শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১১:০১ অপরাহ্ন

বেশি বেশি কর্মশালার মাধ্যমে দক্ষ গণমাধ্যমকর্মী সৃষ্টি করতে হবে “বন্দর ইউএনও পিন্টু বেপারী”

স্টাফ রিপোর্টার: বন্দরে ‘গণমাধ্যমে বাঙলা ভাষা ব্যবহার’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক দিনের সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় বন্দর উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে এ প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়। গনমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে দিনভর কর্মশালায় প্রশিক্ষন প্রদান করেন বাংলাদেশ মিডিয়া ইনস্টিটিউট সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল মুহাম্মদ আবু হানিফ খান। এতে প্রধাণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিন্টু বেপারী। মিডিয়া ভিশন কালচারাল একাডেমীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাব্বির আহমেদ সেন্টুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কদমরসুল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল আহমদ হালিম মজহার,শিক্ষাবিদ এম কবির ইউ চৌধূরী,দৈনিক মানব জমিন পত্রিকার স্টাফ রির্পোটার বিল্লাল হোসেন রবিন,রেডিও নারায়ণগঞ্জ’র ইনচার্জ ইসলাম উদ্দিন,বন্দর থানার পরিদর্শক(তদন্ত) হারুনুর রশিদ,দৈনিক বিজয় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আনোয়ারুল হক,রেডিও নারায়ণগঞ্জের ইনচার্জ মোঃ ইসলাম উদ্দিন,নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমী’র অভিনয় প্রশিক্ষক আবু হানিফা মাসুম প্রমূখ। পরিশেষে ৩৫জন প্রশিক্ষণ প্রার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়। প্রধাণ অতিথি’র বক্তব্যে পিন্টু বেপারী বলেন,কর্মশালা মানেই দক্ষতা। সাংবাদিকতায় যে যত জানবে সে ততো ভাল করতে পারবে। বেশি বেশি কর্মশালার মাধ্যমে দক্ষ গণমাধ্যমকর্মী সৃষ্টি করতে হবে। কর্মশালা হলে আর যাই হোক অন্তত সঠিক শিক্ষার্জণ করা যায়। তিনি আরো বলেন,সাংবাদিকতা খুব মহৎ পেশা। আমার ঘরের মানুষেরও এ পেশার উপর ডিগ্রী নেয়া আছে। কাজেই এ পেশার প্রতি অনেকটা ধারণা রয়েছে। তবে একটি বিষয় পরিস্কার পেশাকে কলুষিত করা যাবেনা। অতিরঞ্জিত কিছু করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সম্প্রতি একটি ঘটনার কথাই বলা যায় যেখানে আমি কোন বক্তব্য দেইনি সেখানে আমার বক্তব্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। যা খুবই হাস্যকর। এ ধরণের সংবাদ পরিবেশন থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। বন্দরে অবৈধ মশার কয়েল কারখাঁনার বিষাক্ত বর্জ্যে মৎস খাঁমারের ৫লক্ষ টাকার মাছ নিধণ স্টাফ রিপোর্টার: বন্দরে মশার কয়েল কারখাঁনার বিষাক্ত বজ্রে মৎস খাঁমারের পাঁচ লক্ষ টাকার মাছ নিধণ করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকায় অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা সাব্বির ক্যামিকেল নামে একটি মশার কয়েল কারখাঁনার কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে। বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের গকুলদাশের বাঁগ এলাকার আলহাজ্ব আমিজুদ্দিন মৎস খামারে এ ঘটনাটি ঘটে। তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গকুলদাসের বাগ আলহাজ্ব আমিজুদ্দিন মৎস খামারের পাশেই অবৈধ ভাবে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন বিহীন একটি মশার কয়েল কারখাঁনা গড়ে তুলেন আমির হোমেন। তারই কয়েল কারখাঁনার বিষাক্ত বর্জ্যরে কারনে মাছ নিধন হওয়াসহ পরিবেশ বিপর্যয় হওয়ার অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপরে মৎস খামারের মালিক নূর হোসেন গনমাধ্যমকে জানান, এই মশার কয়েল কারখাঁনার লোকজন সোমবার দিবাগত রাতে আমার মৎস খামারে বিষাক্ত বজ্র ফেলে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার মাছ নিধন হয়েছে। ইতিপূর্বেও ওই কয়েল কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যরে কারনে আমার মৎস খামারের অনেক বড় ক্ষতি হয়েছিল। বিষয়টি তাদের একাধিকবার জানিয়েও কোন সাড়া পাই নাই। এ ঘটনায় স্থানীয়রা এই অবৈধ মশার কয়েল কারখাঁনার অর্থলোভী মালিকের হাত থেকে পরিবেশ দুষণকে রক্ষা করতে অনতিবিলম্বে ওই কয়েল কারখাঁনা বন্ধের দাবীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতণ কর্মকর্তাার হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar