বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০:০৯ অপরাহ্ন

“ময়মনসিংহ-৬ আসনের হালচাল” জাতীয় পার্টির অভ্যন্তরীন কোন্দল !! বিএনপি বৈরী বাতাসে আওয়ামীলীগ এগিয়ে

একে এম. মনজুরুল হক, ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ ) :   একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ-৬ ঝিমিয়ে পড়া রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারো প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে রাজনৈতিক দল গুলোর মাঝে। কর্মীরাও এখন সরব হয়ে উঠেছে দিন বদলের আশায়। সম্ভাব্য আগ্রহী প্রার্থীরা মনোনয়ন লাভের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে লবিং গ্রুপিং করে আসছে ,এমন কি দলীয় হাই কমান্ডদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করেছেন দফায় দফায়। আওমীলীগ অথবা বিএনপি-জামায়াত, জাপা-জাসদ প্রার্থীরা কেউ পিছিয়ে নেই।

অন্যদিকে, ২০ দলীয় জোট (তথা ) বি এন পি মনেকরে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ ও জয়লাভ করে, বর্তমান সরকারের চলমান দমন পীড়নের কোণঠাসা জবাব দিবে বলে, নির্বাচন প্রস্তুতিতে ব্যস্থ সময় পার করছে। রাজনৈতিক দলগুলির দুই রকম ভাবনা থেকে জয়ের আশায় সবাই এখন উজ্জীবিত হয়ে নির্বাচনীর মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আ’লীগ ও ২০ দলীয় জোটের সম্ভাব্য নতুন প্রার্থীরা আশায় বুক বেধে মাঠে কাজ করছেন। বিগত দিন গুলিতে সাধারন মানুষ ও তৃণমূল নেতা র্কমীরা, নেতাদের দ্বারে দ্বারে গিয়েও সাড়া পায়নি। ঐ সমস্ত নেতারাই নির্বাচনীর সুগন্ধি বাতাসে হঠাৎ জনদরদী হয়ে, অবহেলিত জনগনের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের খোঁজ খবর ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। গণসংযোগ, বাড়ি বাড়ি উঠান বৈঠক, হ্যান্ড সেক, কোলাকুলি, এমনকি বয়স্ক লোকদের কদমবুচি , ঈদ, পূর্জা ও ইসলামী মাহফিলে শুভেচ্ছা বিনিময়, বড় প্যানা, রাস্তার উপর তুরন নির্মাণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইস বুক, মুঠোফোনে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময়, দোয়া মাহফিল সহ বিয়ের দাওয়াত, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে কৌশলে ভোটাররে মন জয়ের চেষ্টায় ব্যস্তসময় কাটাচ্ছেন।
উপজেলা আওমীলীগের অভ্যান্তরিন কোনপ্রকার কোন্দল রয়েছে কিনা, জান্তে চাইলে। আওয়ামী কয়েকজন নেতা র্কমীরা জানিয়েছে। বিগত দিনে
৬ নং ফুলবাড়ীয়া ইউ,পি, চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ‘লীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ মালেক সরকার সংসদ নির্বাচনের আশায় মনোনয়নে ব্যার্থহয়ে ,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির সাথে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিল না। এখনো সাংসদ হওয়ার স্বপ্নে বিভোর রয়েছেন।

যদিও এখন পর্যন্ত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়নি তদুপরি প্রার্থীরা প্রতি নিয়তই ভোটারদের সাথে সখ্যতা বাড়ানোর জন্য যোগাযোগ অব্যাহত রাখছে। গত ১৯৯১ সালে বিএনপি (ধানের শীষ) বিজয়ী হয়। ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি (বির্তকৃত) ধানের শীষ, ১৯৯৬ আ’লীগ নৌকা জয়ী হয়, ২০০১ সালে বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হয়। ২০০৮ সালে নৌকা জয়ী হয়। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়ীয়ায়, কোন প্রকার গন্ডগোল ছাড়াই ভোটার দের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার উপস্থিতিতে ভোটগ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। জাসদের সাথে হাডাহডি লড়াইয়ে, নৌকার প্রার্থী এড. মোসলেম উদ্দিন বিজয়ী হয়।

এ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক. গণপরিষদের সদস্য, বর্তমান সাংসদ আলহাজ্ব এড. মোসলেম উদ্দিন, সাবেক এম.এন.এ. বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আ.ন.ম.নজরুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভি.সি. প্রফেসর আব্দুল মান্নান, উপজেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি এড. আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক- আব্দুল মালেক সরকার, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক- এম এ কদ্দুছ, উপজেলা আওমীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. মফিজ উদ্দিন মন্ডল, সাবেক ভিপি ও উপজেলা আওয়ালীগের সিনিঃ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. কে.বি.এম. আমিনুল ইসলাম খাইরুল, কুমিল্লা (বোর্ড) এর (অবঃ) পরিচালক বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ইয়াসিন আলী।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, সাবেক এমপি, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জি. শামছ উদ্দিন আহমদ, উপজেলা বিএনপির সিনিঃ সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, কারা নির্যাতিত নেতা এড. মো.আজিজুর রহমান, গোলাম ফারুক মাষ্টার, জামায়াত মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, কেন্দ্রীয় মজলিসের সুরা সদস্য, (নিবন্ধন বাতিল) জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন। জাতীয় পার্টি মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয় শ্রমিক পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আনজু আক্তার ,জাতীয় পার্টির সাবেক উপদেষ্টা, চক্ষু বিশেষজ্ঞ, সার্জন ডা. কে.আর. ইসলাম, মাহফুজুর রহমান বাবুল । জাসদ মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু।

ফুলবাড়ীয়ার মাটি ও গণ মানুষের কিংবদ্ধনতী নেতা, গণপরিষদের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক, পাঁচবারের সাংসদ আলহ¦াজ এড. মোসলেম উদ্দিন এরই মধ্যে, বিশ্ব মানবতার মা ডিজিটাল বাংলার রাষ্ট নায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড তুলেধরে, উপজেলার সর্বস্তরে বিরামহীন ভাবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্বস্থ্য সূত্র ও সরেজমিনে দেখাযায় , এড. মোসলেম উদ্দিন পাঁচ দশকের অধীক সময় ধরেই, সৎ এবং নিষ্ঠার সাথে রাজনীতি করায় ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ব্যাহত থাকায় উপজেলা জোরেই নৌকার জোয়ারের বাতাস বইছে।

বর্তমান সাংসদ আলহ¦াজ এড. মোসলেম উদ্দিন বলেন, ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলন সহ ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছি। ১৯৭০ সালে নৌকার নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। ৭১ মুক্তিযোদ্ধে অংশগ্রহন করে, ৭০ থেকে পরর্বতী ৫ দশকের অধীক সময় ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত রয়েছি। গত দুই ট্রার্মে সকল প্রকল্পই বাস্তবায়ন সহ ৪০টি নতুন সেতু নির্মাণ ও উপজেল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট একটি আধুনীক কমপ্লেক্সকে উন্নীত করন করেছি। সেই সাথে একটি অধুনিক পানিসম্পদ হাসপাতালও করা হয়েছে। এই ধাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে গত ১০ বছরের অধীক কাজ বাস্তবায়ন করব। আমার উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে বিনা পয়সায় বিদ্যুতের সু-ব্যবস্থা সহ ইউনিয়নের হাট বাজারে গুলিতে সৌর সোলারের ব্যবস্থা করেছি। ১৩টি ইউনিয়নে ও পৌর শহরে রাস্তা-ঘাট পাকাকরন, কালভার্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য সেবা, নারীশিক্ষা, বেকারত্বসহ অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছি। ত্যাগি নেতারা জানান, আমাদের স্যার একজন সফল রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশ আ’লীগের মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। স্যার যে কোনও ব্যপারেই তৃণমূলের নেতা কর্মীদের সাথে আলচনার মাধ্যমে সকল সিদ্ধান্তনেন।

প্রফেসর আব্দুল মান্নান বলেন, আমাকে মনোনয়ন দিলে। অত্যন্ত সততার সাথে উপজেলাবাসীর উন্নয়নে কাজ করবো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিল্পায়নকে গুরুত্ব দিব।

এড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ফুলবাড়িয়া উপজেলায় আ’লীগের কোন কোন্দল নেই। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে নেতা-কর্মীরা নৌকার বিজয়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবে।

এড. খাইরুল বলেন, আমি বিগত ৩২ বছর যাবৎ রাজনীতির মাঠে। আমার সহযোদ্ধারা এমপি হয়েছে। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে বিজয়ী হব। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে আমার নির্বাচনে কাজ করবে। নারী শিক্ষা জন্য একটি সরকারী কওমী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সু-ব্যবস্থা করব, দারিদ্র মুক্ত দূরীকরণ ও বেকাত্ব ছেলে মেয়েদের জন্য চাকুরী সু-ব্যবস্থা করব। ফুলবাড়ীয়াকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে রূপান্তর করতে চাই।

অধ্যাপক ইয়াসিন আলী বলেন, আমি ছাত্র জীবনে এম কলেজের ছাত্র রাজনীতিতে আওয়ামী সাংসদের জি.এস ছিলাম।কর্মজীবন শেষে গত ৮ বৎসর যাবত আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে স্বক্রিয় হয়ে দলের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছি। আ’লীগ আমাকে মনোনয়ন নিলে ফুলবাড়িয়া উপজেলাটিকে চারটি উপঅঞ্চলে বিভক্ত করে,চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন ধারা ব্যহত রাখব ।কেশরগঞ্জ, আছিম, মোহাম্মদ নগর , লক্ষীপুর যে অঞ্চলের যে সমস্যা তাথক্ষনিক ভাবে তার সমাধান করব। ।কৃষি, রাস্তা-ঘাট, বিদ্যুতায়নসহ অসহায়-হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়াবো।

বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি, ইঞ্জি. শামছ উদ্দিন আহমদ বলেন, স্বাধীনতার পর বিএনপির আমলে ফুলবাড়িয়া উপজেলায় যে উন্নয়ন হয়েছে আজ পর্যন্ত তার শিকি ভাগও হয়নি। ফুলবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি’র ঘাটি বলে খ্যাত। আমি আশাকরি, দল আমাকে মনোনয়ন দিবে। আমাকে মনোনয়ন দিলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হাতকে শক্তিশালী করে এ আসনটি উপহার দিতে পারবো। বিগত সরকারের আমলে ফুলবাড়ীয়া বাসীর অধিকাংশ ছেলেমেয়ে চাকুরী সু-ব্যবস্থা করেছি। সে সাথে উপজেলার ৯০% রাস্তা ঘাট পাকা করণের ব্যবস্থা করেছি। আমি বিজয়ী হলে ফুলবাড়িয়া বাসীর বহুদিনের কাঙ্খিত যে প্রত্যাশা ফুলবাড়িয়া ডিগ্রী ও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কে প্রথমেই সরকারী করণের সু-ব্যবস্থাসহ কলেজটি কে একটি উপজেলার ডিজিটাল কলেজ হিসাবে রূপান্তর করব।

এড. আজিজুর রহমান বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক, বৃহৎ, রাজনৈতিক দল। দলের একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশি থাকতেই পারে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ত্যাগি নেতাকর্মীদের এবং রাজপথে বিগত দিনে যারা আন্দোলন সংগ্রাম করেছে অবশ্যই তাদেরকে মূল্যায়ণ করবে। বিএনপির দুঃসময়ে আমি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আমি ইঞ্জি শামছ উদ্দিন আহমদের পক্ষে সর্বদাই কাজকরে এসেছি । দেশনেত্রী ম্যাডাম খালেদা জিয়ার নিকট ,আমার বিনীত অনুরোধ নেত্রীযেন ইঞ্জিয়ার শামসুদ্দিন আহমদকে মনোনয়ন দেয়।

জাপার প্রার্থী আনজু আক্তার বলে, আমি দীর্ঘ দেরযোগ ধরে জাতীয় পার্টির রাজনীতির সাথে সমপৃক্ত ও সাংগঠনিক পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকরে আসছি। বিধায় আগামী সংসদ নির্বাচনে আমি মনোনয় প্রত্যাশা করি। পার্টি আমায় মনোনয়ন দিলে, বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হব বলে দৃঢ় আশাবাদী।ফুলবাড়ীয়ার অবহেলিত বঞ্চিত মানুষের দীর্ঘদিনে প্রাণের দাবি ২০০ শয্যা বিশিষ্ঠ একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মান ও একটি সরকারী এতিম খানা স্থাপন সহ বেকারদের কর্মসংস্থানে সুব্যবস্থা ,গ্রামীণ অকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষাব্যবস্থা ও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সহ ফুলবাড়ীয়া কে একটি মডেল ও আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই । ডা. কে.আর. ইসলাম বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মসজিদ-মাদ্রাসা, সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গণসংযোগ করছি। বিগত দিনে ফুলবাড়ীয়া উপজেলার প্রায় ৮০ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান করেছি। এখন পর্যন্ত চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে।

অধ্যাপক মো.জসীম উদ্দিন বলেন, ২০ দলীয় জোট আমাকে মনোনয়ন দিলে জনগনের প্রত্যাশা পূরণ হবে । বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াতের প্রার্থী ৬৮ হাজার ২৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়।

মনোনয়ন প্রত্যাশিরা জানান, আ’লীগের অর্থের কোন প্রয়োজন নেই।

ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় শ্রমীক পার্টির যুগ্ন আহ্বায়ক এ কে এম. সিরাজুল ইসলাম বলেন, জাতীয় পার্টিতে কোন কোন্দলনেই। পার্টি যাকে মনোনয় দিবে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষেই কাজ করব। উপজেলা আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক এড. মফিজ উদ্দিন বলেন, ছাত্র জীবন থেকেই আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে জড়িত আছি। প্রায় দেড় যুগ ধরে বিশ্ব মানবতার মা বঙ্গ কন্যা রাষ্ট্র নায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করার জন্য , বিরামহীন ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। নেত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, ডিজিটাল বাংলার উন্নয়ন স্বার্থে নিরলস ভাবে কাজ করে যাব। ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রত্যেকটি ইউনিয়নকে ডিজিটাল ইউনিয়নকে হিসাবে উন্নয়ন করব।এছাড়াও দারিদ্রমুক্ত করণ শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নীত করণ ও বেকাত্ব দূরীকরণের সু-ব্যবস্থা করব।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar