সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ১২:২৩ অপরাহ্ন

পবত্রি কুরবানীর ইতহিাস গুরুত্ব ও মহাত ড. মোঃ রুহুল আমীন খান অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোরলেগঞ্জ লতফিয়িা ফাজলি মাদরাসা

কুরবানী শব্দটি আরবী কুরবান শব্দ থকেে গঠতি। আর কুরবান শব্দটি কুরবাতুন শব্দ থকেে উৎপন্ন।
আরবী “কুরবাতুন” এবং কুরবান উভয় শব্দরে শাব্দকি র্অথ নকিট র্বতী হওয়া, কারো নকৈট্য র্অজন করা
প্রভৃত।ি
ইসলামী পরভিাষায় কুরবান ঐ বস্তুুর নাম যা দ্বারা আল্লাহ তায়ালার নকৈট্য র্অজন করা যায়।
র্বতমানে আমাদরে নকিট কুরবানীর জানোয়ারকইে বশিষে ভাবে কুরবান বলা হয়। সুতারং যবহে কৃত জন্তু কইে
কুরবান বলা হয়। যা লোকরো আল্লাহর নকৈট্য লাভরে জন্য উপস্থাপন করতে থাক।ে
উপমহাদশেে কুরবানী বলতে বুঝায় জলিহজ্জ মাসরে ১০ম থকেে ১২বা ১৩ তারখি র্পযন্ত আল্লাহর নকৈট্য
লাভরে উদ্দশ্যে উট, গরু, বকরী ও ভড়ো প্রভৃতরি মধ্যে হতে কোন এক জন্তু কে নহর বা যবহে করা।
কোরানে কুবানীর পরর্বিতে কুরবান শব্দটি মোট ৩ জায়গায় ব্যবহৃত হয়ছে।ে যমেন- সুরা আল ইমরান আয়াত
-১৮৩ সুরা মায়দোহ আয়াত ২৭ সুরা আহকাফ আয়াত ২৮ হাদীস শরীফে কুরবানী শব্দটি ব্যবহার না হয়ে তার
পরর্বিতে উদহয়্যিাহ এবং যাহয়্যিাহ, প্রভৃতি শব্দ ব্যবহৃত হয়ছে।ে এ জন্য কুরবানীর ঈদকে ঈদুল আযহা বলা
হয়। র্ফাসী , হন্দিি ও র্উদুতে আরবী কুরবান শব্দটি কুরবানী র্অথে ব্যবহৃত হয়। বাংলায় মুসলমানগন বশিষে
ভাবে কুরবানী শব্দটরি সাথে খুবই পরচিতি।
পৃথবিীর ইতহিাস র্পযালোচনা করলে জানা যাবে য,ে কুরবানী কবে থকেে চালু হয় এ সর্ম্পকে মহাগ্রন্থ
আলকুরআনে ঘোষনা আছে য,ে “আর আমি প্রত্যকে উম্মতরে জন্য কুবানীর নয়িম করে দয়িছেি যনে তাদরেকে
জীবনোপ করন স্বরূপ যসেব চতুস্পদ জন্তু দয়িছেনে, সে গুলোর উপর যনে তারা আল্লাহর নাম উচ্চারন করে
তোমাদরে প্রভু এক ইলাহ। সুতারং তোমরা তারই নকিট আতœসর্মপন কর এবং সুখবর দাও ঐ সব
বনিীতদরেকে “(সুরা আল হজ্জ আয়াত ৩৪) আল্লামা নাসাফী ও যামখশারী বলনে হযরত আদম (আঃ) থকেে
শুরু করে হযরত মুহম্মদ (সাঃ) র্পযন্ত প্রত্যকে জাতকিে আল্লাহ তায়ালা তার নকৈট্য লাভরে জন্য কুরবানীর
বধিান দয়িছেনে। পবত্রি কুরআনরে সুরা মায়দোহ এর ৮ম রুকুতে পৃথবিীর প্রথম মানুষ আদি পতিা হযরত আদম
(আঃ) তার দুই পুত্র কাবলি ও হাবলিরে কুরবানীর র্বননা রয়ছে।ে পৃথবিীর ইতহিাসে এটাই প্রথম কুরবানী।
মুফাসসরিে কুরআন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলনে আদম (আঃ)ও মা হাওয়ার র্গভে
তৎকালীন জোড়া জোড়া সন্তান জন্ম হতো একজন ছলেরে সাথে একজন ময়েে এই ভাবে চলে আসতছেলি কবেল
মাত্র শীষ (আঃ) ব্যতীত। এবং বধিান ছলি যে এক জোড়ার ছলেরে সাথে অন্য জোড়ার ময়েরে বয়িে দতিনে।
তারই ধারাবাহকিতায় কাবীলরে সাথে সুন্দরী ময়েে জন্ম গ্রহন করনে যার নাম ছলি ইকলীমা এবং হাবলিরে সাথে
জন্ম গ্রহণ করনে লয়িুযা, বধিান মোতাবকে কাবীলরে ববিাহ হবে লয়িুযার সাথে আর হাবলিরে ববিাহ হবে
ইকলীমার সাথ।ে কন্তিু ইকলীমা ছলি একটু সুন্দরী। কাবলি এই বধিান কে মানতে অস্বীকার করল এবং উদ্যত
হয়ে হাবলি কে হত্যা করল, পরে আল্লাহর নর্দিশেে উভয় কোরবানী করল। হাবলিরে কুরবানী কবুল হল আর
কাবলিরে কুরবানী কবুল হলনা। তাই আদম (আঃ) এর দুই পুত্র কাবীল ও হাবলিরে কুরবানীর পর থকেে

ইব্রাহীম (আঃ) র্পযন্ত কুরবানী চলতে থাক।ে (সুরা আল হজ্জ-৩৪) এ বষিয়রে প্রতি ইঙ্গতি করছে।ে র্বতমানে
আমাদরে উম্মতে মুহাম্মদীর মধ্যে যে কুরবানী বধিান চালু আছে তা হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর নজি পুত্র
ঈসমাইলকে কুরবানী করার সাথে সংশ্লষ্টি।

হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তার প্রয়ি পুত্র হযরত ইসমাইল (আঃ) কে কুরবানী দয়িে যে মহান আর্দশ উপস্থাপন
করছেলিনে সে প্রাচীন ঐতহ্যিবাহী স্মৃতি নয়িে প্রতি বছর আমাদরে সামনে হাজরি হয় “ঈদুল আযহা” বা
কুরবানীর ঈদ।এ কুরবানী সর্ম্পকে একদা মহানবী (সাঃ) কে তার কতপিয় সাহাবায়ে করোম জজ্ঞিাসা করলনে
(ইয়া রাসুলুল্লাহ মা-হা-যহিলি আদা-হী) র্অথ হে আল্লাহর রাসুল কুরবানী কি জনিসি ? তনিি বলনে (সুন্নাতু
আবীকুম ইব্রাহমি (আঃ) ) র্অথ এটা তোমাদরে পতিা ইব্রাহীম (আঃ) এর আর্দশ। এবার তারা বললনে এতে
আমাদরে উপকার ক?ি তনিি বললনে কুরবানীর জানোয়াররে প্রত্যকে চুলরে পরর্বিতে তোমরা একটি করে নকেী
লাভ করবে (ইবনে মাজাহ, মশিকাত , মুসনাদে আহমদ)
বশ্বি নবীর এই হাদীস অনুযায়ী এবং যারা র্ধমীয় বষিয় নয়িে একটু চন্তিা গবষেনা করনে তাদরে মাথায়
একটি প্রশ্ন উদয় হতে পারে যে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর মধ্যে এমন কি গুন ও বশৈষ্ট্যি ছলি যে যার ফলে
মহান আল্লাহ তার আর্দশকে কয়িামত র্পযন্ত জীবন্ত ও প্রানবন্ত করে রাখলনে ? উম্মতে মুহাম্মাদীর জন্য ঐ
আর্দশকে আনন্দ ও খুশরি উৎসে পরনিত করলনে। যুগে যুগে অনকে নবী আগমন করছেনে মানব জাতরি
হদোয়তেরে জন্য কন্তিু কারো আর্দশই এ সম্মান ও র্মযাদা পানন।ি
হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ব্যবলিনরে একটি জায়গা ছলি ‘উর’ যাহা র্বতমান নাম ইরাক সখোনে তনিি
জন্ম গ্রহন করনে। তাঁর জাতি শক্ষিা দীক্ষায় উন্নত হলে ও তারা সবাই চাঁদ, র্সুয, তারকা, প্রতমিার পুজারী
মুশরকি ছলি। আর তাদরে পুরোহতি ছলিনে আযর। এ মুশরকি আযররে ঘরে জন্ম গ্রহন করে ছলিনে একত্ববাদী
হযরত ইব্রাহীম (আঃ)। আর ইব্রাহীম (আঃ) যখন উপলদ্ধি করলনে যে তাঁর পতিা ও আতœীয় স্বজন সহ
