ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালদ্বীপের বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে প্রবাসীদের বর্ষবরণ ও ঈদ পৃর্নমিলন উদযাপন ঝড়ে লন্ডভন্ড নড়াইলের একটি মাদ্রাসা কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উদযাপন কুসিক নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন যারা সিলেটের বন‍্যার্তদের পাশে বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানা আকস্মিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার গজারিয়ায় মাদক, সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ,প্রতিরোধে বিট পুলিশের সভা অনুষ্ঠিত। নওগাঁর নিয়ামতপুরে শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লায় ট্রেনের চাকা লাইনচ্যুত হয়ে তিন রুটে চলাচল বন্ধ।

দক্ষিণ ইথিওপিয়ার পথে পথে

সে কী চমৎকার পাহাড়ি উপত্যকা—প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে হারানোর মুহূর্ত; তবু পথে যেতে যেতে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা দেখে মনের কোণে মেঘ জমে উঠত। তাই ইথিওপিয়ার দক্ষিণাঞ্চল মনের ভেতর বেশ দাগ কেটে গেছে। প্রায় শুকনো নদী থেকে হলুদ প্লাস্টিকের বোতলে করে পানি তুলে আনার দৃশ্য, পথের পাশে দাঁড়িয়ে প্রচণ্ড রোদে কয়লা বিক্রি, পাহাড় থেকে শুকনো খড়ি বয়ে আনা সেই পাহাড়ি মা আর ছোট মেয়েটির চাহনি—সবই এখন ভেসে আসছে দুচোখের পাতাজুড়ে। জীবনের ভিন্নতা মানুষে মানুষে, কিন্তু কোথাও যেন একই সুরে গাথা এই জীবন।

১৪ মে। ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার ভোরের পাখির ডাকে চোখ খুলল। চোখ মেলেই দেখি সকাল ছয়টা। আরবা মিঞ্চের দিকে যাত্রীবাহী বাস ততক্ষণে ছেড়ে গেছে। হা–হুতাশ না করে একটা ভিন্নধর্মী অ্যাডভেঞ্চারের চিন্তা করলাম। হাত-মুখ ধুয়ে একটা লোকাল বাসে রওনা দিলাম ‘মিস্ট্রিজ অব সাউথ ইথিওপিয়া’খ্যাত আরবা মিঞ্চের দিকে। বাসটি আরামদায়ক না হলেও খুব একটা খারাপ ছিল না। ভিনদেশি দেখে যাত্রীরা খুব যত্ন করে বসাল। পাশের আসনে বসলেন তরুণ এক ইথিওপীয় চিকিৎসক। হাসিমুখেই জানতে চাইলেন বাংলাদেশের কথা। তাঁর পাশে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পাস করা এক ছাত্র। প্রায় ৮ ঘণ্টা পথ চলতে চলতে অনেক কথা হলো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালদ্বীপের বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে প্রবাসীদের বর্ষবরণ ও ঈদ পৃর্নমিলন উদযাপন

দক্ষিণ ইথিওপিয়ার পথে পথে

আপডেট টাইম ০১:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুলাই ২০১৮

সে কী চমৎকার পাহাড়ি উপত্যকা—প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে হারানোর মুহূর্ত; তবু পথে যেতে যেতে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা দেখে মনের কোণে মেঘ জমে উঠত। তাই ইথিওপিয়ার দক্ষিণাঞ্চল মনের ভেতর বেশ দাগ কেটে গেছে। প্রায় শুকনো নদী থেকে হলুদ প্লাস্টিকের বোতলে করে পানি তুলে আনার দৃশ্য, পথের পাশে দাঁড়িয়ে প্রচণ্ড রোদে কয়লা বিক্রি, পাহাড় থেকে শুকনো খড়ি বয়ে আনা সেই পাহাড়ি মা আর ছোট মেয়েটির চাহনি—সবই এখন ভেসে আসছে দুচোখের পাতাজুড়ে। জীবনের ভিন্নতা মানুষে মানুষে, কিন্তু কোথাও যেন একই সুরে গাথা এই জীবন।

১৪ মে। ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার ভোরের পাখির ডাকে চোখ খুলল। চোখ মেলেই দেখি সকাল ছয়টা। আরবা মিঞ্চের দিকে যাত্রীবাহী বাস ততক্ষণে ছেড়ে গেছে। হা–হুতাশ না করে একটা ভিন্নধর্মী অ্যাডভেঞ্চারের চিন্তা করলাম। হাত-মুখ ধুয়ে একটা লোকাল বাসে রওনা দিলাম ‘মিস্ট্রিজ অব সাউথ ইথিওপিয়া’খ্যাত আরবা মিঞ্চের দিকে। বাসটি আরামদায়ক না হলেও খুব একটা খারাপ ছিল না। ভিনদেশি দেখে যাত্রীরা খুব যত্ন করে বসাল। পাশের আসনে বসলেন তরুণ এক ইথিওপীয় চিকিৎসক। হাসিমুখেই জানতে চাইলেন বাংলাদেশের কথা। তাঁর পাশে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পাস করা এক ছাত্র। প্রায় ৮ ঘণ্টা পথ চলতে চলতে অনেক কথা হলো।