বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন

তবুও ধরা হচ্ছে ইলিশ নিষেধাজ্ঞা মানছেন না মতলবে জেলেরা

,চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধী মোঃতপছিল হাছানঃইলিশের প্রজনন মৌসুমের ৬০.দিন সরকার মাছ ধরা নিষিদ্ধ করলেও তা মানছেন না জেলেরা। চাঁদপুর মেগনা-নদীতে দুই মাস ইলিশ ধরা নিশেদ, পরিবহন, মজুত ও মতলবের বিভন্ন বাজার গুলোতে  বিক্রি হচ্ছে পুরোপুরি নিষিদ মানচ্ছেন না। এর ফলে একপ্রকার কর্মহীন হয়ে পড়েছেন উপকূলের জেলেরা। কর্মহীন এ সময়টাতে সরকার জেলেদের জন্য বিশেষ ভিজিএফএর ব্যবস্থা করলেও তা এখনও হাতে পাননি তারা। ফলে পেটের দায়েই নদীতে জাল ফেলছেন জেলেরা।
ইলিশ শিকারের পয়েন্ট মতলব উওর ধনা গুদানদী, মেগনা নদী,আউয়াল কাটা পয়েন্টের বাজার গুলো হলো. জনোতা বাজার. আমিরা বাদ বাজার.একলাসপুর বাজার,ছডাকী ,অধিকাংশ জেলেরা ইলিশ শিকার করছেন শরে জমিনে গিয়ে দেখা ঘায়|
আর এসব মাছ কৌশলে গ্রামে গ্রামে কেনা-বেচা হচ্ছে। নদীর পাড়ে ধানখেতের পাশেই বসে অস্থায়ী ইলিশের হাট। মোবাইলেও মেলে ক্রেতা। মোবাইলে দালালের মাধ্যমে বিক্রি হয় এসব অবৈধ শিকার করা ইলিশের জাটকা। বিকাশের মাধ্যমে অগ্রিম বুকিং দিতে হয় দালালের মোবাইল নম্বরে। এরপর সুযোগ মতো ক্রেতার হাতে সড়ক ও নৌ পথে কৌশলে পৌঁছে দেয়া হয় মাছ।
এবং বিভন্নো সময় কোনো সাংবাদিক ছবি বা বিডিও করিতে গেলে তাদের উপর হামলা করিতে চেষ্টা করে.অনেক সময় দেখা ঘায় বাজার্রে কমিটির লোক হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে,মাছ বিক্রি কারিদের নাম প্রকাশে (১)বিলায়ত (৬৫)অারুদ বিক্র‌ি অারুদদার,(২)অাল মাচ(৫৭)অারুদ দপর,(৩)তারা দ‌ওেয়ান(৬৭)অারুদ দার,পকাশে জাটকা.ইলিশের রেনুও.পসাশণিক নাকের-ডগায় চলছে কিন্তু পসাশণিক নিরুব বভতা.এই বাবে কাধিক জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা ও এলাকার গুপোন সুত্রে যানা যায়, জেলে সংসারে এখন জম জমাট। পরিবার দের অবাভ দূর করতে মাঝে মাঝে দিন ও রাতের আঁধারে নদীতে জাল ফেলছে জেলেরা।
মতলব উওর থানা এলাকার জেলে মোঃতারা দেওয়ান ও মোঃআলমাচ হোসেন বলেন,পসাষনিক কে মৈনেচ করে দিয়ে আমরা করি.তিনি আরু বলেন যে আপনাদের এতো মাথা বেথা কেনো. সরকারী লোকদের মাথা বেথা নেই.এই বিষয় নিয়ে চুপ থাকেন সরকার অবরোধ দিছে। তাই মাছ ধরা বন্ধ করীভো না। আমরা এখন বেকার সরকার আমাদের চালের ব্যবস্থা করলেও তা এখনও পানি।’
সরকারি হিসাবে চাঁদপুর মতলব উপোজেলায় ৮০০০ হাজার ৮৯৪ জন নিবন্ধিত জেলার রয়েছেন। তবে এর বাহিরে ও বাহ‌রি‌ে মানুষ নদী ও সাগরে মাছ ধরার সঙ্গে জড়িত। অবরোধের সময় জেলার ৮০০০ হাজার ৮৯৪ জন জেলেদের জন্য ৪০.কেজি করে চাউল দেওয়া হয়েছে,এবং জেলারকে ছিলায় মিসিং মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে,এই বাবে মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করেছে সরকার,এই বিষয়ে গুলো অসশিখার করে জেলেরা।
মতলব উওর উপজেলা মৎস্য অফিসার,মোঃসাকোয়াত হোসেন,সাথে মোবাইল মটো ফোনে জিগ্যেসা বাদ করিলে বলেন যে আমরা অভিজান দিতে গেলে আমাদের উপর হামলা করে,তিনি আরো বলেন আমরা জীবন বাচানোর জন্য ছয় রাউন্ড গুলি ফায়ার করেন। জানান দ্রুত সময়ের মধ্যে চাল বিতরণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে যেন কোনো প্রকার অনিয়ম করা হয়েনি
নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar