ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১৮ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৩১ বছরেও ময়লা ফেলার স্থান ঠিক করতে পারেনি পৌরসভা। লোহাগড়ায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে বিয়ে, স্ত্রীর মর্যাদা দাবী করায় নির্যাতন অতপর: থানায় মামলা নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৩ অনুষ্ঠিত কুমিল্লার মুরাদনগরে গরিব দুঃস্থদের মাঝে কম্বল তুলে দেন, ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল নিয়ে মংলা সমুদ্র বন্দরে পৌঁছেছে রাশিয়ার দুটি জাহাজ আনোয়ারায় ডাকাত গ্রেফতার নড়াইলে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে কলেজ অধ্যক্ষের অফিসে এক নারী লোহাগড়ায় মায়ের পরকিয়ায় ভালো নেই শিশু আরিয়ান শ্যামপুরের কহিনুর হত্যাকারীদের শাস্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন।

যে কারণে আমাদের শরীর চুলকায়

আমাদের শরীর কেন চুলকায়- এই রহস্য খুব কমই উদঘাটন করা হয়েছে বা উদঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই দিকটি মানুষের মস্তিষ্কের গতিবিধি বা আচরণ নিয়ে বিস্ময়কর কিছু তথ্য হাজির করেছে। চুলকানি নিয়ে নীচের ১০টি তথ্য আপনাকে বিস্মিত করবে-

আপনি দিনে প্রায় ৯৭ বার সেখানে চুলকান

গবেষণা বলছে, আমরা দিনে কমবেশি ১০০ বার চুলকাই। এই লেখাটি যখন পড়ছেন, তখনও হয়তো আপনার শরীরের কোথাও চুলকাচ্ছে। চুলকে ফেলুন, কেউ দেখবে না।

পশু বা গাছের সংস্পর্শে চুলকানি

কখনো কখনো কোনো পশু বা বৃক্ষ-লতার সংস্পর্শে শরীরে চুলকানি শুরু হয়ে যায়। এর কারণ এগুলো থেকে নিঃসরিত বিষ চামড়ায় লেগে হিস্টামিন নির্গত হয়। সাথে সাথে স্নায়ুকোষ তার ফাইবারের মাধ্যমে মস্তিষ্কে চুলকানির বার্তা পাঠায়।

চুলকানির নিজস্ব স্নায়ু নেটওয়ার্ক

কিছুদিন আগ পর্যন্ত মানুষের ধারণা ছিল, একই পথ দিয়ে চুলকানি এবং ব্যথার সিগন্যাল মস্তিষ্কে পৌছায়। কিন্তু ১৯৯৭ সালে এক গবেষণায় দেখা যায় চুলকানির স্নায়ুর ফাইবার পৃথক।

চুলকানির সিগন্যালের গতি মন্থর

একেক স্নায়ু ফাইবারের একেক গতি। স্পর্শের সিগন্যালের গতি ঘণ্টায় ২০০ মাইল। দ্রুত ব্যথা (যখন আপনি অসাবধানে গরম হাড়িতে হাত দেন) ৮০ মাইল বেগে চলে। কিন্তু চুলকানির গতি ঘণ্টায় দুই মাইল- হাঁটার গতির চেয়ে মন্থর।

চুলকানি সংক্রামিত হয়

ইঁদুররা চুলকাচ্ছে -এমন একটি ভিডিও আরেক দল ইঁদুরকে দেখিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। দেখেই ঐ ইঁদুররা চুলকাতে শুরু করেছিল।

সুপ্রাকিয়াসম্যাটিক নিউক্লিয়াস নামে মস্তিষ্কের ক্ষুদ্র একটি অংশ চুলকানির সংক্রমণের জন্য দায়ী

বিজ্ঞানীদের এখনো কোনো ধারনা নেই যে কীভাবে মস্তিষ্ক একজনের চুলকানি দেখে আরেকজনকে চুলকাতে উৎসাহিত করে।

চুলকিয়ে চামড়া রক্ষা করা যায়

কীট-পতঙ্গ বা বিষাক্ত লতাগুল্মের স্পর্শে প্রতিক্রিয়া হলে চুলকিয়ে তা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। চুলকানোর সময় আপনার রক্তের শিরা প্রসারিত হয়। ফলে নিঃসরিত হয় শ্বেত কণিকা যা বিষের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে।

মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের নিঃসরণ

চুলকালে মস্তিষ্কে সেরোটোনিন নিঃসরিত হয়। ফলে পরিতৃপ্তির অনুভূতি হয়। বোঝাই যায়, কেন চুলকানির থামানো এত কঠিন।

চুলকানোর সবচেয়ে উত্তম জায়গা গোড়ালি

২০১২ সালে ব্রিটেনে এক গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, গোড়ালিতে চুলকানির ঝোঁক সবচেয়ে বেশি এবং সেখানে চুলকালে তৃপ্তিও পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি। গোড়ালি চুলকিয়ে দেখুন একবার।

যত চুলকাবেন, ততই চুলকানি তৈরি হবে

চামড়ায় চুলকানোর সময় বেশি বেশি হিস্টামিন নিঃসরিত হয়। ফলে আরো চুলকাতে ইচ্ছা করে। এই চক্র সম্পর্কে সাবধান থাকুন। কারণ বেশি চু

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩১ বছরেও ময়লা ফেলার স্থান ঠিক করতে পারেনি পৌরসভা।

যে কারণে আমাদের শরীর চুলকায়

আপডেট টাইম ১০:২৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আমাদের শরীর কেন চুলকায়- এই রহস্য খুব কমই উদঘাটন করা হয়েছে বা উদঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই দিকটি মানুষের মস্তিষ্কের গতিবিধি বা আচরণ নিয়ে বিস্ময়কর কিছু তথ্য হাজির করেছে। চুলকানি নিয়ে নীচের ১০টি তথ্য আপনাকে বিস্মিত করবে-

আপনি দিনে প্রায় ৯৭ বার সেখানে চুলকান

গবেষণা বলছে, আমরা দিনে কমবেশি ১০০ বার চুলকাই। এই লেখাটি যখন পড়ছেন, তখনও হয়তো আপনার শরীরের কোথাও চুলকাচ্ছে। চুলকে ফেলুন, কেউ দেখবে না।

পশু বা গাছের সংস্পর্শে চুলকানি

কখনো কখনো কোনো পশু বা বৃক্ষ-লতার সংস্পর্শে শরীরে চুলকানি শুরু হয়ে যায়। এর কারণ এগুলো থেকে নিঃসরিত বিষ চামড়ায় লেগে হিস্টামিন নির্গত হয়। সাথে সাথে স্নায়ুকোষ তার ফাইবারের মাধ্যমে মস্তিষ্কে চুলকানির বার্তা পাঠায়।

চুলকানির নিজস্ব স্নায়ু নেটওয়ার্ক

কিছুদিন আগ পর্যন্ত মানুষের ধারণা ছিল, একই পথ দিয়ে চুলকানি এবং ব্যথার সিগন্যাল মস্তিষ্কে পৌছায়। কিন্তু ১৯৯৭ সালে এক গবেষণায় দেখা যায় চুলকানির স্নায়ুর ফাইবার পৃথক।

চুলকানির সিগন্যালের গতি মন্থর

একেক স্নায়ু ফাইবারের একেক গতি। স্পর্শের সিগন্যালের গতি ঘণ্টায় ২০০ মাইল। দ্রুত ব্যথা (যখন আপনি অসাবধানে গরম হাড়িতে হাত দেন) ৮০ মাইল বেগে চলে। কিন্তু চুলকানির গতি ঘণ্টায় দুই মাইল- হাঁটার গতির চেয়ে মন্থর।

চুলকানি সংক্রামিত হয়

ইঁদুররা চুলকাচ্ছে -এমন একটি ভিডিও আরেক দল ইঁদুরকে দেখিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। দেখেই ঐ ইঁদুররা চুলকাতে শুরু করেছিল।

সুপ্রাকিয়াসম্যাটিক নিউক্লিয়াস নামে মস্তিষ্কের ক্ষুদ্র একটি অংশ চুলকানির সংক্রমণের জন্য দায়ী

বিজ্ঞানীদের এখনো কোনো ধারনা নেই যে কীভাবে মস্তিষ্ক একজনের চুলকানি দেখে আরেকজনকে চুলকাতে উৎসাহিত করে।

চুলকিয়ে চামড়া রক্ষা করা যায়

কীট-পতঙ্গ বা বিষাক্ত লতাগুল্মের স্পর্শে প্রতিক্রিয়া হলে চুলকিয়ে তা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। চুলকানোর সময় আপনার রক্তের শিরা প্রসারিত হয়। ফলে নিঃসরিত হয় শ্বেত কণিকা যা বিষের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে।

মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের নিঃসরণ

চুলকালে মস্তিষ্কে সেরোটোনিন নিঃসরিত হয়। ফলে পরিতৃপ্তির অনুভূতি হয়। বোঝাই যায়, কেন চুলকানির থামানো এত কঠিন।

চুলকানোর সবচেয়ে উত্তম জায়গা গোড়ালি

২০১২ সালে ব্রিটেনে এক গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, গোড়ালিতে চুলকানির ঝোঁক সবচেয়ে বেশি এবং সেখানে চুলকালে তৃপ্তিও পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি। গোড়ালি চুলকিয়ে দেখুন একবার।

যত চুলকাবেন, ততই চুলকানি তৈরি হবে

চামড়ায় চুলকানোর সময় বেশি বেশি হিস্টামিন নিঃসরিত হয়। ফলে আরো চুলকাতে ইচ্ছা করে। এই চক্র সম্পর্কে সাবধান থাকুন। কারণ বেশি চু