সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২৮ অপরাহ্ন

নড়াইল জেলা পুলিশের সাথে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি’র মতবিনিময়

জ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■ বৃহস্পতিবার (২৫,এপ্রিল) ২৭৪ ॥ নড়াইল জেলা পুলিশের সাথে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম (বার)। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১০টায় তিনি নড়াইল পৌঁছালে নড়াইল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড সালামি প্রদান করা। আনুষ্ঠানিকতা শেষে নড়াইল পুলিশ লাইন অডিটোরিয়ামে তিনি নড়াইল জেলা পুলিশের সাথে মতবিনিময় করেন। নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম পিপিএম, সহকারি পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার্স) মোঃ জালাল উদ্দিন, সহকারি পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রিপন কুমার বিশ্বাস, নড়াইল সদর, লোহাগড়া, কালিয়া ও নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ, নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান, ডিআইও-১ এস এম ইকবাল হোসেনসহ নড়াইল জেলা পুলিশের প্রত্যেকটি ইউনিট থেকে আগত সদস্যবৃন্দ। গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা অনলাইন মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি উজ্জ্বল রায়, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হিমেল মোল্যা, ক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। মতবিনিময় সভার সভাপতি নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম (বার) স্বাগত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের একজন সৎ পুলিশ অফিসার হিসেবে ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম (বার) এর অনেক সুখ্যাতি রয়েছে। এমন একজন মহৎপ্রাণ উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা নড়াইল জেলা পুলিশের সাথে মতবিনিময় করতে আসায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। সেই সাথে তিনি আরও বলেন, ডিআইজি স্যারের সঠিক দিক- নির্দেশনার আলোকে নড়াইলে জেলাকে আরো সুশৃঙ্খল করা সম্ভব হবে। এ সময় বাংলাদেশ পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম (বার) তাঁর বক্তব্যে বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু- এ কথাটি শুধুমাত্র পুঁথিতেই নয়, কাজেও প্রমাণ করতে হবে। জনগণের দোঁরগড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে উদাত্ত আহ্বান জানান। সেই সাথে পুলিশি সেবা পেতে কাউকে যদি হয়রানির শিকার হতে হয় তাহলে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি বলেন। ### ছবি সংযুক্ত নড়াইলের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে রহস্যজনক বিধি লংঘন করে শিক্ষক বদলী!! উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■ বৃহস্পতিবার (২৫,এপ্রিল) ২৭৪ ॥ নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে বিধি লংঘন করে শিক্ষক বদলীর অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক বদলীর নিয়ম নীতি না মেনে তিনি অফিস সহকারীর মাধ্যমে সিনিয়র শিক্ষকদের বাদ দিয়ে জুনিয়র শিক্ষকদের পছন্দমত বিদ্যালয়ে বদলী করেছেন। এ নিয়ে শিক্ষকরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে জানা যায়, ৩১ মার্চ নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ১৬ জন সহকারী শিক্ষককে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে বদলীর আদেশ জারী করা হয়। কিন্তু বদলীকৃত শিক্ষকদের কর্মস্থলে শূণ্যপদের কোন বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে অবৈধভাবে লাভবান হয়ে ওই শিক্ষকদের নিকট থেকে গোপনে আবেদনপত্র নিয়ে বদলীর প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়।এ ক্ষেত্রে জৈষ্ঠ্যতার বিধি লংঙ্ঘন করে ওই শিক্ষকদের বদলী করা হয়েছে।বদলী প্রত্যাশি সিনিয়র শিক্ষকরা পরে জানতে পেরে ৩১মার্চ আবেদনপত্র জমা দিতে গেলে তখন শিক্ষা অফিসার তা গ্রহন করেননি। কিন্তু ওই দিন সন্ধ্যায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী মো.ইলিয়াস হোসেনের মাধ্যমে অবৈধভাবে শিক্ষকদের বদলীর আদেশ চুড়ান্ত করেন। উল্লেখ্য,প্রাথমিক শিক্ষার বদলী নীতিমালার ৩.১০ ধারা অনুযায়ী শূণ্যপদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জৈষ্ঠ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে তালিকা প্রনয়ণ করে কমপক্ষে সাত কর্মদিবসে তা প্রদর্শন করতে হবে।এ বদলীর ক্ষেতে নীতিমালা উপেক্ষিত হয়েছে। বঞ্চিত সিনিয়র শিক্ষকরা এবং বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা বিষয়টির সত্যতা জানতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে গেলে ওই শিক্ষা অফিসার তাদের সঙ্গে অসৌজন্য মূলক আচরণ করেন বলে তাদের অভিযোগ। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক ও সমিতির নেতারা সহকারী শিক্ষক বদলীর আদেশ বাতিল ও অনিয়মের কথা উল্লেখ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকবর হোসেন বলেন,‘আমি অল্প কিছুদিন হলো এখানে এসেছি। তবে বদলী সংক্রান্ত অনিয়ম হয়েছে কি-না তা অফিসের কাগজপত্র দেখে বলা যাবে।’ এদিকে অভিযুক্ত অফিস সহকারী ইলিয়াস হোসেন অর্থ লেন-দেনের কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘বদলীর ব্যাপারে স্যাররা ভালো বলতে পারবেন। আমি অফিস সহকরী হিসেবে কাজ করেছি মাত্র।’ এ ব্যাপারে নড়াইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহ আলম, নড়াইল জেলা অনলাইন মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি উজ্জ্বল রায়কে বলেন,‘অভিযোগ পেয়েছি সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হেমায়েত আলী শাহকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।এক সপ্তহের মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar