শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৩:০৭ অপরাহ্ন

ড্রিমলাইনার আসছে আজ

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম বোয়িং ড্রিমলাইনার ৭৮৭-৮ উড়োজাহাজ আজ রোববার দেশে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের বোয়িং কার্যালয় থেকে ছেড়ে আসা ড্রিমলাইনারটি আজ বিকেল পৌনে পাঁচটায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। আজ দেশে এলেও উড়োজাহাজটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উড়োজাহাজটির যাত্রা শুরুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ বিমান সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব.) ইনামুল বারীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সিয়াটল থেকে এই উড়োজাহাজ নিয়ে দেশে পৌঁছাবেন। উড়োজাহাজটি গ্রহণ করতে বিমানের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঢাকায় অবতরণের পর ‘ওয়াটার ক্যানন স্যালুট’-এর মাধ্যমে উড়োজাহাজটিকে স্বাগত জানানো হবে।

মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের সঙ্গে ২০০৮ সালে চারটি ড্রিমলাইনারসহ মোট ১০টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য ২১০ কোটি ডলারে চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এর মধ্যে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর মডেলের চারটি ও বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের দুটিসহ মোট ছয়টি উড়োজাহাজ বিমানকে সরবরাহ করেছে কোম্পানিটি। বাকি থাকা চারটি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজের প্রথমটি আজ আসছে। এর পরেরটি আগামী নভেম্বর এবং আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে আরও দুটি ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ বিমানের বহরে যোগ হওয়ার কথা রয়েছে।

বিমান বাংলাদেশের বহরে যোগ হতে যাওয়া চারটি ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজের নাম রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেগুলো হচ্ছে আকাশবীণা, হংস বলাকা, গাঙচিল ও রাজহংস। আজ আসা ড্রিমলাইনার ৭৮৭ উড়োজাহাজটির নাম আকাশবীণা। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইতিমধ্যে উড়োজাহাজটির নিবন্ধন সম্পন্ন করা হয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ প্রথম আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১ সেপ্টেম্বর এ ড্রিমলাইনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। একই দিন সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে উড়োজাহাজটির প্রথম বাণিজ্যিক উড্ডয়ন পরিচালিত হবে। পরে এটি দিয়ে ঢাকা-সিঙ্গাপুর ও ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে নিয়মিতভাবে দুটি উড্ডয়ন পরিচালনা করা হবে।

টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার আকাশবীণাতে থাকছে সব ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা। যাত্রীরা উড়োজাহাজের ভেতরেই পাবেন ওয়াই-ফাই সুবিধা। বিশেষ ফোনসেটের মাধ্যমে উড়োজাহাজ চলাকালে কথা বলার সুবিধাও থাকছে। এই উড়োজাহাজটি বোয়িং ৭৬৭ মডেলের চেয়েও ২০ শতাংশ কম জ্বালানিতে চলবে। বিমানটির আসনসংখ্যা ২৭১। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪ টি, বাকি ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar