শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৮:১৫ অপরাহ্ন

প্রবাসী জীবনের মূল্য সাত লক্ষ টাকা মতলবের মধ্যে সংবিধান আছে, আইনের শাসন নেয় ,মজার বিষয় হলো থ্যাঙ্ক ইউ।

স্বাধীনবাংলানিউজ টিভি রিপোর্টারমোঃতপছিলহাছানঃ কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলা ১৩ নং পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বাজার খোলা ৮ নং ওয়ার্ডের মোঃ আশ্রাফ হোসেন সরকারেরে একমাত্র সন্তান প্রবাসী মৃত মোঃ আরিফ হোসেন (৩০) সিঙ্গাপুর প্রবাসীর দুই মাসের জন্য ছুটিতে দেশে আসে,নাকের পলিপাশের চিকিৎসার জন্য ছুটিতে বাংলাদেশে আসেন।দেশে আসার পরে চাঁদপুর মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর টাওয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়বেটিস তমা স্টার,নারায়নপুর এই পজিষ্টানের দালাল চক্রের মারদমে ২৮,০৬.২০১৯,ইং তারিখে শুক্রবার আনমানিক এক যটিকার সময় আসেন,কিন্তু ডাক্তার মহিবুর রহমান শাহাদাত,একটু ভুল পলি পাস অপারেশন অজ্ঞান করার জন্য এ্যানেষ্টিশিয়া দেওয়ার ৫,পাঁচ মিনিটের জন্য ইংলিশ সান তিনি ফুশকরেন ডাক্তার মহিবুর রহমান শাহাদাত.পবাশী আরিফ হোসনের মৃত্যু হয়,পরবর্তীতে মৃত ব্যক্তিকে ঢাকা রেফার করে দেন। সন্তানের মুল্লো সাত লক্ষো টাকা  এবং দালাল চক্রের দের তিন লক্ষো টাকা দালালী দেন।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়,বাজার খোলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ছেলের লাশের পাসে চেয়ারে বসে মৃত আরিফ হোসেনের পিতাঃমোঃ আশ্রাফ হোসেন সরকার তাহার চোখের জলের বেজা মুখে বলেন,আমার মুখে পরকাশ করিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে,আমার সভ লোক এলাকার প্রভাবশালী জামাল চেয়ারম্যান বাড়িতে বসে দুই পক্ষের সঙ্গে সাত লক্ষো টাকা রূপা ধাপা করে দেন, মৃত আরিফ হোসেনের পিতা বলেন যে পরিবারের হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুতি চলছে বলে জানান।
কিন্তু এই মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় মোঃ আশ্রাফ হোসেন বলেন বাবা-মা মামলার দায় করার জন্য প্রস্তুতি ছিলো কিন্তু সেখানে ডাক্তার মহিবুল রহমান (শাহাদাতের) মহিলা দালাল ও এলাকার পুরুষ দালাল চক্রের কারণে তাঁদের মধ্যে মিলে দেন, কিন্তু সেখানে মানুষকে সচেতন করে দেন কেউ কোনো বিষয় জিগ্যেসা বাদ করিলে নিষেধ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান জামাল মৃত আরিফ হোসেনের জীবনের মুল্লো রায় দেন (৭) সাত লক্ষ টাকা জরিপানা করার হয়েছে।তার পরে দালাল চক্র দের ধামাচাপা দেওয়াতে দুই পক্ষের মধ্যে(৩) তিন লক্ষো টাকা দিয়ে দেন।মৃত আরিফ হোসেনের পিতাঃ মোঃ আশ্রাফ হোসেন অভিভাবক কালো টাকার বান্ডেল দেখিয়া নিরব করে ফেলায় দালাল চক্ররা।তাহলে কি একজন প্রবাসী জীবনের মূল্য (৭) সাত লক্ষ টাকা।
জীবন কখনোই সুখকর হয় না,তবু মানুষ প্রবাসী হয়,পরিবারের মানুষগুলোকে একটু ভালো রাখার আশায়।এদের স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব নিয়ে এরা পাড়ি জমায় প্রবাস নামের যাত্রা শুরু  করেন।প্রবাসী হওয়া এই সকল মানুষগুলোর কাঁধে একটি নয় দু’টি নয় গোটা পরিবারের স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব নিয়ে থাকে। যে প্রবাসী চিন্তা করে নিজের পিতা মাতার জন্য আর্তিয় সজন সকল  সদস্যদের প্রতি সততার সঙ্গে ভালোবেসে যায় স্বপ্নকে বিশেযৌন দিয়ে নজর দৃষ্টি  রাখতেন। আর সেই পিতা ছেলের মৃত্যু কেন্দ্র করে সন্তানের পতি খেয়াল না রেখে ছেলের লাশ বিক্রি করে দেন,তাহলে কি কালো টাকার বিনিময়ে ছেলের বিচার না চেয়ে সন্তান কে বিক্রি করে দিলেন সমাজের মধ্যে এ-ই প্রথম দেখতে পাই সমাজের মধ্যে এইরে কুম পিতা দেখা মিল্লো।
কিন্তু একজন প্রবাসীর উপর ভরসা করে গোটা একটা পরিবার স্বপ্নের পশরা সাজায়। আর  এভাবেই এপাড়ে ভরসা করে অদক্ষতা একজন ডাক্তার মহিবুল রহমান শাহাদাত মিল্লো সব ভুলের চিকিৎসকের দেখা মিল্লো, প্রবাসীর রক্তের  কামানো কাকাকে,নতুন  গায়েস করে কালো টাকা আয়ের  স্বপ্নের জাল মিলাইতে গিয়ে জীবন নিয়ে ফেললো। এরকম হাজারও দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জন্মভূমি ও জননীকে ছেড়ে অচেনা অজানা এক দেশে পাড়ি দিয়ে চলে গেছেন।ডাক্তার  মহিবুল রহমান (শাহাদাত) তিনি ডায়াবেটিস এম বি এস ডাক্তার তিনি কি বাবে সবরুগের চিকিৎসা দেন,তিনি খুঠির জুড়ে সমাজের মধ্যে ইচ্ছা কিতো বাবে চাইলে ও অনেকেই তা ভুল চিকিৎসা  করতে পারেন না।
এই  কারণে মৃত ব্যক্তির দের পরি বারের আমরা হয়ত কখনো ভেবেও দেখি না, যে একজন প্রবাসীর মৃত্যুর পর তার পরিবারের কি হাল অবস্থা হয়। হয়তো কোনো বিষয়ে এই দিক আমরা খুব স্বাভাবিক ভাবেই চিন্তা করি না মনে, করি সবাইকেই তো একদিন মরতে হবে তাহলে এ আর এমন কি চিন্তা করি আমরা কখনো এই ভাবে দেখিনি যে একজন প্রবাসীর মৃত্যু শুধু একটি মানুষে মৃত্যু, মৃত্যু হয় গোটা একটি পরিবারে।
কতটা ভরসা করে কতটা স্বপ্ন বুনে মা তার ছেলেকে বিদেশ পাঠায়, কত কষ্ট চেপে বুকে একজন মা নিজের সন্তানকে দূরে রাখে তা কি আমরা কখনো ভেবেছি? যে মানুষটি আজ একটু ভুলে সবরুগের চিকিৎসার জন্য পবাসির পরিবারের লোকজন দের সংসার বরট যায়গা খালি করে দিলেন,শুধু একটু ভুল পলি পাস অপারেশন কর্তেগিয়ে অজ্ঞান করার জন্য এ্যানেষ্টিশিয়া দেওয়ার ৫,পাঁচ মিনিটের জন্য ইংলিশ সান তিনি ফুশকরেন,ডাক্তার মহিবুব আলম(শাহাদাত) ভুল অপরেশন করাতে গিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত চিকিৎসা দেওয়াতেই মায়ের কোল খালি করে দিলেন জীবন নিয়ে গেলো অবোসেষে প্রবাসী আরিফ হোসেনের মৃত্যু।
মানুষের তিনটি সবচেয়ে প্রয়োজনীয় হলো, নাক, কান ও গলা এ তিনটি মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এর যে কোনো একটি আক্রান্ত হলে সমস্ত শরীরটা অসুস্থ হয়ে পড়ে। নাকের পলিপাস এক বা উভয় নাকের ভেতর হতে পারে।ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ রেগুলেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৮২’ অনুযায়ী যেকোনো ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিকেল ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট, ইনকাম ট্যাক্স (টিআইএন) ছাড়পত্র, প্রতিষ্ঠানের শয্যাসংখ্যা অনুসারে প্রকার, বর্গফুট অনুসারে প্রতিষ্ঠানের পরিমাণ, ইনডোর, আউটডোর ও ভৌত সুবিধাদি-জরুরি বিভাগ, ওটি, ওয়াশরুম, লেবার রুম, অপেক্ষাকক্ষ, অফিসকক্ষ, প্রশস্ত সিঁড়ি, জেনারেটর, পোস্ট অপারেটিভ রুম, ইনুস্ট্রমেন্ট রুম, অভ্যর্থনা রুম, স্ট্যাভিলাইজার, চেঞ্জিং রুম, নার্সদের ডিউটিকক্ষ, অস্ত্রোপচার কক্ষের সুবিধা (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ, ওটি টেবিল, সাকার মেশিন, জরুরি ওষুধের ট্রে, অক্সিজেন, ওটি লাইট, অ্যানেসথেসিয়া মেশিন, ডায়াথার্মি মেশিন, রানিং ওয়াটার, আইপিএস), যন্ত্রপাতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা, সার্বক্ষণিক ডাক্তার-নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের নাম-ঠিকানা, যোগ্যতার সনদপত্র, নিয়োগপত্র, জরুরি অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রপাতি ও ওষুধ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও এ্যাম্বুলেন্স থাকা অত্যাবশ্যক।
কিন্তু যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠান কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছে না। বৈধ ও অবৈধভাবে গজিয়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশতেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, প্রশিক্ষিত ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও টেকনিশিয়ান এবং যন্ত্রপাতি নেই। যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ফলে সাধারণ রোগীরা চরমভাবে বিভ্রান্ত ও ভুল চিকিৎসার শিকার হচ্ছেন। সুচিকিৎসার পরিবর্তে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে গিয়ে অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছেন তারা। সঙ্গে সঙ্গে দালালের খপ্পরে নারায়ণপুর টাওয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াবেটিস ও ট্রমা সেন্টার,এবং শাকিব ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল, এই দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে  একের পড়ে অনেকেই সেবা নিতে এসে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। আবার প্রতিটি ক্লিনিকে একই ডাক্তারের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বড় বড় বিজ্ঞাপন দিয়ে রোগীদের আকৃষ্ট করে সেবার নামে প্রতারণা করছে প্রতিষ্ঠানগুলো।
চাঁদপুর মতলব দক্ষিণ উপজেলার সস্তা ক্লিনিক এবং জেলার সহকারি  সিভিল সার্জন ডাক্তার মাহাতাবুর রহমান,তিনি যে কোনো বিষয়কে তুচ্ছ মনে করে কিন্তু বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনিয়মেন বিষয়গুলো  পত্রিকাতে প্রকাশ করিলে বলে শুধু থ্যাঙ্ক ইউ, যদি ভালো জিনিসও লেখালেখি করি ও খারাপ প্রকাশ করিলে বলা হয় থ্যাঙ্ক ইউ, তিনি ভালো একজন মেধাবী ডাক্তার,কিন্তু আমাদের মতলবের মাটির ও মানুষের অহংকার.কিন্তু মতলব দক্ষিণ উপজেলার মধ্যে ব্যাঙের ছাতার মতন বিভিন্ন ইউনিয়নের মধ্যে ভুয়া হাসপাতাল ডেন্টাল কেয়ার ভুয়া ডাক্তার বিগত  বছরের মধ্যে কাজ করিতে দেখা যায়নি.অবশেষে প্রবাসী আরিফ হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি তদন্তে রেখেছে বহল তাগীত .যদি সমাজের মধ্যে এ ধরনের চিকিৎসকের আইনের আওতা যদি না আনা হয় .তাহলে মতলবের মাটিতে কত মা-বোনের জীবন কেড়ে নেয় কিন্তু খুবই ঝুঁকিপূর্ণ আমাদের এই মতলব।
নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar