বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন

‘বেশি পাস করলেও অপরাধ, কম পাস করলেও অপরাধ’

তিন বছর ধরে নিম্নমুখী পাসের হার। ক্রমাগত কমছে সর্বোচ্চ জিপিএ। এর কারণ কী?- এমন প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘আগে বেশি পাস করতো বলা হতো ভালভাবে খাতা দেখা হয়নি। আবার এখন কম পাস করেছে এখন বলা হচ্ছে পাসের হার কমে গেল কেন?’

‘বেশি পাস করলেও অপরাধ, কম পাস করলেও অপরাধ। আসলে আমরা এটা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে খাতা দেখার মান ঠিক রাখতে গিয়ে পাসের সংখ্যা কিছুটা কম হবে এটা স্বাভাবিক।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমানের আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা মানসম্মত শিক্ষার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তাই পাসের হার কমলেও সকল খাতা যাতে সঠিকভাবে মূল্যায়ন হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। খাতা সঠিকভাবে মূল্যায়ন হবে- এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষা নিয়ে আমাদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল, অথচ বিজ্ঞানে এবার গত বারের তুলনায় ২৪ হাজার ৫৫১ জন পরীক্ষার্থী বেশি অংশগ্রহণ করে এবং গতবারের চেয়ে ১০ হাজার ৮৫৮ জন বেশি পাস করেছে। বরাবরের মতো এবারও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এবার ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি পাস করেছে। পাসের হার কমলেও পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি জানান, কেউ পাস করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ৫৫টি। গত বছর ৭২টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছিল। এবার শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০০টি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৫৩২টি।

বিদেশি সাতটি কেন্দ্রে এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্যে পাস করেছে ২৬৩ জন, পাসের হার ৯২ দশমিক ২৮, তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন পরীক্ষার্থী।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar