ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিলেটের বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য পটুয়াখালী ইমাম পরিষদ কর্তৃক ৩৭১৭২০/-টাকা প্রদান বিপ্রবিতে কর্মচারী পরিষদের মানববন্ধন “আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের নতুন প্রিন্সিপাল ডা. আশরাফ-উজ-জামান” এসপি কিংবা ওসি নয়;রাজকীয় বিদায় পেল সাতকানিয়ার কনস্টেবল মান্নান কুমিল্লার মুরাদনগরে কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪টি ড্রেজার মেশিন জব্দ প্রতিষ্টার ৪৩ বছর পর নির্মিত হচ্ছে জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের দৃষ্টিনন্দন ৪ তলা ভবন বাঁশখালীতে পাহাড় কাটার দায়ে ৫০হাজার টাকা জরিমানা ফরিদগঞ্জে স্ত্রী’র অধিকার পেতে ভাগিনার বাড়িতে মামানি’র অনশন আনোয়ারায় চোরাই স্বর্ণালংকারসহ কাজের বুয়া গ্রেফতার বোয়ালমারী ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যানের ৬মাস পূতির্তে আলোচনা সভা ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ব্রাজিলের বিদায় নেইমারকে এতটা কষ্ট দিয়েছে!

রাশিয়া বিশ্বকাপে তাঁর ‘ডাইভিং’ প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, কিন্তু দলের প্রতি নিবেদন নিয়ে প্রশ্ন চলে না। সেটি দেখা গেছে চার বছর আগে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপেও। কোয়ার্টার ফাইনালে চোট পেয়ে ছিটকে পড়ার পর নেইমার কতটা মুষড়ে পড়েছিলেন! ব্রাজিলের প্রতি তাঁর এই ভালোবাসার বিষণ্ন প্রকাশ ঘটেছে রাশিয়া বিশ্বকাপেও। নেইমার নিজেই জানিয়েছেন, শেষ আট থেকে বিদায়ের পর তিনি বিশ্বকাপে আর কোনো খেলা দেখেননি। এমনকি যে বলটা তাঁর ধ্যানজ্ঞান, সেই বলটাও দেখতে ইচ্ছে হতো না!

বেলজিয়ামের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। এরপর নেইমার স্রেফ শোক পালন করেছেন। শনিবার সংবাদ সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলের এই তারকা ফরোয়ার্ড বলেন, ‘শোক পালন করেছি। ভীষণ দুঃখ লেগেছে। তবে সেই পরিস্থিতিটুকু পার হয়ে এসেছি। আমার সন্তান আছে, পরিবার আছে আর বন্ধু-বান্ধব। ওরা কেউ আমাকে এমন নিস্তেজ দেখতে চায়নি।’

রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে ৫ ম্যাচ খেলে ২ গোল করেছিলেন নেইমার। কিন্তু তাঁর দল শেষ আটের বাধা টপকাতে পারেনি। কতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, তা বলেছেন নেইমার নিজেই, ‘এমন নয় যে আর কখনো খেলতে চাইনি, কিন্তু বলের দিকে তাকানোর ইচ্ছে হতো না। কোনো ম্যাচও দেখিনি।’

গ্রুপ পর্ব থেকে শেষ আট পর্যন্ত নেইমার বেশ ভালোই খেলেছেন। তবে ‘ডাইভ’ দেওয়ার দোষে সমালোচিতও হয়েছেন। এ নিয়ে নেইমারকে ঠাট্টা করে প্রচুর ‘ট্রল’ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কেউ কেউ তো এক কাঠি সরেস। নেইমারের এই ‘ডাইভিং’ বিতর্ক নিয়ে মজার কিছু প্রতিযোগিতাও হয়েছে কিছু দেশে। এসব নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়টির ভাবনা, ‘এগুলো রসিকতার চোখেই দেখেছি। এমনকি আমি নিজেই শিশুদের সঙ্গে এ নিয়ে মজা করে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছি।’

কিন্তু নেইমার সব সময় প্রতিপক্ষের ট্যাকলের শিকার হতে ভালোবাসেন ভাবলে ভুল হবে। পিএসজি তারকার ভাষ্য, ‘প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে ড্রিবল করাই আমার খেলা। তাঁদের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারি না “হে প্রিয়, দয়া করে পথ ছাড়ো, একটা গোল করব।” এটা মনে করছেন সব সময় ট্যাকলের শিকার হতে ভালোবাসি? না, এটা খুব কষ্টের। ব্যথা লাগে। ম্যাচ শেষে চার-পাঁচ ঘণ্টা বরফ লাগাতে হয়। এই অভিজ্ঞতা না থাকলে কখনো তা বুঝতে পারবেন না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটের বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য পটুয়াখালী ইমাম পরিষদ কর্তৃক ৩৭১৭২০/-টাকা প্রদান

ব্রাজিলের বিদায় নেইমারকে এতটা কষ্ট দিয়েছে!

আপডেট টাইম ০৬:৪৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮

রাশিয়া বিশ্বকাপে তাঁর ‘ডাইভিং’ প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, কিন্তু দলের প্রতি নিবেদন নিয়ে প্রশ্ন চলে না। সেটি দেখা গেছে চার বছর আগে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপেও। কোয়ার্টার ফাইনালে চোট পেয়ে ছিটকে পড়ার পর নেইমার কতটা মুষড়ে পড়েছিলেন! ব্রাজিলের প্রতি তাঁর এই ভালোবাসার বিষণ্ন প্রকাশ ঘটেছে রাশিয়া বিশ্বকাপেও। নেইমার নিজেই জানিয়েছেন, শেষ আট থেকে বিদায়ের পর তিনি বিশ্বকাপে আর কোনো খেলা দেখেননি। এমনকি যে বলটা তাঁর ধ্যানজ্ঞান, সেই বলটাও দেখতে ইচ্ছে হতো না!

বেলজিয়ামের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। এরপর নেইমার স্রেফ শোক পালন করেছেন। শনিবার সংবাদ সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলের এই তারকা ফরোয়ার্ড বলেন, ‘শোক পালন করেছি। ভীষণ দুঃখ লেগেছে। তবে সেই পরিস্থিতিটুকু পার হয়ে এসেছি। আমার সন্তান আছে, পরিবার আছে আর বন্ধু-বান্ধব। ওরা কেউ আমাকে এমন নিস্তেজ দেখতে চায়নি।’

রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে ৫ ম্যাচ খেলে ২ গোল করেছিলেন নেইমার। কিন্তু তাঁর দল শেষ আটের বাধা টপকাতে পারেনি। কতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, তা বলেছেন নেইমার নিজেই, ‘এমন নয় যে আর কখনো খেলতে চাইনি, কিন্তু বলের দিকে তাকানোর ইচ্ছে হতো না। কোনো ম্যাচও দেখিনি।’

গ্রুপ পর্ব থেকে শেষ আট পর্যন্ত নেইমার বেশ ভালোই খেলেছেন। তবে ‘ডাইভ’ দেওয়ার দোষে সমালোচিতও হয়েছেন। এ নিয়ে নেইমারকে ঠাট্টা করে প্রচুর ‘ট্রল’ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কেউ কেউ তো এক কাঠি সরেস। নেইমারের এই ‘ডাইভিং’ বিতর্ক নিয়ে মজার কিছু প্রতিযোগিতাও হয়েছে কিছু দেশে। এসব নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়টির ভাবনা, ‘এগুলো রসিকতার চোখেই দেখেছি। এমনকি আমি নিজেই শিশুদের সঙ্গে এ নিয়ে মজা করে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছি।’

কিন্তু নেইমার সব সময় প্রতিপক্ষের ট্যাকলের শিকার হতে ভালোবাসেন ভাবলে ভুল হবে। পিএসজি তারকার ভাষ্য, ‘প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে ড্রিবল করাই আমার খেলা। তাঁদের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারি না “হে প্রিয়, দয়া করে পথ ছাড়ো, একটা গোল করব।” এটা মনে করছেন সব সময় ট্যাকলের শিকার হতে ভালোবাসি? না, এটা খুব কষ্টের। ব্যথা লাগে। ম্যাচ শেষে চার-পাঁচ ঘণ্টা বরফ লাগাতে হয়। এই অভিজ্ঞতা না থাকলে কখনো তা বুঝতে পারবেন না।’