ঢাকা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

যুবরাজের ২ সহযোগীর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি তুরস্কের

ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :   সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমানের দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন তুরস্কের একটি আদালত। সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় সহযোগিতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ পরোয়ানা বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। খাশোগি এ পত্রিকারই সাংবাদিক ছিলেন।

তারা হলেন-মেজর জেনারেল আহমেদ আল আসিরি ও সৌদ আল কাহতানি। তারা এখন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে খাশোগি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে সৌদি আরবের ওপর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান সরকারের অব্যাহত চাপের অংশ হিসেবে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

পশ্চিমা দেশগুলোতে এমবিএস নামে পরিচিত সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমানকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখতে চায় তুরস্ক। যে কারণে এ হত্যাকাণ্ডের পর সৌদির ওপর অব্যাহত চাপ দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক সরকার।

তবে এমন একসময় এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, যখন বেশ কয়েকজন মার্কিন সিনেটর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এমবিএস জড়িত বলে দাবি করেছেন। সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে এ ক্ষেত্রে তারা কঠোর ভাষা ব্যবহার করেছেন।

সিনেটে মার্কিন পররাষ্ট্র সম্পর্কীয় কমিটির প্রধান বব কর্কার বলেন, যদি যুবরাজকে বিচারকদের সামনে হাজির করা হয়, তবে মাত্র ৩০ মিনিটের ভেতরে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়ে যাবেন।

উল্লেখ্য, জামাল খাশোগিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সৌদি আরব সরকার যে পাঁচজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে আটক করেছে,  তাদের মধ্যে দেশটির গোয়েন্দা শাখার উপপ্রধান আহমেদ আল আসিরি এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মিডিয়া উপদেষ্টা কাহাতানি রয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যুবরাজের ২ সহযোগীর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি তুরস্কের

আপডেট টাইম ০২:০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :   সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমানের দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন তুরস্কের একটি আদালত। সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় সহযোগিতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ পরোয়ানা বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। খাশোগি এ পত্রিকারই সাংবাদিক ছিলেন।

তারা হলেন-মেজর জেনারেল আহমেদ আল আসিরি ও সৌদ আল কাহতানি। তারা এখন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে খাশোগি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে সৌদি আরবের ওপর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান সরকারের অব্যাহত চাপের অংশ হিসেবে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

পশ্চিমা দেশগুলোতে এমবিএস নামে পরিচিত সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমানকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখতে চায় তুরস্ক। যে কারণে এ হত্যাকাণ্ডের পর সৌদির ওপর অব্যাহত চাপ দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক সরকার।

তবে এমন একসময় এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, যখন বেশ কয়েকজন মার্কিন সিনেটর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এমবিএস জড়িত বলে দাবি করেছেন। সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে এ ক্ষেত্রে তারা কঠোর ভাষা ব্যবহার করেছেন।

সিনেটে মার্কিন পররাষ্ট্র সম্পর্কীয় কমিটির প্রধান বব কর্কার বলেন, যদি যুবরাজকে বিচারকদের সামনে হাজির করা হয়, তবে মাত্র ৩০ মিনিটের ভেতরে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়ে যাবেন।

উল্লেখ্য, জামাল খাশোগিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সৌদি আরব সরকার যে পাঁচজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে আটক করেছে,  তাদের মধ্যে দেশটির গোয়েন্দা শাখার উপপ্রধান আহমেদ আল আসিরি এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মিডিয়া উপদেষ্টা কাহাতানি রয়েছেন।