ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইউএসটিসি ছাত্রদলের ৫ সদস্যের আহবায়ক কমিটির ৩ সদস্যের পদত্যাগ। পবিপ্রবিতে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদিত তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস মাছের নিলাম অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন লক্ষ্মীপুরে পুলিশের নায়েক থেকে সহকারী উপ পরিদর্শক হলেন ৬ জন পানি, খাবার এবং ঔষধ বিতরণ করেন KSA গোল্ডেন বয় সোসাইটি বোয়ালমারীতে গরুবাহী ট্রাকের চাপায় মা-মেয়ে নিহত কাঞ্চনায় স্কুল পরিচালনা নিয়ে মন্তব্য করায় হেনস্তার অভিযোগ মাত্র ৩০ সেকেন্ড টর্নেডোতে লন্ডভন্ড পটুয়াখালীর চরপাড়া। একটি মানবিক সাহায্যের জন্য আবেদন বাঁচতে চাই ক্যান্সারে আক্রান্ত মোহাম্মদ আরমান গজারিয়ায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভবেরচর কলেজ রোডে সড়ক দূর্ঘটনা আহত ৫

নওগাঁর ৯৯টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে মানুষ নানা ধরনের সেবা গ্রহণ করছে

জেলায় ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নে ই্উনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে হাজার হাজার গ্রামীণ জনগোষ্ঠী নানা ধরনের ডিজিটাল সেবা গ্রহণ করে উপকৃত হচ্ছেন। অন্যদিকে এসব ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা হাজার হাজার টাকা আয় করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। ডিজিটাল সেন্টারগুলোতে সরকারের সম্পূর্ণ লজিস্টিক সাপোর্ট গ্রহণ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ম্ধ্যামে এ আয় করে তাদের সংসার ভালোভাবেই চলছে।
পাশাপাশি এসব গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলো থেকে হজযাত্রীদের নিবন্ধন ফরম পূরণ, জমির নামজারি, বৈবাহিক/ অবৈবাহিক সনদের আবেদন, প্রিন্টিং, ফটোকপি, ফটো তোলা, বিদেশে আপনজনদের সাথে কথা বলা, পাসপোর্ট প্রাপ্তির আবেদন ফরম পূরণ করা, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, টাকা পযসা লেনদেন, কৃষি ও ফসলী ঋণ গ্রহণের আবেদন, ডিজিটাল রেকর্ড রুম, বিভিন্ন সরকারি অফিসের সেবা গ্রহণ, চাকরির আবেদন করা, ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির আবেদন করা, ডাক/কুরিয়ার সার্ভিস, তথ্যসেব্,া ই-কমার্স, ই-টেন্ডার, কম্পিউটার প্রশিক্ষণসহ প্রায় শতাধিক সেবা এসব ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে জনসাধারন পাচ্ছেন।
প্রতিটি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে একজন মহিলা ও একজন করে পুরুষ উদ্যোক্তা জনসাধারণকে এসব সেবা প্রদানের মাধ্যমে আয় করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
নওগাঁ’র অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আই সি টি মো. কামরুজ্জামান জানিয়েছেন গত ৮ মাসে জেলায় ১১টি উপজেলায়র ৯৯ ইউনিয়নে সর্বমোট ২ লাখ ৯ হাজার ১শ ৫৬ জন নাগরিক এসব ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেছেন। এসব সেবা দিয়ে উদ্যোক্তারা আয় করেছেন ৫৭ লাখ ৭১ হাজার ৬৯ টাকা। গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত এ আয় করা সম্ভব হয়েছে।
মাসভিত্তিক এসব ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে সেবাগ্রহিতা ও আর্থিক আয়ের পরিমাণ হচ্ছে জানুয়ারি মাসে সেবা মোট ২৪ হাজার ৩শ ৮২ জন সেবাগ্রহিতার কাছ থেকে আয় হয়েছে ৭ লাখ ১৬ হাজার ৭শ ৪ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে ২৫ হাজার ৫শ ২৩ জন মানুষকে সেবা দিয়ে উদ্যোক্তাদের আয় হয়েছে ৬ লাখ ৫৯ হাজার ৬শ ১৭ টাকা। মার্চ মাসে মোট ২৭ হাজার ৩ জনকে বিভিন্ন সেবা দিয়ে উদ্যোক্তারা আয় করেছেন ৭ লাখ ২১ হাজার ৫শ ৪৭ টাকা। এপ্রিল মাসে ২৬ হাজার ৩শ ৭১ জন মানুষকে বিভিন্ন সেবা প্রদান করে উদ্যোক্তাদের আয় হয়েছে ৭ লাখ ১ হাজার ১ টাকা। মে’১৮ মাসে জেলায় ২৬ হাজার ৫শ ৭৪ জন নাগরিককে বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা প্রদান করে উদ্যোক্তাদের আয় হয়েছে ৭ লাখ ২০ হাজার ২শ ৯৫ টাকা। জুন মাসে মোট ২৭ হাজার ৯শ ১৮ জন নাগরিককে সেবা দিয়ে আয় হয়েছে মোট ৭ লাখ ২৮ হাজার ২শ ৯ টাকা। জুলাই’১৮ মাসে জেলার ৯৯টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে মোট ২৭ হাজার ৪শ ৯৮ জনকে সেবা দিয়ে মোট আয় হয়েছে ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৭শ ৩৯ টাকা এবং আগস্ট মাসে মোট ২৩ হাজার ৮শ ৮৭ জন নাগরিককে সেবা প্রদান করে উদ্যোক্তাদের আয় হয়েছে ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯শ ৫৭ টাকা।
নওগাঁ জেলায় কর্মরত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আই সি টি মোঃ কামরুজ্জামান বলেছেন, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলো সরকারের যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ভাবনা তা যথার্থভাবেই নিশ্চিত করছে। গ্রামীণ জনগণকে ডিজিটালাইজড প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত করে তাদের জীবন মান উন্নয়নে এসব ডিজিটাল সেন্টারগুলোর ভূমিকা অপরিসীম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউএসটিসি ছাত্রদলের ৫ সদস্যের আহবায়ক কমিটির ৩ সদস্যের পদত্যাগ।

নওগাঁর ৯৯টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে মানুষ নানা ধরনের সেবা গ্রহণ করছে

আপডেট টাইম ১১:৫৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

জেলায় ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নে ই্উনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে হাজার হাজার গ্রামীণ জনগোষ্ঠী নানা ধরনের ডিজিটাল সেবা গ্রহণ করে উপকৃত হচ্ছেন। অন্যদিকে এসব ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা হাজার হাজার টাকা আয় করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। ডিজিটাল সেন্টারগুলোতে সরকারের সম্পূর্ণ লজিস্টিক সাপোর্ট গ্রহণ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ম্ধ্যামে এ আয় করে তাদের সংসার ভালোভাবেই চলছে।
পাশাপাশি এসব গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলো থেকে হজযাত্রীদের নিবন্ধন ফরম পূরণ, জমির নামজারি, বৈবাহিক/ অবৈবাহিক সনদের আবেদন, প্রিন্টিং, ফটোকপি, ফটো তোলা, বিদেশে আপনজনদের সাথে কথা বলা, পাসপোর্ট প্রাপ্তির আবেদন ফরম পূরণ করা, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, টাকা পযসা লেনদেন, কৃষি ও ফসলী ঋণ গ্রহণের আবেদন, ডিজিটাল রেকর্ড রুম, বিভিন্ন সরকারি অফিসের সেবা গ্রহণ, চাকরির আবেদন করা, ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির আবেদন করা, ডাক/কুরিয়ার সার্ভিস, তথ্যসেব্,া ই-কমার্স, ই-টেন্ডার, কম্পিউটার প্রশিক্ষণসহ প্রায় শতাধিক সেবা এসব ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে জনসাধারন পাচ্ছেন।
প্রতিটি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে একজন মহিলা ও একজন করে পুরুষ উদ্যোক্তা জনসাধারণকে এসব সেবা প্রদানের মাধ্যমে আয় করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
নওগাঁ’র অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আই সি টি মো. কামরুজ্জামান জানিয়েছেন গত ৮ মাসে জেলায় ১১টি উপজেলায়র ৯৯ ইউনিয়নে সর্বমোট ২ লাখ ৯ হাজার ১শ ৫৬ জন নাগরিক এসব ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেছেন। এসব সেবা দিয়ে উদ্যোক্তারা আয় করেছেন ৫৭ লাখ ৭১ হাজার ৬৯ টাকা। গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত এ আয় করা সম্ভব হয়েছে।
মাসভিত্তিক এসব ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে সেবাগ্রহিতা ও আর্থিক আয়ের পরিমাণ হচ্ছে জানুয়ারি মাসে সেবা মোট ২৪ হাজার ৩শ ৮২ জন সেবাগ্রহিতার কাছ থেকে আয় হয়েছে ৭ লাখ ১৬ হাজার ৭শ ৪ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে ২৫ হাজার ৫শ ২৩ জন মানুষকে সেবা দিয়ে উদ্যোক্তাদের আয় হয়েছে ৬ লাখ ৫৯ হাজার ৬শ ১৭ টাকা। মার্চ মাসে মোট ২৭ হাজার ৩ জনকে বিভিন্ন সেবা দিয়ে উদ্যোক্তারা আয় করেছেন ৭ লাখ ২১ হাজার ৫শ ৪৭ টাকা। এপ্রিল মাসে ২৬ হাজার ৩শ ৭১ জন মানুষকে বিভিন্ন সেবা প্রদান করে উদ্যোক্তাদের আয় হয়েছে ৭ লাখ ১ হাজার ১ টাকা। মে’১৮ মাসে জেলায় ২৬ হাজার ৫শ ৭৪ জন নাগরিককে বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা প্রদান করে উদ্যোক্তাদের আয় হয়েছে ৭ লাখ ২০ হাজার ২শ ৯৫ টাকা। জুন মাসে মোট ২৭ হাজার ৯শ ১৮ জন নাগরিককে সেবা দিয়ে আয় হয়েছে মোট ৭ লাখ ২৮ হাজার ২শ ৯ টাকা। জুলাই’১৮ মাসে জেলার ৯৯টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে মোট ২৭ হাজার ৪শ ৯৮ জনকে সেবা দিয়ে মোট আয় হয়েছে ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৭শ ৩৯ টাকা এবং আগস্ট মাসে মোট ২৩ হাজার ৮শ ৮৭ জন নাগরিককে সেবা প্রদান করে উদ্যোক্তাদের আয় হয়েছে ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯শ ৫৭ টাকা।
নওগাঁ জেলায় কর্মরত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আই সি টি মোঃ কামরুজ্জামান বলেছেন, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলো সরকারের যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ভাবনা তা যথার্থভাবেই নিশ্চিত করছে। গ্রামীণ জনগণকে ডিজিটালাইজড প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত করে তাদের জীবন মান উন্নয়নে এসব ডিজিটাল সেন্টারগুলোর ভূমিকা অপরিসীম।