ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ২০ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নবীনগরে ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনে চোখের পলকে বাস্তুহারা ৩০ পরিবার, ইউএনওর সহায়তা- নিয়ামতপুরে ইউনিয়ন ছাত্র লীগের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত। হারিয়ে যাওয়া ল্যাপটপ, নগদ ৫০ হাজার টাকা (সিএমপি) চকবাজার থানার পুলিশের সহায়তায় ফিরে পেয়ে আবেগ আপ্লুত, ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ফরহাদ, আনোয়ারার প্রান্তে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল দেখতে পর্যটকের ভিড় দেখা হলনা হাট পথেই মৃত্যু বেপারীর বিশিষ্ট সাংবাদিক মো. সাইফুল ইসলাম রণি’র ৩৮ তম জন্মদিন আজ ইউএসটিসি ছাত্রদলের ৫ সদস্যের আহবায়ক কমিটির ৩ সদস্যের পদত্যাগ। পবিপ্রবিতে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদিত তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস মাছের নিলাম অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন লক্ষ্মীপুরে পুলিশের নায়েক থেকে সহকারী উপ পরিদর্শক হলেন ৬ জন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সাড়ে ৩ ঘণ্টার সংলাপ শেষ

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক:  আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের মধ্যে সাড়ে ৩ ঘণ্টা সংলাপ হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গণভবনে সন্ধ্যা সাতটার দিকে সংলাপ শুরু হয়ে শেষ রাত সাড়ে ১০টায়।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের ২৩ নেতা সংলাপে অংশ নেন। অপরদিকে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২১ নেতা সংলাপে অংশ নেন।  বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় এই সংলাপ শুরু হয়।

সন্ধ্যা সাতটার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপ কক্ষে ঢুকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর সংলাপের শুরুতেই সূচনা বক্তব্য দেন তিনি। সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার টানা ৯ বছর ১০ মাস ধরে ক্ষমতায়। দিন বদলের যে সূচনা তাঁরা করেছেন, সেই দিন বদল হচ্ছে। একে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বলেন, আজকে আপনারা এসেছেন গণভবন ও জনগণের ভবনে, গণভবনে আপনাদের স্বাগত জানাই। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য আর্থসামাজিক উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছি এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে গণতন্ত্র অব্যাহত রেখেছি। বাংলাদেশের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে আজকের এই আলোচনা বিরাট অবদান রাখবে বলে মনে করি।

সংলাপের জন্য জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি
১. অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারের পদত্যাগ। জাতীয় সংসদ বাতিল, আলোচনা করে নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দীর মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।
২. নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন ও নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার নিশ্চয়তা দেওয়া।
৩. কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন, সামাজিক গণমাধ্যমে মতপ্রকাশের অভিযোগে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি দিতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা।
৪. ব্যক্তি, সংবাদপত্র, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
৫. নির্বাচনের ১০ দিন আগে থেকে নির্বাচনের পর সরকার গঠন পর্যন্ত বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া।
৬. নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা। গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ না করা।
৭. তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চলমান সব রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগরে ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনে চোখের পলকে বাস্তুহারা ৩০ পরিবার, ইউএনওর সহায়তা-

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সাড়ে ৩ ঘণ্টার সংলাপ শেষ

আপডেট টাইম ০৭:২৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক:  আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের মধ্যে সাড়ে ৩ ঘণ্টা সংলাপ হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গণভবনে সন্ধ্যা সাতটার দিকে সংলাপ শুরু হয়ে শেষ রাত সাড়ে ১০টায়।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের ২৩ নেতা সংলাপে অংশ নেন। অপরদিকে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২১ নেতা সংলাপে অংশ নেন।  বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় এই সংলাপ শুরু হয়।

সন্ধ্যা সাতটার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপ কক্ষে ঢুকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর সংলাপের শুরুতেই সূচনা বক্তব্য দেন তিনি। সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার টানা ৯ বছর ১০ মাস ধরে ক্ষমতায়। দিন বদলের যে সূচনা তাঁরা করেছেন, সেই দিন বদল হচ্ছে। একে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বলেন, আজকে আপনারা এসেছেন গণভবন ও জনগণের ভবনে, গণভবনে আপনাদের স্বাগত জানাই। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য আর্থসামাজিক উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছি এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে গণতন্ত্র অব্যাহত রেখেছি। বাংলাদেশের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে আজকের এই আলোচনা বিরাট অবদান রাখবে বলে মনে করি।

সংলাপের জন্য জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি
১. অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারের পদত্যাগ। জাতীয় সংসদ বাতিল, আলোচনা করে নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দীর মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।
২. নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন ও নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার নিশ্চয়তা দেওয়া।
৩. কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন, সামাজিক গণমাধ্যমে মতপ্রকাশের অভিযোগে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি দিতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা।
৪. ব্যক্তি, সংবাদপত্র, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
৫. নির্বাচনের ১০ দিন আগে থেকে নির্বাচনের পর সরকার গঠন পর্যন্ত বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া।
৬. নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা। গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ না করা।
৭. তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চলমান সব রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা।