ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১৮ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোহাগড়ায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে বিয়ে, স্ত্রীর মর্যাদা দাবী করায় নির্যাতন অতপর: থানায় মামলা নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৩ অনুষ্ঠিত কুমিল্লার মুরাদনগরে গরিব দুঃস্থদের মাঝে কম্বল তুলে দেন, ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল নিয়ে মংলা সমুদ্র বন্দরে পৌঁছেছে রাশিয়ার দুটি জাহাজ আনোয়ারায় ডাকাত গ্রেফতার নড়াইলে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে কলেজ অধ্যক্ষের অফিসে এক নারী লোহাগড়ায় মায়ের পরকিয়ায় ভালো নেই শিশু আরিয়ান শ্যামপুরের কহিনুর হত্যাকারীদের শাস্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন। এম ইসফাক আহসানকে মতলব উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাবের সম্মাননা প্রদান

ব্রাজিলের বিদায় নেইমারকে এতটা কষ্ট দিয়েছে!

রাশিয়া বিশ্বকাপে তাঁর ‘ডাইভিং’ প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, কিন্তু দলের প্রতি নিবেদন নিয়ে প্রশ্ন চলে না। সেটি দেখা গেছে চার বছর আগে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপেও। কোয়ার্টার ফাইনালে চোট পেয়ে ছিটকে পড়ার পর নেইমার কতটা মুষড়ে পড়েছিলেন! ব্রাজিলের প্রতি তাঁর এই ভালোবাসার বিষণ্ন প্রকাশ ঘটেছে রাশিয়া বিশ্বকাপেও। নেইমার নিজেই জানিয়েছেন, শেষ আট থেকে বিদায়ের পর তিনি বিশ্বকাপে আর কোনো খেলা দেখেননি। এমনকি যে বলটা তাঁর ধ্যানজ্ঞান, সেই বলটাও দেখতে ইচ্ছে হতো না!

বেলজিয়ামের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। এরপর নেইমার স্রেফ শোক পালন করেছেন। শনিবার সংবাদ সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলের এই তারকা ফরোয়ার্ড বলেন, ‘শোক পালন করেছি। ভীষণ দুঃখ লেগেছে। তবে সেই পরিস্থিতিটুকু পার হয়ে এসেছি। আমার সন্তান আছে, পরিবার আছে আর বন্ধু-বান্ধব। ওরা কেউ আমাকে এমন নিস্তেজ দেখতে চায়নি।’

রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে ৫ ম্যাচ খেলে ২ গোল করেছিলেন নেইমার। কিন্তু তাঁর দল শেষ আটের বাধা টপকাতে পারেনি। কতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, তা বলেছেন নেইমার নিজেই, ‘এমন নয় যে আর কখনো খেলতে চাইনি, কিন্তু বলের দিকে তাকানোর ইচ্ছে হতো না। কোনো ম্যাচও দেখিনি।’

গ্রুপ পর্ব থেকে শেষ আট পর্যন্ত নেইমার বেশ ভালোই খেলেছেন। তবে ‘ডাইভ’ দেওয়ার দোষে সমালোচিতও হয়েছেন। এ নিয়ে নেইমারকে ঠাট্টা করে প্রচুর ‘ট্রল’ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কেউ কেউ তো এক কাঠি সরেস। নেইমারের এই ‘ডাইভিং’ বিতর্ক নিয়ে মজার কিছু প্রতিযোগিতাও হয়েছে কিছু দেশে। এসব নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়টির ভাবনা, ‘এগুলো রসিকতার চোখেই দেখেছি। এমনকি আমি নিজেই শিশুদের সঙ্গে এ নিয়ে মজা করে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছি।’

কিন্তু নেইমার সব সময় প্রতিপক্ষের ট্যাকলের শিকার হতে ভালোবাসেন ভাবলে ভুল হবে। পিএসজি তারকার ভাষ্য, ‘প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে ড্রিবল করাই আমার খেলা। তাঁদের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারি না “হে প্রিয়, দয়া করে পথ ছাড়ো, একটা গোল করব।” এটা মনে করছেন সব সময় ট্যাকলের শিকার হতে ভালোবাসি? না, এটা খুব কষ্টের। ব্যথা লাগে। ম্যাচ শেষে চার-পাঁচ ঘণ্টা বরফ লাগাতে হয়। এই অভিজ্ঞতা না থাকলে কখনো তা বুঝতে পারবেন না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লোহাগড়ায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে বিয়ে, স্ত্রীর মর্যাদা দাবী করায় নির্যাতন অতপর: থানায় মামলা

ব্রাজিলের বিদায় নেইমারকে এতটা কষ্ট দিয়েছে!

আপডেট টাইম ০৬:৪৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮

রাশিয়া বিশ্বকাপে তাঁর ‘ডাইভিং’ প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, কিন্তু দলের প্রতি নিবেদন নিয়ে প্রশ্ন চলে না। সেটি দেখা গেছে চার বছর আগে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপেও। কোয়ার্টার ফাইনালে চোট পেয়ে ছিটকে পড়ার পর নেইমার কতটা মুষড়ে পড়েছিলেন! ব্রাজিলের প্রতি তাঁর এই ভালোবাসার বিষণ্ন প্রকাশ ঘটেছে রাশিয়া বিশ্বকাপেও। নেইমার নিজেই জানিয়েছেন, শেষ আট থেকে বিদায়ের পর তিনি বিশ্বকাপে আর কোনো খেলা দেখেননি। এমনকি যে বলটা তাঁর ধ্যানজ্ঞান, সেই বলটাও দেখতে ইচ্ছে হতো না!

বেলজিয়ামের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। এরপর নেইমার স্রেফ শোক পালন করেছেন। শনিবার সংবাদ সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলের এই তারকা ফরোয়ার্ড বলেন, ‘শোক পালন করেছি। ভীষণ দুঃখ লেগেছে। তবে সেই পরিস্থিতিটুকু পার হয়ে এসেছি। আমার সন্তান আছে, পরিবার আছে আর বন্ধু-বান্ধব। ওরা কেউ আমাকে এমন নিস্তেজ দেখতে চায়নি।’

রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে ৫ ম্যাচ খেলে ২ গোল করেছিলেন নেইমার। কিন্তু তাঁর দল শেষ আটের বাধা টপকাতে পারেনি। কতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, তা বলেছেন নেইমার নিজেই, ‘এমন নয় যে আর কখনো খেলতে চাইনি, কিন্তু বলের দিকে তাকানোর ইচ্ছে হতো না। কোনো ম্যাচও দেখিনি।’

গ্রুপ পর্ব থেকে শেষ আট পর্যন্ত নেইমার বেশ ভালোই খেলেছেন। তবে ‘ডাইভ’ দেওয়ার দোষে সমালোচিতও হয়েছেন। এ নিয়ে নেইমারকে ঠাট্টা করে প্রচুর ‘ট্রল’ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কেউ কেউ তো এক কাঠি সরেস। নেইমারের এই ‘ডাইভিং’ বিতর্ক নিয়ে মজার কিছু প্রতিযোগিতাও হয়েছে কিছু দেশে। এসব নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়টির ভাবনা, ‘এগুলো রসিকতার চোখেই দেখেছি। এমনকি আমি নিজেই শিশুদের সঙ্গে এ নিয়ে মজা করে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছি।’

কিন্তু নেইমার সব সময় প্রতিপক্ষের ট্যাকলের শিকার হতে ভালোবাসেন ভাবলে ভুল হবে। পিএসজি তারকার ভাষ্য, ‘প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে ড্রিবল করাই আমার খেলা। তাঁদের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারি না “হে প্রিয়, দয়া করে পথ ছাড়ো, একটা গোল করব।” এটা মনে করছেন সব সময় ট্যাকলের শিকার হতে ভালোবাসি? না, এটা খুব কষ্টের। ব্যথা লাগে। ম্যাচ শেষে চার-পাঁচ ঘণ্টা বরফ লাগাতে হয়। এই অভিজ্ঞতা না থাকলে কখনো তা বুঝতে পারবেন না।’