সমস্ত দশেবাসী তাঁর একত্ব বাদরে বানী গ্রহন করতে কোন মতইে রাজী নয় তখন তনিি স্বীয় ঘর বাড়ী, ধন-
সম্পত্তি ও স্বীয় মাতৃভুমি সহ সব কছিু বর্সিজন দয়িে তার সহ র্ধমনিী সারা ও ভাইপো লুত (আঃ) কে সাথে
নয়িে সরিয়িায় হযিরত করলনে। এবং দশেবাসীকে বললনে আমি তো আমার প্রতপিালকরে দকিে চললাম তনিইি
আমাকে গন্তব্যে পৌছয়িে দবিনে (সুরা আল সাফফাত ৯৯) তখন তার বয়স হয়ছেলি ৭৫ বছর পৃথবিীর ইতহিাসে
তনিইি প্রথম আল্লাহর রাস্তায় হজিরত করনে। পথমিধ্যে ববিি সারার উপর পাশবকি হামলার চষ্টো হলো। কন্তিু
মহান আল্লাহর করুনায় মুসবিতরে সে মঘে কটেে গলে এবং প্রতি ফল স্বরূপ তনিি একটি তুহফা ববিি হাজরোকে
উপহার দলিনে। পরে তাকে তনিি স্বীয় র্অধাঙ্গীনীরূপে গ্রহন করনে। এভাবে ৮০ বছর চলে গলে। ইব্রাহীমরে ঘরে
কোন সন্তান জন্ম হয়ন।ি তাই তনিি আল্লাহ তায়ালার দরবারে র্প্রাথনা করলনে অনুনয় বনিয় করে বললনে হে
আমার প্রতি পালক আমাকে একটি সু পুত্র দান করুণ (সুরা সফফাত-১০০) ফরয়িাদ গ্রহন করে অত:পর
আল্লাহতাকে একটি “ধর্য্যৈশীল পুত্ররে সুসংবাদ দান করনে (সুরা সফফাত-১০১) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর ঘরে
একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করলনে। যার নাম রাখা হইল ঈসমাইল। তখন ইব্রাহীমরে বয়স হয়ছেলি ৮৬
বছর। অন্যদকিে আল্লাহ রব্বুল আলামীনরে পক্ষ থকেে আবার পরীক্ষার ধারা শুরু হলো। হযরত ইব্রাহীম (আঃ)
কে আল্লাহ তায়ালা ৭টি বষিয় কহে বলনে ৭০টি আবার কহে বলনে ৭০০ বষিয় সর্ম্পকে পরীক্ষা করা হলো কন্তিুু
হযরত ইব্রাহীম (আঃ) প্রত্যকেটি বষিয় উর্ত্তীন হলনে। হযরত ঈসমাইল (আঃ) এর বয়স যখন ৭ বছর কউে
বলনে ১৩ বছর র্অথাৎ পতিার সাথে চলা ফরোর বয়সে উপনীত হয়ছেনে। এমন সন্তান কে কুরবানী করা অনকে
কঠনি ব্যাপার। কন্তিু হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কে স্বপ্নে হুকুম দয়ো হলো য,ে তুমি তোমার কলজিার টুকরা
ঈসমাইলকে আল্লাহর রাস্তায় উৎর্সগ কর। এ স্বপ্ন তনি পরপর তনি রাত্র দখেলনে।

