ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হানিমুনে এসে স্বামীকে পিটিয়ে উধাও নববধূঃ প্রেমিকসহ গ্রেফতার এক ইলিশের দাম ৫ হাজার কলাপাড়ায় গাঁজাসহ ৪ জন গ্রেফতার প্রবাসে কাজের সন্ধানে গিয়ে প্রবাসীর মৃত্যু , তিন মাসপর নিজ বাড়িতে দাফন পটুয়াখালী জেলা শাখার সোনালী অতীত ক্লাবের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ আইজিপির অবৈধ দখল বাজদের দখলে বাকেরগঞ্জের পৌর শহরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া শ্রীমন্ত নদীর দু পাশ প্রধানমন্ত্রীর ৭৬ তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছন সোনারগাঁয়ে কাঁচপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সভা ও সদস্য সংগ্রহ বাকেরগঞ্জে সোশাল ইসলামি ব্যাংকের ১৪৩ তম শাখা উদ্ভোধন

ব্যবহারকৃত তেলে রান্না স্বাস্থ্যের জন্য কতটা বিপজ্জনক?

লাইফস্টাইল ডেস্ক :  রান্নার জন্য তেল অপরিহার্য। যেকোন কিছু ভাজা থেকে শুরু করে রান্নার সব পর্যায়ে তেলের প্রয়োজন হয়। অনেকে ভাজাভাজির পর একই তেল দিয়ে আবারও রান্না করেন অপচয় থেকে বাঁচতে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যবহারকৃত তেল আবারও ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যের জন্য তা ক্ষতিকর হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ভাজার তেল দিয়ে আবারও রান্না করলে এটা থেকে ফ্রি রেডিকেল তৈরি হয় যা রোগ ছড়ায়। ফ্রি রেডিকেলগুলি সুস্থ সেলগুলোর সঙ্গে মিশে শরীরে নানাবিধ রোগ তৈরি করে। ফ্রি রেডিকেল কখনও কখনও এতটাই বিপজ্জনক হয়ে ওঠে যে এটা থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। ব্যবহারকৃত তেল আবারও ব্যবহার করলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও বেড়ে যেতে পারে ।এমনকী ধমনীতে রক্ত চলাচলও বাঁধাগ্রস্ত হতে পারে।

রান্নায় একই তেল বারবার ব্যবহার করলে অ্যাসিডিটি, হৃদরোগ, আলঝাইমার ,পারকিনসন এবং গলার নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করে।

সাধারণত ডুবো তেলে ভাজার জন্য ব্যবহৃত তেল দ্বিতীয়বার ব্যবহার করা ঠিক নয়। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে তেলটা আবার ব্যবহার করা যায় কয়েকটা বিষয়ের উপর বিবেচনা করে। যেমন- কতক্ষন এটা জ্বালানো হয়েছে, শুধু ভাজার জন্য ব্যবহার হয়েছে কি-না এবং কোন ধরনের খাবার রান্না হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে।

যদি তেলটা উন্নত ধরনের হয় তাহলে ভাজার শেষে সেটা প্রথমে ঠাণ্ডা করুন। তারপর সেটা ছেঁকে একটা এয়ারটাইট কনটেইনারে আটকে রাখুন পরে ব্যবহারের জন্য। তাহলে তেলের মধ্যে থাকা খাবারের কণাগুলো তেলটা খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট করতে পারবে না।

যদি আবার ব্যবহারের সময় তেলের রঙটা কালচে বা খুব গাঢ় দেখায় তাহলে তা ব্যবহার না করাই ভাল।

সব তেলই আলাদা। কোন কোন তেল অনেক তাপমাত্রাতেও নষ্ট হয় না। যেমন- সূর্যমুখী, সয়াবিন, রাইস ব্রান্ড, সরিষার তেল এবং ক্যানোলা তেল। অলিভ অয়েলের মতো তেল ফ্রাই করা বা উচ্চ মাত্রার রান্নার জন্য ব্যবহার না করাই ভাল।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হানিমুনে এসে স্বামীকে পিটিয়ে উধাও নববধূঃ প্রেমিকসহ গ্রেফতার

ব্যবহারকৃত তেলে রান্না স্বাস্থ্যের জন্য কতটা বিপজ্জনক?

আপডেট টাইম ০১:২০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮

লাইফস্টাইল ডেস্ক :  রান্নার জন্য তেল অপরিহার্য। যেকোন কিছু ভাজা থেকে শুরু করে রান্নার সব পর্যায়ে তেলের প্রয়োজন হয়। অনেকে ভাজাভাজির পর একই তেল দিয়ে আবারও রান্না করেন অপচয় থেকে বাঁচতে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যবহারকৃত তেল আবারও ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যের জন্য তা ক্ষতিকর হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ভাজার তেল দিয়ে আবারও রান্না করলে এটা থেকে ফ্রি রেডিকেল তৈরি হয় যা রোগ ছড়ায়। ফ্রি রেডিকেলগুলি সুস্থ সেলগুলোর সঙ্গে মিশে শরীরে নানাবিধ রোগ তৈরি করে। ফ্রি রেডিকেল কখনও কখনও এতটাই বিপজ্জনক হয়ে ওঠে যে এটা থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। ব্যবহারকৃত তেল আবারও ব্যবহার করলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও বেড়ে যেতে পারে ।এমনকী ধমনীতে রক্ত চলাচলও বাঁধাগ্রস্ত হতে পারে।

রান্নায় একই তেল বারবার ব্যবহার করলে অ্যাসিডিটি, হৃদরোগ, আলঝাইমার ,পারকিনসন এবং গলার নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করে।

সাধারণত ডুবো তেলে ভাজার জন্য ব্যবহৃত তেল দ্বিতীয়বার ব্যবহার করা ঠিক নয়। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে তেলটা আবার ব্যবহার করা যায় কয়েকটা বিষয়ের উপর বিবেচনা করে। যেমন- কতক্ষন এটা জ্বালানো হয়েছে, শুধু ভাজার জন্য ব্যবহার হয়েছে কি-না এবং কোন ধরনের খাবার রান্না হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে।

যদি তেলটা উন্নত ধরনের হয় তাহলে ভাজার শেষে সেটা প্রথমে ঠাণ্ডা করুন। তারপর সেটা ছেঁকে একটা এয়ারটাইট কনটেইনারে আটকে রাখুন পরে ব্যবহারের জন্য। তাহলে তেলের মধ্যে থাকা খাবারের কণাগুলো তেলটা খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট করতে পারবে না।

যদি আবার ব্যবহারের সময় তেলের রঙটা কালচে বা খুব গাঢ় দেখায় তাহলে তা ব্যবহার না করাই ভাল।

সব তেলই আলাদা। কোন কোন তেল অনেক তাপমাত্রাতেও নষ্ট হয় না। যেমন- সূর্যমুখী, সয়াবিন, রাইস ব্রান্ড, সরিষার তেল এবং ক্যানোলা তেল। অলিভ অয়েলের মতো তেল ফ্রাই করা বা উচ্চ মাত্রার রান্নার জন্য ব্যবহার না করাই ভাল।