব বেড়ে গেছে। ঠাণ্ডা বাতাসের সাথে ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতে কাঁপছে দেশের মানুষ। ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। 

ঢাকায় রাতের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। হঠাৎ চলে আসা এই ঠাণ্ডা ‍অনুভূতিতে মানিয়ে নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নগরবাসীকে।

আরো পড়ুন: সংসদ ভবনে বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার বসানোর নির্দেশ

খবর আসছে, হঠাৎ করে ঠাণ্ডার এ আক্রমণে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছেন নানা রোগে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ার কারণে ঠাণ্ডার অনুভূতি বাড়ে। বর্তমানে রাজধানীতে রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় অর্ধেক কমে এসেছে। তারপরও রয়েছে ‘উত্তরা বাতাস’। ফলে মড়ার ওপর খাড়ার ঘা’র অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বলেন, আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর তাপমাত্রা কমবে। ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসবে ব্যারোমিটারের পারদ। দিনের তাপমাত্রা এখন ২০ ডিগ্রি সেলিসিয়াসে আছে। এটা আরো নিচে নেমে এলে রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য আরও কমে যাবে। ফলে ঠাণ্ডার অনুভূতি আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসছে বাতাস, যেটাকে আমরা ‘উত্তরা বাতাস’ বলে থাকি। ঢাকায় বর্তমানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার। এই বাতাস কনকনে হিম বয়ে এনে হাড় কাঁপুনির সৃষ্টি করেছে। এই বাতাস না থাকলে দিনের তাপমাত্রা এতো কমতো না। আর এতো ঠাণ্ডাও অনুভূত হতো না। ৯-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এতো ঠাণ্ডা অনুভূত হয়না, যদি রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য বেশি থাকে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজধানীতে সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে। এমন অবস্থা দু’দিন থাকার পর সূর্যকিরণ আবার আগের মতো পাওয়া যাবে। স্থান ভেদে ২১ ও ২২ ডিসেম্বরের দিকে ঠাণ্ডা অনুভূতি কমে আসবে। এরপর আসতে পারে নিম্নচাপ। এক্ষেত্রে ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ মাঝারী (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা) ধরণের শৈত্যপ্রবাহের মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে দেশবাসীকে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লার মুরাদনগরে কূষিজমিন থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করে।

কনকনে শীতে কাঁপছে দেশ

আপডেট টাইম ১১:৪৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯

মাতৃভূমির খবর ডেস্কঃ হঠাৎ করেই রাজধানীসহ সারাদেশে শীতের প্রভাব বেড়ে গেছে। ঠাণ্ডা বাতাসের সাথে ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতে কাঁপছে দেশের মানুষ। ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। 

ঢাকায় রাতের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। হঠাৎ চলে আসা এই ঠাণ্ডা ‍অনুভূতিতে মানিয়ে নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নগরবাসীকে।

আরো পড়ুন: সংসদ ভবনে বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার বসানোর নির্দেশ

খবর আসছে, হঠাৎ করে ঠাণ্ডার এ আক্রমণে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছেন নানা রোগে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ার কারণে ঠাণ্ডার অনুভূতি বাড়ে। বর্তমানে রাজধানীতে রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় অর্ধেক কমে এসেছে। তারপরও রয়েছে ‘উত্তরা বাতাস’। ফলে মড়ার ওপর খাড়ার ঘা’র অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বলেন, আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর তাপমাত্রা কমবে। ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসবে ব্যারোমিটারের পারদ। দিনের তাপমাত্রা এখন ২০ ডিগ্রি সেলিসিয়াসে আছে। এটা আরো নিচে নেমে এলে রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য আরও কমে যাবে। ফলে ঠাণ্ডার অনুভূতি আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসছে বাতাস, যেটাকে আমরা ‘উত্তরা বাতাস’ বলে থাকি। ঢাকায় বর্তমানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার। এই বাতাস কনকনে হিম বয়ে এনে হাড় কাঁপুনির সৃষ্টি করেছে। এই বাতাস না থাকলে দিনের তাপমাত্রা এতো কমতো না। আর এতো ঠাণ্ডাও অনুভূত হতো না। ৯-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এতো ঠাণ্ডা অনুভূত হয়না, যদি রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য বেশি থাকে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজধানীতে সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে। এমন অবস্থা দু’দিন থাকার পর সূর্যকিরণ আবার আগের মতো পাওয়া যাবে। স্থান ভেদে ২১ ও ২২ ডিসেম্বরের দিকে ঠাণ্ডা অনুভূতি কমে আসবে। এরপর আসতে পারে নিম্নচাপ। এক্ষেত্রে ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ মাঝারী (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা) ধরণের শৈত্যপ্রবাহের মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে দেশবাসীকে।