যলিহজ্জ মাসরে রাত্রে তনিি র্সব প্রথম স্বপ্ন দখেলনে যে একমাত্র পুত্রকে নজি হাতে যবহে করছেনে। স্বপ্ন
দখোর পর ঐ দনি সকাল থকেে সন্ধ্যা র্পযন্ত তনিি চন্তিায় বভিোর যে আল্লাহর পক্ষ থকেে সুস্বপ্ন না দুঃস্বপ্ন,
অতঃপর ৯ম রাতে তনিি ঐ একই স্বপ্ন দখেনে তখন তনি বুঝতে পারনে যে আল্লাহর পক্ষ থকেে একটি সত্যকিার
স্বপ্ন। তার পর ১০ম রাত্রে আবার ঐ একই স্বপ্ন । তাই ঐ দনিে তনিি কুরবানী করতে উদ্যত হন পরপর ৩
রাত স্বপ্ন দখোর পর তার মনে যে প্রতক্রিয়িা সৃষ্টি হয় তারই পরপ্রিক্ষেতিে উক্ত ৩টি দনি বশিষে নামে বশিষেতি
হয়ছে-ে
যলি হজ্জরে ৮ম দনিরে নাম “ইয়াওমুত তারবয়িাহ” চন্তিাভাবনার দনি।
৯ম “ইয়াওমুল আরাফাহ” জানার দনি।
১০ম “ইয়াওমুন নাহর” কুরবানীর দনি।

পুত্রকে কুরবানী করানো আল্লাহ তায়ালার মূল উদ্দশ্যে ছলিনা উদ্দশ্যে ছলি মুলত পতিা-পুত্ররে পরীক্ষা নওেয়া এই
স্বপ্ন দখোর পর ইব্রাহীম (আঃ) পুত্রকে কোরবানী করার জন্যে তার স্ত্রী ববিি হাজরোকে বললনে ছলেে টাকে
ভাল পোশাক পরয়িে প্রস্তুুত করে দাও তাকে একটি কাজে নয়িে যাব। এদকিে শয়তান ববিি হাজরোকে ধোকা
দতিে শুরু কর।ে এবং ছলেে ইসমাইল (আঃ) কওে ধোকা দতিে শুরু করে ঐতহিাসকিদরে র্বননা মতে শয়তান
তনি বার হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কে বভ্রিান্ত করার প্রচষ্টো চালয়িছেলি, কন্তিুু প্রতি বারে তনিি ৭টি কঙ্কর মরেে
শয়তান কে বতিাড়তি করনে। তার স্মৃতি আজও প্রতি বছর হজরে সময় পালন করা হয়। হযরত ইব্রাহীম
(আঃ) তার ছলেকেে বললনে হবেৎস আমি স্বপ্ন দখেতছেি য,ে আমি যনে তোমাকে যবহে/কুরবানী করছ।ি
সুতারাং তোমার অভমিত কি ? সে বলল হে আমার পতিা আপনাকে যা আদশে করা হয়ছেে আপনি তাই
করুন অবশ্যই আমাকে ধর্য্যৈশীলদরে র্অন্তভুক্ত পাবনে । (সুরা সাফফাত ১০২) এভাবে পতিা-পুত্ররে সাওয়াল
যওয়াবরে পরে ছলেে যখন রাজি হয়ে গলে তখন মহান আল্লাহর সামনে নজি কলজিার টুকরাকে ছড়িে রখেে
দলিনে।
পতিা এবং পুত্র উভয় যখন এক মত হলনে তখন পতিা হযরত ইব্রাহীম (আঃ) পুত্রকে কাত করে
শুয়ালনে তখন পুত্র পতিাকে বললনে যে আপনি আমাকে চোখ দখো অবস্থায় যবহে করতে পারবনে না। কারন
আপনার হয়তো ছলেরে মায়া উথলে উঠতে পারে ফলে আপনার ছুরি নাও চলতে পারে আমি হয়ত অধর্য্যৈ হয়ে
ছটফট করব আপনার কাজে ব্যাঘাত ঘটব।ে তাই আমাকে আপনি শক্ত করে বধেে ননে এবং আমাকে উপুড় করে
শুইয়ে দনি। এবার ছলেটেরি গলায় ছুরি চালাবার পালা। আল্লাহর হুকুমরে কাছে আতœ সর্মাপনরে র্মূত প্রতীক
ইব্রাহীমরে হাতে যখন ছলেটেরি ঘাড়ে ছুরি চালয়িে দলি বশ্বি জাহান তখন কপেে উঠল। সে কি এক অভনিব
দৃশ্য। পৃথবিীর ইতহিাসে এ র্পযন্ত এমন কোন ঘটনা ঘটনেি যে পতিার হাতে পুত্রকে কুরবানী ভবষ্যিৎ আর এমন
ঘটনা ঘটবে কনিা তাও কে বলতে পার।ে
ঐতহিাসকি মনিা প্রান্তরে এ ঘটনা ঘট।ে ইমাম সুদ্দী (রাঃ) বলনে একদকিে আল্লাহ হযরত ইব্রাহীম
(আঃ) কে হুকুম দয়িছেনে নজি হাতে তুমি তোমার প্রয়ি পাত্র নজি ছলেকেে কুরবানী কর বা যবহে কর অন্য
দকিে তনিি ছুরকিে নর্দিশে দয়িছেনে তুমি মোটইে কটেোনা ফলে ছুড়ি ও তার ঘাড়রে মাঝখানে আল্লাহর কুদরতে
একটি পতিলরে পাত আর সৃষ্টি কর।ে সে জন্য ইব্রাহমি (আঃ) বাব বাব ছুরি চালালওে কোন কাজ হচ্ছলিনা।
এ পরস্তিতিতিে বশ্বি জগতরে সবাই যখন হতভম্ভ এবং হতবাক ও শ্বাসরুদ্ধ তখন মহান আল্লাহ তার
রহস্য ফাস করে দয়িে জান্নাত থকেে জব্রিাইল (আঃ) এর মাধ্যমে একটি দুম্বা পাঠয়িে দলিনে এবং ইসমাইলকে
বাচয়িে নয়িে ইব্রাহমিরে অজান্তে সে দুম্বাটি তার দ্বারা যবহে করয়িে দয়িে ঘোষনা করলনে তখন আমি তাকে
ডকেে বললাম: হে ইব্রাহীম তুমি স্বপ্নকে সত্য প্রমান করে দখোলে । আমি এই রূপইে খাটি বান্দাদরে কে

পুরস্কার দয়িে থাক।ি নশ্চিয়ই এটা ছলি একটি সু ¯পষ্ট পরীক্ষা । আর আমি তাকে মুক্ত করলাম এক মহান
যবহেরে বনিমিয়। (সুরা সফফাত ১০৪-১০৭)
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) সহ অনকে মুফাসসরিীনদরে এর মতে ইব্রাহীমরে কাছে যে দুম্বাটি পাঠানো হয়ছেলি
সটেি জান্নাতে ৪০ বছর ধরে লালন পালন করা হয়ছেলি। হযরত ইব্রাহমি (আঃ) যখন ইসমাইল কে যবহে
করছেলিনে। তখন জব্রিাইল (আঃ) বলছেলিনে আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার। অত:পর ইব্রাহমি (আঃ) বলনে
আল্লাহু আকবার। ওয়ালল্লিাহলে হামদ। তার পর থকেে এ তাকবীরটি চরিস্থায়ী সুন্নাতে পরনিত হয়। আর আল্লাহ
বলনে আমি তার জন্য এ বষিয়টি ভবষ্যিৎ বংশধরদরে মধ্যে প্রতষ্ঠিতি রাখলাম। সালাম র্বষতি হোক ইব্রাহীমরে
উপর (সাফফাত-১০৮-১০৯)আল্লাহর ঘোষনা মোতাবকে তখন থকেে চলে আসছে এ ইব্রাহীম (আঃ) এর
আর্দশরে বাস্তবায়ন। তাই আজ পৃথবিীর লক্ষ লক্ষ মানুষ আল্লাহর হুকুমরে প্রতি পালানরে সাথে সাথে প্রতি বছর
ইব্রাহমিরে স্মৃতি পালন করে পাপ মোচন করছ।ে এবং ইব্রাহমি (আঃ) এর আর্দশ কে কয়িামত র্পযন্ত চরিস্থায়ী
করে দয়িছেনে। যা বশ্বিরে তাওহীদ বাদীদরে হৃদয় বজিয়ী।

গুরুত্বঃ
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মক্কায় ১৩ বছর অতবিাহতি করে তনিি আল্লাহর নর্দিশেে মদনিায় হজিরত করনে
অত:পর কছিু দনিরে মধ্যে তনিি আল্লাহর পাক্ষ থকেে কুরবানী করার নর্দিশে পান। এর পরে তনিি ১০ বছর
বচেছেলিনে এ ১০ বছরই তনিি কুরবানী করনে। পরে মদনিায় অবস্থান কালওে তনিি কুরবানী করতে থাকনে।
উপরোক্ত র্বননা দ্বারা বুঝা যায় যে রাসুল (সাঃ) বলনে ইবনে মাজার হাদীসে যে ব্যক্তি কুরবানীর
সার্মথ্য রাখে অথচ কুরবানী করনো সে যনে আমাদরে ঈদগাহে না আসে (ইবনে মাজাহ) ইমাম আবু হানফিা
(রঃ) এর মতে প্রত্যকে স্বাধীন, ধনী ও ঘরে অবস্থান কারী মুসলমানরে উপর কুবানী ওয়াজবি। (হদিায়া র্৪থ-
৪৩৩পৃ) কারো কারো মতে কোরবানী করা সুন্নাতে মুয়াক্কদা। আর আল্লাহর কাছে পৌছনো এ গুলোর গোশত
এবং রক্ত, বরং তার কাছে পৌছে তোমাদরে তাকওয়া। এভাবইে তনিি এগুলোকে তোমাদরে অধীন করে দয়িছেনে।
যনে তোমরা আল্লাহর শ্রষ্ঠেত্ব ঘোষনা করা, যহেতেু তনিি তোমাদরে কে সঠকি পথ দান করছেনে। আর সংবাদ
দাও সৎ র্কমশীল লোকদরেকে (সুরা আল-হজ্জঃ আয়াত ৩৭)
কুরবানীর মহাতœ
রাসুল (সাঃ) ইয়াওমুনাহর ঈদরে দনি আদম সন্তান যত কাজ করে ত¤œধ্যে আল্লাহর কাছে সবচয়েে প্রয়ি কাজ
রক্তপাত। এ জানোয়ার কয়িামতরে দনি তার শংি ও পশম এবং খুর সহ নশ্চিয়ই হাজরি হবে আর তার রক্ত
যমনিে পড়ার আগইে আল্লাহর কাছে তা কবুলয়িাতরে দরবারে পৌছে যায়। সুতারং তোমরা কুরবানী দয়িে
নজিদেরে মনকে তৃপ্ত কর। একদা সাহাবায় করোম রাসুল (সাঃ) কে জজ্ঞিাসা করলনে কুরবানী কি ? হুজুর
বললনে এটা তোমাদরে পতিা ইব্রাহীমরে সুন্নাত ও আর্দশ। আবার প্রশ্ন করা হলো এতে আমাদরে উপকার ক?ি
তনিি বললনে প্রত্যকে পশমরে বদলে একটি করে নকেী রয়ছে।ে মুলতঃ কুরবানীর বাস্তবতা ছলি এটাই য,ে বান্দা
নজিরে প্রান আল্লাহ তায়ালার জন্য উৎর্সগ করবি।ে কুরবানীর দুটি দকি (১) বাহ্যকি (২) আভ্যন্তরীন।
বাহ্যকি দকি হলো পশু জবাই। আর আভ্যন্তরীন দকি হলো আল্লাহতায়ালার নকৈট্য লাভ করা এবং সদেকিে
ধাবতি করা।

ঈদরে দনিরে সুন্নাত ও মুস্তাহাবঃ
(১) শরীয়াতরে মধ্যে থকেে সাজ সজ্জা করা (২) গোসল করা (৩) মসেওয়াক করা (৪) সাধ্য অনুযায়ী
উত্তম পোশাক পরধিান করা (৫) সুগন্ধি ব্যবহার করা (৬) খুব সকালে ঘুম থকেে জাগ্রত হওয়া (৭)

সকাল সকাল ঈদগাহে গমন করা (৮) ঈদগাহে যাওয়ার আগে মষ্টিি খাওয়া ঈদুল ফতিরে কন্তিু ঈদুল আযহায়
নয় (৯) ঈদগাহে যাওয়ার আগে সদকায়ে ফতির আদায় করা (১০) ঈদগাহে ঈদরে নামাজ আদায় করা (১১)
এক রাস্তা দয়িে ঈদগাহে গমন অন্য রাস্তা দয়িে ফরিে আসা (১২) পায় হটেে ঈদগাহে যাওয়া (১৩) ঈদগাহে
যাওয়ার পথে তাকবীর বলতে বলতে যাওয়া। ইত্যাদ।ি

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar