বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীর মহাসড়কে আবারও ডানা মেলছে প্রজাপতি

রাজশাহী প্রতিনিধি
রাজশাহী মহানগরীর বিলসিমলা রেল ক্রসিং থেকে কাশিয়াডাঙ্গা মোড় পর্যন্ত ফোরলেন সড়কে দৃষ্টিনন্দন আধুনিক প্রজাপতি সড়কবাতি স্থাপন কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে সড়কবাতি, আবারও যেন সড়কে ডানা মেলেছে প্রজাপতি।
জানা যায়, গত জানুয়ারি মাসে রাজশাহী মহানগরীর বিলশিমলা থেকে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত সড়কটির ডিভাইডারের মধ্যে সড়কবাতিগুলো বসানো হয়। ৪ দশমিক ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য সড়কটি দুই লেন থেকে চার লেনে উন্নীত করার পর মোট ১৭৪টি খুঁটি বসানো হয়। এসব খুঁটি ও বাতি চীন থেকে আনা হয়। গত ১১ ফেব্রুয়ারি সড়কবাতিগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাসিক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। এই বাতি আলোচিত হয় রাজশাহীজুড়ে। তবে বেশি দিন শোভা ছড়াতে পারেনি বাতিগুলো। উদ্বোধনের পর দুই মাস না যেতেই গত ৪ এপ্রিলের বিকেলের ঝড়ে বেশির ভাগ সড়কবাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে ভেঙে পড়ার প্রায় সাত মাস পর মেরামত করা হচ্ছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের রাস্তার প্রজাপতি বাতি। আবারও জ্বলতে শুরু করবে বাতিগুলো; পূর্বের ন্যায় ছড়াবে রোশনাই। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের বিদ্যুৎ বিভাগ ‘হ্যারো ইঞ্জিনিয়ারিং’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সড়কবাতি বসানোর কাজটি বাস্তবায়ন করেছিল। এতে ব্যয় হয় ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। প্রতিটি খুঁটির জন্য খরচ হয় ৩ লাখ টাকা করে।
খুঁটিগুলো ৪ এপ্রিল লুটিয়ে পড়ার পর ঠিকাদার বলেছিলেন, দুই রাতের মধ্যেই সব মেরামত করে দেয়া হবে, কিন্তু তা আর হয়নি। অবশেষে সড়কবাতিগুলো লাগানো হচ্ছে। দুই রাতের জায়গায় লাগল সাত মাস!
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজ মিশু জানান, নগরীর বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়নে ১৭৩ কোটি টাকার প্রকল্পের আওতায় ২৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বহরমপুর রেলক্রসিং থেকে কাশিয়াডাঙ্গা মোড় পর্যন্ত সড়কটি ৩০ থেকে ৮০ ফুটে উন্নীত করা হয়েছে। সড়কটিতে বাইসাইকেল লেন ও দৃষ্টিনন্দন আইল্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সড়কের দুই পাশে ১০ ফুট চওড়া ফুটপাত ও রাস্তার দক্ষিণ পাশে সাড়ে সাত ফুট ড্রেন করা হয়। সড়কটিতে আলোকায়নের ১৭৪টি আধুনিক দৃষ্টিনন্দন প্রজাপতির সড়কবাতি পুনরায় শক্ত খুঁটির করে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। যার প্রতিটিতে দুইটি করে ৩৪৮টি লাইট থাকবে।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নূর ইসলাম তুষার বলেন, ‘ক্রেন না পাওয়ার কারণে পোল বসাতে সময় লাগল। সম্ভবত বাইরে থেকে ক্রেন এনে কাজ শুরু করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা। এবার পোলে আগের চেয়ে বেশি করে ফাউন্ডেশন দেয়া হচ্ছে বলে জানান এই প্রকৌশলী।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar