রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন

যোগদান করার পরথেকে মাদক ৮৫%,মুক্তো ও বাল্যবিবাহ,ধর্ষন এর বিরুদ্ধে সততার সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, থানা ইনচার্জ ওছি ইকবাল হোসেন।

 রিপোর্টার মোঃতপছিল হাছানঃচাঁদপুর মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ,কে,এম,এস,ইকবাল হোসেন মতলব (দক্ষিন) উপজেলার,পৌর এলাকা,ছয়টি ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের মধ্যে অপরাধ দমনে নিরলস ভাবে কাজ করে আসছেন,জঙ্গীবাদ,সন্ত্রাস,বাল্য বিবাহ,মাদক,ভূমিদস্যু,জুয়া,পারিবারিক কলহ সহ সকল  অপরাধমুক্ত করতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে অল্প দিনের মধ্যেই  মতলববাসীর প্রিয় ওসি’র সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন জনাব ইকবাল হোসেন। তিনি মতলববাসীর জনপ্রিয় পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সুক্ষ্যাতী অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন,অপরাধ দমন সার্বিক নিরাপত্তা দিয়ে ও কর্মতৎপরতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাধারন মানুষের কাছে থানায় জিডি এবং অভিযোগ করিতে গেলে কোনো টাকা নেই যে কোনো পুলিশ টাকা নিবে তার জন্য কঠোর  হুশিয়ারী,পুলিশি সেবা মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে চেষ্টা করে আচ্ছেন।
দায়িত্ব ও কর্তব্য সেবা মানুষের কল্যানে পৌঁছে দিতে জনপ্রতিনিধি, গ্রাম পুলিশ ও পুলিশিং কমিটির সহযোগিতা নিয়ে সাহসিকতার সাথে বিভিন্ন অপরাধ ও সমস্যা মোকাবেলা করে ইতিমধ্যে পুলিশি সেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌছে দিয়ে আলোচিত হয়ে উঠেছেন।তিনি অত্যন্ত পরিসরু মানুষকে ভালোবাসায় সকল দক্ষতায় জনগনের সাথে ভালো সুসম্পর্ক গড়ে তুলেআচ্ছেন।
তিনি পুলিশ জনগনের সেবক,সেবাই পুলিশের ধর্ম এটা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। জনগনের নিরাপত্তা দিয়ে মতলব থেকে বিভিন্ন অপরাধ মুক্ত করে ডিজিটাল থানায় পরিণত করার নিরলসভাবে চেষ্টা এবং মানুষকে ভালোবেসে কাজ করছেন।ওনার আগেও মতলবে অনেক (ওসি) ছিলো কিন্তু ওনার মতো এতো দায়িত্ববান অফিসার ১৯৮২,সাল থেকে আমি একজন মতল বের নাগরিক হিসেবে ও একজন রিপোর্টার মোঃতপছিল হাছান,১১,বছর সাংবাদিকতার জীবনে এ-ই রুকু  দায়িত্ব পালন করতে দেখি  নাই, মতলবে প্রতিটি মানুষের ঘরে মাদক বিক্রি হচ্ছে, তিনি আসার পড়ে ১০০%,থেকে এখন বর্তমানে ১৫%,নিয়র অন্তরে আনছে,৮৫%,মাদক মুক্ত,সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় চায়ের দোকানে বসে কথা গুলো বলতে দেখা যায় পত্রেক অভিভাবক  ওনার জন্য দোয়া কামনা করেন।
ওনার অনেক কাজের  সাফল্যের মধ্যে আলোচিত একটি সাফল্য, নায়েরগাও উওর ইউনিয়নের ঘোনা গ্ৰামের সাত বছরের শিশু মাহিবের কিডনাব এবং পরে হত্যাকান্ডের রহস্যটি।অল্প সময়ের মধ্যে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করে,মাহিবের মৃতদেহ উদ্ধার।এছাড়া মাদকের খুচরা বিক্রেতা থেকে শুরু করে ডিলারদের আটক করে চাঁদপুর এ চেচ চের নুপুর পরিয়ে অবো সেষেয় কোর্ডে পেরুন করা হয়,মতলবকে মাদকমুক্ত করে জিরো টলারেন্সে আনার চেষ্টা করছেন। ওনার কর্মদোক্ষতায় মতলবের অনেক যুবকের জীবন মাদক থেকে রক্ষা পেয়েছে।সন্দেহ শিশু গলাকাটা এক বেক্তিকে আটক করেছে এলাকার বাসিন্দারা, সেই মানুষকে নিজের ধক্ষোতায় জীবন বাঁচলেন ঐ বিদ্যমান মানুষের জীবন, আল্লাহ তালায় যেনো ঘিয়ান বুন্দি কাচে মেধাকে হার মানায়।
তিনি,দুই হাজার আঠারো সালের আগস্টের তিন তারিখে মতলব দক্ষিন থানায় যোগদান করে। মাত্র আট মাস চব্বিশ দিনেই মতলব দক্ষিণ উপজেলার অপরাধের চিত্র পরিবর্তন করে মতলববাসীকে দেখাতে সক্ষম হয়েছেন।
 মতলব দক্ষিণ থানার কর্মরত অফিসার ইনচার্জ জনাব এ,কে,এম,এস ইকবাল হোসেন সহ থানার  অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা এবং কর্মচারিরা।তিনি মতলব থানায় যোগদানের পর,থানায় দালাল চক্রের আনাগোনা লক্ষনীয় ভাবে কমেছে।থানায় রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাবও অনেক কমেছে। তিনি বলেন যে চারটি জিনিস চলার পথে এগিয়ে যেতে পারে আপনার জীবন,(১) যদি  ঠান্ডা হাওয়া খেতে হয়,নদীর তিরে যেতে হবে (২)যদি ভালো নদী দেখতে চাও, তাহলে কক্সবাজার যেতেই যা-ও (৩)যদি পাহাড় দেখতে চাও, তাহলে হিমালয় যেতে হবে,( ৪)যদি ভালো মানুষ হতে হয়,তাহলে ভালো মানুষের সাথে মিস্তি হয় এবং ভালো মানুষের লেখা বই পড়তে হবে, ভালো মানুষের কথা গুলো ঠিক মতন করে ও চলাফেরা চোখ রাখতে হবে তার হলে ভালো মানুষ হতে পারবে
নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar