বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ মশিউর রহমান/টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভিভাবক বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সুনির্দিষ্ট কিছু স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে ২ নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টায় এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধারা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সাবেক জেলা কমান্ডার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সম্পাদক মণ্ডলীর সাবেক সদস্য কোম্পানি কমান্ডার খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি। অনুষ্ঠানের সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, ২০ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা দেয়ায়, দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই সভার মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কিছু অপূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করি। বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নগুলো হলোঃ যথাশীঘ্র সম্ভব বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করি। সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে গেজেট প্রকাশ করে পরিচয় পত্র প্রদান এর মাধ্যমে সর্বক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় সম্মানের ব্যবস্থা করা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা ৪০ হাজার টাকা করার ব্যবস্থা করা। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নিজ নিজ বসতভিটায় সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় খরচে মানসম্মত বাসস্থানের ব্যবস্থা করা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রেশনের সু-ব্যবস্থা করা। সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিনা সুদে ৩০ লক্ষ টাকা ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সরকারি খরচে সরকারি/বেসরকারি হাসপাতালে সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের খাজনা-ট্যাক্স, পৌরকর, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির বিল মওকুফ করে দেয়া। যানবাহনে বিনা ভাড়ায় যাতায়াতের সুব্যবস্থা করা। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল করা। বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে যথাশীঘ্র সম্ভব সরকারি খরচে পবিত্র হজ্বব্রত পালনের ব্যবস্থা করা।
১ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের ঘোষণা দেওয়া। চার বারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান অকুতভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মৃত্যুর পূর্বে একটু সুন্দর জীবনযাপন এর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিশ্বাস করি।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar