রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন

নবীনগরে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত তরুণ প্রার্থীরা

মোঃ খলিলুর রহমান, ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি; আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পাড় করছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। ২১টি ইউনিয়ন ছাড়া নবীনগর উপজেলায় রয়েছে ৯টি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে নবীনগর পৌরসভা। ২০১৭ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৎকালীন সাংসদ বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফয়জুর রহমান বাদল-এর সময়ে ১৮টি ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয় লাভ করেন। উপজেলার বীরগাঁও ও নবীনগর পূর্ব ইউনিয়নে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী জয় লাভ করে। শ্যামগ্রাম ইউনিয়নে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে জয় লাভ করেন। ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতিক নৌকার মনোনয়ন পেতে তরুন প্রার্থীরা প্রচার প্রচারনা ও সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বিএনপির প্রার্থীদের মাঠে প্রচার প্রচারনা নেই বললেই চলে। নবীনগর সদর কেন্দ্রিক ইউনিয়ন, নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন। সদর কেন্দ্রিক হওয়ায় এ ইউনিয়নের গুরুত্বও বেশি। নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের নৌকার মনোনয়নের জন্য এলাকায় প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সাবেক ছাত্রনেতা আনোয়ার হোসেন। আনোয়ার হোসেন নবীপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মরহুম হাজী আবু তাহের। তিনি নবীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৩ সালে এস.এস.সি পাশ করে নবীনগর সরকারি কলেজে ভর্তি হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯৬-৯৭ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তিনি ছাত্রলীগ প্যানেল থেকে ভিপি পদে মনোনয়ন পান, যদিও নানান জটিলতায় নির্বাচনটি শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়। আনোয়ার হোসেন নবীনগর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি। তিনি নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সাবেক সভাপতি। বর্তমানে আনোয়ার হোসেন পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করছেন। তিনি সাতগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির তিন বারের সভাপতি। নবীপুর পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। আনোয়ার হোসেন এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষে নবীপুরে তাহার পিতার নামে আবু তাহের কিন্ডার গার্টেন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কাজেও নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। আনোয়ার হোসেন গত নির্বাচনেও নৌকার মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু নৌকার মনোনয়ন পান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. ফিরোজ মিয়া। আনোয়ার হোসেন নিজের মনোনয়ন ফরম প্রত্যাহার করে নৌকার জন্য কাজ করেন। তিনি বলেন, আমি আশা করি নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ আমার শ্রম, ত্যাগকে মূল্যায়ন করে নৌকার প্রতিকে মনোনিত করবেন। আমি মনোনয়ন পেলে এলাকার লোকজন আমাকে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করবেন। আমি জয় যুক্ত হতে পারলে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রুপান্তরিত করব। অপরদিকে নবীনগর সদর কেন্দ্রিক আরেক ইউনিয়ন হলো নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন। সদর কেন্দ্রিক হওয়ায় এ ইউনিয়নের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি উপজেলার রাজনীতিতে। এই ইউনিয়ন থেকে নৌকার মনোনয়ন পেতে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ্ধসঢ়;-আল-মামুন। আব্দুল্লাহ্ধসঢ়;-আল- মামুন ১৯৮৮ সালে বগডহর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। পিতা মোঃ জহির উদ্দিন (জারু মিয়া)। তার পিতা উপজেলা দলিল লিখক সমিতির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। মামুন ২০০৫ সালে নবীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি পাশ করেন। ঢাকা কলেজ থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করে তিনি এখন পেশাগত জীবনে রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করছেন। মামুন নবীনগর উপজেলা ছাত্রলীগের দুই দুইবারের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠা ও সফলতার সাথে। তিনি নবীনগর উপজেলা যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহন করে আসছে। তার বড় ভাই শামীম কবির উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্মসম্পাদক ও যুবলীগের সহ-সভাপতি। তার ছোট ভাই, আলাউদ্দিন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি। তিনি বলেন, দল আমাকে আমার কর্ম বিবেচনায় নিয়ে নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন দিবে বলে বিশ্বাস করি। আমি মনোনয়ন পেলে এলাকার লোকজন আমাকে বিপুল ভোটে জয়ী করবে ইনশাল্লাহ। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নে ভ‚মিকা রাখব। নবীনগরের দক্ষিণ পশ্চিম সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন রতনপুর। রতনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাটি হিসেবে পরিচিত। রতনপুর ইউনিয়ন থেকে নৌকার মনোনয়ন পেতে নির্বাচনী প্রচার প্রচারনার পাশাপাশি গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে সর্বদা শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ এনাম উল্লাহ্ধসঢ়; সুজন। তিনি রতনপুর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৮৬ সালে জন্মগ্রহন করেন। তাহার পিতা মরহুম সেলিম মিয়া (সাবেক চেয়ারম্যান)। পিতা মরহুম সেলিম মিয়া নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ছিলেন এবং রতনপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আজন্ম জনগণের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। উনার মাতা রতনপুর ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার ছিলেন। এনাম উল্লাহ্ধসঢ়; সুজন শাহ্ধসঢ়;পুর জয়দুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি পাশ করে তিতুমীর সরকারী কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। এনাম উল্লাহ সুজন নবীনগর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করছেন। তিনি শাহপুর জয়দুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য, শাহ্ধসঢ়;পুর কল্যান সমিতির প্রচার সম্পাদক এবং হক ব্রাদার্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। উনার বড় চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী শহিদুল্লাহ ঢাকা মহানগর উত্তরখান থানা আওয়ামীলীগের মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক। আরেক চাচা বীরমুক্তিযুদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল হক বাংলাদেশ আওয়ামী মৎসজীবী লীগের উপদেষ্টা। উনার আরেক চাচা মিনহাজুল ইসলাম বাদল যুক্তরাষ্ট্র, জর্জিয়া শাখা আওয়ামীলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক। উনার ফুফা জাহাঙ্গীর ওয়াজেদ পার্শ্ববর্তী বাঞ্চারামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ- সভাপতি। ছোট দুই ভাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তাছাড়া তার সকল আত্মীয় স্বজন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে করোনা (ঈড়ারফ-১৯) দুর্যোগ মোকাবেলায় গত দেড় বছর যাবৎ রতনপুর ইউনিয়নে ১ম দফায় ২৫০টি, ২য় দফায় ৩৬০টি এবং তৃতীয় দফায় ৫৫০টি পরিবারকে খাদ্য সহযোগিতা করেন। তাছাড়া হক ব্রাদার্স ফাউন্ডেশন থেকে তিনি দরিদ্র ও অসহায় জনগনকে আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন এবং শীতকালীন সময়ে ২ দফায় শীতার্তদের মাঝে প্রায় ১০০০ পিছ কম্বল বিতরণ করেন। এনাম উল্লাহ্ধসঢ়; সুজন বলেন সাবেক সাংসদ লতিফ ভাইয়ের নির্বাচন থেকে শুরু করে অধ্যাবধি আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থীর পক্ষে মুজিব আদর্শের সৈনিক হিসেবে আমি মাঠে কাজ করে আসছি। আমি বিশ্বাস করি দল আমার শ্রম ও মেধাকে বিবেচনায় নিয়ে নৌকার মনোনয়ন দিবেন। আমি নৌকার মনোনয়ন পেলে শতভাগ জয়লাভ করার ব্যাপারে আশাবাদী। এলাকার জনগণ আমার পরিবারকে ভালবাসে আমরা যুগে যুগে এলাকার জনগণের সুখে দুঃখে পাশে থেকেছি, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব ইনশাআল্লাহ্ধসঢ়;। আমি সুযোগ পেলে রতনপুর ইউনিয়নকে শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন করব এবং মাদক মুক্ত ইউনিয়ন করতে আমি চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ্ধসঢ়;। বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ আফজাল হোসেন। তিনি নজরদৌলত বড় বাড়ীতে সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মৃত ইদ্রিস মিয়া। তিনি নজরদৌলত বড়বাড়ি তথা ওলফতআলী গোষ্ঠির সন্তান। তিনি ২০০০ সালে স্থানীয় স্কুল থেকে এস.এস.সি পাশ করেন। ২০০২ সালে তিনি জিয়া সার কারখানা কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করেন। তিনি বর্তমানে বীরগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। আফজাল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক। তিনি বাইশমৌজা ছাত্র সংসদের উপদেষ্টা ও বাইশমৌজা যুব সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক কাজেও ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। তিনি করোনা কালীন সময়ে ১ হাজার অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন। তিনি বলেন আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে সর্বদা ভূমিকা রেখেছি। আশাকরি, দলের হাই কমান্ড আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে বিবেচনা করবে। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষা, রাস্তা-ঘাট উন্নয়নে ভূমিকা রাখব। ইভটিজিং মুক্ত ও মাদক মুক্ত ইউনিয়ন গঠনে সর্বদা সচেষ্ট থাকবো। ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মির্জা মোঃ সালাউদ্দীন সবুজ। তিনি ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের জাফরপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম আবু জাহের। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় দীর্ঘ দিন মুক্তিবাহিনীকে তাদের বাড়ীতে রেখে তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করেছিলেন। মির্জা সালাউদ্দীনের চাচা মৃত আবু তাহের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন। মির্জা সালাউদ্দীন সবুজ বর্তমানে নবীনগর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছা সেবকলীগের আহবায়ক কমিটিতে সম্মানিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ইব্রাহিমপুর বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক কাজেও ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। তিনি করোনা কালীন সময়ে এলাকার অনেক অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা করেছেন। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে সর্বদা ভূমিকা রেখেছি। আশাকরি, দলের হাই কমান্ড আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে বিবেচনা করবে। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষা, রাস্ত-ঘাট উন্নয়নে ভূমিকা রাখব এবং ইভটিজিং মুক্ত ও মাদক মুক্ত ইউনিয়ন গঠনে সর্বদা সচেষ্ট থাকবো। নবীনগর পূর্ব এলাকার নৌকার ঘাটি বলে পরিচিত শিবপুর ও বিদ্যাকুট ইউনিয়ন। শিবপুর ইউনিয়ন থেকে মনোনয়ন পেতে মাঠে রাত দিন প্রচার করছেন সাবেক ছাত্রনেতা মহিউদ্দীন আহমেদ। মহিউদ্দীন শিবপুরের দাপুনিয়ায় ১৯৭০ সালে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। পিতা মরহুম বজলুর রহমান (আবু মেম্বার)। মহিউদ্দীন নবীনগর সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক নাট্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক। তিনি বলেন, আমি নবীনগর উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাবেক সদস্য ছিলাম। আমি শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য। আমি দাপুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি ও নবীনগর সমবায় মার্কেট এর সভাপতির দায়িত্বে আছি। আমি আওয়ামী রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডে কাজ করছি। দলের দুর্দিনে আমি রাজনীতি করেছি। আমি আশাকরি, দল আমাকে মনোনয়ন দিবে। আমি নৌকার মনোনয়ন পেলে এলাকাবাসী আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে। আমি ইতিমধ্যে মাননীয় সাংসদ এবাদুল করিম বুলবুল সাহেবের অর্থায়নে দাপুনিয়া বড় বাড়ী থেকে মিরপুর পর্যন্ত একটি রাস্তা করেছি। বিদ্যাকুট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পেতে মাঠে প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছে এম সালাউদ্দীন বাবু। বাবু বিদ্যাকুট ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। পিতার নাম আব্দুল মোতালিব। তিনি ২০০০ সালে এস.এস.সি পাশ করেন। নবীনগর সরকারী কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হয়ে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। বাবু নবীনগর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি। বাবু ভিক্টোরিয়া সরকারী কলেজ থেকে উচ্চ শিক্ষা শেষ করেন। মাত্র ২৫ বছর বয়সে সালাউদ্দীন বাবু মনিপুর গ্রাম থেকে মেম্বার নির্বাচন করে বিপুল ভোটে জয় লাভ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। সালাউদ্দীন বাবু বর্তমানে বিদ্যাকুট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করছেন। তিনি মনিপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু মনোনয়ন পান ভিপি এনাম। তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে তৎকালীন সাংসদ ফয়জুর রহমান বাদলের নির্দেশে ভিপি এনামের পক্ষে প্রচার প্রচারনা করে নৌকার বিজয় ঘরে তুলেন। তিনি বিশ্বাস করেন দল তার কর্ম ও ত্যাগ মূল্যায়ন করে আওয়ামীলীগ থেকে নৌকা প্রতিক দিবেন। নৌকার প্রতিক পেলে তিনি জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বিদ্যাকুট ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রুপান্তরিত করতে প্রতিশ্রæতি বদ্ধ। রসুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ খন্দকার মনির হোসেন। তিনি রসুল্লাবাদ খন্দকার বাড়ীতে সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম খন্দকার আব্দুছ কুদ্দস। তিনি ১৯৯৪ সালে স্থানীয় স্কুল থেকে এস.এস.সি পাশ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি তেজগাঁও কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.কম পাশ ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি বর্তমানে রসুল্লাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতির দায়িত্বে আছেন। মনির রসুল্লাবাদ শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। তিনি দীর্ঘ নয় বছর রসুল্লাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি রসুল্লাবাদ আল মামুর জামে মসজিদের উপদেষ্টা। তিনি রানী চাইল্ড কিন্ডার গার্টেন এর সভাপতি ও কুমিল্লাস্থ নবীনগর কল্যাণ সমিতির সহ- সাধারণ সম্পাদক। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক কাজেও ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। তিনি করোনাকালীন সময়ে ১ হাজার হত-দরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সহযোগিতা বিতরণ করেছেন। তিনি নিজের অর্থায়নে রসুল্লাবাদ ইউনিয়নের একটি রাস্তা নির্মাণ করেছেন। তিনি বলেন আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে সর্বদা ভূমিকা রেখেছি। আশা করি দলের হাই কমান্ড আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে বিবেচনা করবে। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষা, রাস্তা-ঘাট উন্নয়নে ভূমিকা রাখব। ইভটিজিং মুক্ত ও মাদক মুক্ত ইউনিয়নে রুপান্তরিত করব। খন্দকার মনির হোসেন এর আরেকটি পরিচয় হল তিনি নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাবেক প্র.ভিপি অধ্যক্ষ মরহুম মিজানুর রহমানের মেয়ের জামাতা। ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ কয়েছ আহমেদ। তিনি ইব্রাহিমপুরের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম আব্দুল হামিদ কন্ট্রাক্টর (মোগন মিয়া ব্যাপারী)। তিনি ২০০৩ সালে সিলেটের একটি স্কুল থেকে এস.এস.সি পাশ করেন। তিনি বর্তমানে নবীনগর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। তিনি ইব্রাহিমপুর পূর্ব পাড়া পাঁকপাঞ্জাতন জামে মসজিদের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক কাজেও ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। তিনি করোনাকালীন সময়ে অনেক অসহায় মানুষকে খাদ্য সহযোগিতা করেছেন। তিনি বলেন আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে সর্বদা ভূমিকা রেখেছি। আশাকরি, দলের হাই কমান্ড আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে বিবেচনা করবে। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষা, রাস্তা-ঘাট উন্নয়নে ভূমিকা রাখব এবং ইভটিজিং মুক্ত ও মাদক মুক্ত ইউনিয়ন গঠনে সর্বদা সচেষ্ট থাকবো। কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক ছাত্রনেতা আলহাজ্ব দেলোয়ার হোসেন খান। তিনি পশ্চিম কৃষ্ণনগরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মৃত হাজী আব্দুল লতিফ খান। তিনি স্থানীয় স্কুল থেকে এস.এস.সি পাশ করেন। তিনি কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সফল সভাপতি। তিনি কৃষ্ণনগর আব্দুল জব্বার স্কুল এন্ড কলেজ এর সাবেক বিদ্যুৎসাহী সদস্য। তিনি মাদক মুক্ত নবীনগর চাই কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বে আছেন। তিনি কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার সদস্য। তিনি পশ্চিম কৃষনগর কবরস্থান কমিটির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কৃষ্ণনগর তিতাস স্পোটিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক কাজেও ব্যস্থ সময় পাড় করছেন। তিনি করোনাকালীন সময়ে এলাকার ১ হাজার অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন। তিনি বলেন আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে সর্বদা ভূমিকা রেখেছি। আশা করি দলের হাই কমান্ড আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে বিবেচনা করবে। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষা, রাস্তা-ঘাট উন্নয়নে ভূমিকা রাখব। দাঙ্গা মুক্ত, ইভটিজিং মুক্ত ও মাদক মুক্ত ইউনিয়ন গঠনে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করবো। প্রেরক: মো. খলিলুর রহমান, ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি, ০১৭৩৪-৯২৬৭৭৮

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar