ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুষ্টিয়ায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালন প্রতিবন্ধীকতাকে জয় করে অনেকেই সফলতা লাভ করেছেন ……ডিসি মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট চর হেয়ার ও সোনারচর। ২ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বিদায় সংবর্ধনা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন টঙ্গী পূর্ব এবং পশ্চিম থানা । সম্মেলনের নামে আওয়ামী লীগকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই,,,,,,, ফারুক খান।। বিএনপি- জামায়াতের নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রস্তুত আছি- আসিফ আহম্মেদ আনিস মালদ্বীপে আলোকিত চাঁদপুর সংগঠনের সংবর্ধনায় কাজী হাবিবুর রহমান লাঠি খেলা উৎসব ২০২২ উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন পুলিশের মবিলাইজেশন কন্টিনজেন্টের বার্ষিক মহড়ার উদ্বোধন কমলগঞ্জে দোকানে চুরি, ১১ চোরাই মোবাইলসহ গ্রেফতার ১ বাকেরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার-৩

ঝুঁকি নিয়ে শেখ রাসেল সাঁকো পারাপার হচ্ছেন ডেমরার ডগাইর এলাকার বাসিন্দারা

মোঃ লিটন আহমেদ

চরম ঝুঁকি নিয়ে বাশের সাঁকো পারাপার হচ্ছেন রাজধানীর ডগাইর ইসলাম নগর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকার বাসিন্দারা। সাঁকোর বাশ নষ্ট হয়ে ধীরেধীরে অচল হয়ে পরছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে পথচারিদের। এটি পারাপার হতে গিয়ে অনেকেই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। এবং প্রায় প্রতিদিনই কেউ না কেউ বাশের চিপায় পা আটকে ও পড়ে গিয়ে আহত হচ্ছেন বলে জানান এলাকাবাসি। এদিকে এলাকাবাসির উদ্যোগে সাঁকোটি জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করা হচ্ছে। দিনে কয়েক হাজার পথচারি পার হওয়ার নিকটতম এই সাঁকোটি দ্রুত স্থায়ীভাবে পাকা সেতু করার দাবি এলাকাবাসির।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রাবাড়ী থেকে পুরাতন ডেমরা রোডের বাশেরপুল নামক এলাকার ডান পাশে প্রবাহিত হয়েছে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা- নারায়নগঞ্জ-ডেমরা ( ডিএনডি) ওয়াসা খাল। যার প্রশস্থ প্রায় দেড়শ ফুট। এর একপাশে রয়েছে সড়ক ও জনপথের ঢাকা-ডেমরা রোড। আর অপর পাশে ইসলাম নগর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা। এই পাশে খালটি ঘেঁষে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি প্রশস্থ পাকা রাস্তা। দীর্ঘ এই খালের ওপরের অনেকস্থানে রয়েছে কয়েকটি পাকা সেতু। কিন্ত এই সাঁকোর নিকট নেই কোন সেতু বা ব্রিজ। ফলে এই এলাকাবাসিদের ঢাকা-ডেমরা রোডে যেতে একদিকে প্রায় এক ও অন্যদিকে দেড় কিলোমিটার পথ ঘুরে যেতে হয়। ফলে এই দুর্দশা ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে প্রায় সাত বছর আগে স্থানীয় এলাকাবাসির উদ্যোগে এই বাশের সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়। যার নামকরণ করা হয় ‘শেখ রাসেল সাঁকো বা সেতু।’ সরেজমিনে দেখা যায়, দুইপাশে রেলিং ছাড়া দেড়শতাধিক ফুট লম্বা ও পাচ ফুট চওড়া এই বাশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন শিশু শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। একদিকে সাঁকোর রেলিং নেই, অন্যদিকে সেটি উঁচুনিচু অবস্থায় আছে। চলার সময় সাঁকোটি হেলেদোলে। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যায়। এছাড়া সাঁকোর একটু নিচেই পানি। রয়েছে কচুরিপানাও। সাঁকোটিতে রেলিং না থাকায় ও ঝাঁকুনির কারনে বয়স্ক ও শিশুরা চলাচলে অসাবধানতায় যে কোন সময় পা ফসকে খালে পড়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
এই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষসহ শিশু পথচারিরা পারাপার করেন বলে জানান এলাকার কয়েকজন স্থানীয় প্রবীন বাসিন্দাসহ অনেকেই। কারন হিসেবে তারা জানান, সাঁকোর ইস্টার্ন হাউজিং পাশের কয়েকটি মহল্লায় বসবাস করেন কয়েক লক্ষ জনগন। আর অপরপাশে অর্থাৎ ঢাকা-ডেমরা রোডে রয়েছে বেশ কয়েকটি বড় গার্মেন্টস, মিল-কারখানাসহ বিভিন্ন ছোটবড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা ও সাধারন জনগন সল্পসময়ে নিকটতম এই সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপারে বাধ্য হন। দিনে পারাপার কিছুটা সহজ হলেও রাতে পর্যাপ্ত আলোর অভাবে পারাপারে ভোগান্তিতে পরেন জনগন। এব্যপারে এলাকার প্রবীন বাসিন্দা হাজী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সাঁকোটি এলাকাবাসির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে আবারও সাঁকোটির অনেক বাশ পচে গেছে। আমরা এলাকাবাসি মিলে বাশ কিনে সাঁকোটির সংস্কার করছি। এটি পাকা সেতু করার জন্য আমরা যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। এদিকে হাজী সোহরাব সিকদার জানান, সাঁকোটি পারাপার করতে গিয়ে মাঝে মাঝেই অনেকেই পানিতে পরে যায় বা পা মচকে আহত হয়। গত মাসে আশি বছর বয়সের রফিকুল ইসলাম চৌধুরী নামের এক বৃদ্ধ সাঁকো পারাপারের সময় পানিতে পরে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসা নেন। সাঁকো পার হয়ে আসা গৃহিণী নাজমা আক্তার জানান, সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যেতে ও আনতে দিনে কয়েকবার সাঁকোটি খুবই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয়। যা আপনারা নিজ চোখেই দেখলেন। আমার মত অনেক মানুষ রেলিংবিহীন এই সাঁকো দিয়ে পারাপার হন। এটা দ্রুত পাকা করা উচিৎ।
এটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৪নম্বর ওয়ার্ডের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের দক্ষিণপাশ, হিজলতলা, বাশেরপুল, আমিনবাগ ও খান নগর এলাকাসহ ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের বামৈল, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের উত্তরপাশ, সালামবাগ, ইসলামবাগ, ব্যাংক কলোনি, ডগাইর নতুনপাড়া ও ভূঁইয়া মসজিদসহ বেশ কয়েকটি এলাকার কয়েক হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে বাধ্য হন। এব্যপারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: মাসুদুর রহমান মোল্লা বাবুল আজকের পত্রিকাকে জানান, সাঁকোটি এলাকাবাসির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে পাকা সেতু করার জন্য এলাকাবাসি যোগাযোগ মন্ত্রণাময়ে আবেদন করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শহীদ ভাই শেখ রাসেল নামক সাঁকোটিকে দ্রুত পাকা সেতু করার জন্য কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এবিষয়ে ঢাকা সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো: এমদাদুল হক মুঠোফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমাদের শেখ রাসেল সাঁকোটাকে পাকা সেতু করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্ত সেটা এই মুহূর্তে করা সম্ভব না। কবে পাকা করা হবে সেটাও নিশ্চিত করে বলতে পারছিনা। তবে দেরি হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালন প্রতিবন্ধীকতাকে জয় করে অনেকেই সফলতা লাভ করেছেন ……ডিসি মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম

ঝুঁকি নিয়ে শেখ রাসেল সাঁকো পারাপার হচ্ছেন ডেমরার ডগাইর এলাকার বাসিন্দারা

আপডেট টাইম ১০:১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২

মোঃ লিটন আহমেদ

চরম ঝুঁকি নিয়ে বাশের সাঁকো পারাপার হচ্ছেন রাজধানীর ডগাইর ইসলাম নগর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকার বাসিন্দারা। সাঁকোর বাশ নষ্ট হয়ে ধীরেধীরে অচল হয়ে পরছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে পথচারিদের। এটি পারাপার হতে গিয়ে অনেকেই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। এবং প্রায় প্রতিদিনই কেউ না কেউ বাশের চিপায় পা আটকে ও পড়ে গিয়ে আহত হচ্ছেন বলে জানান এলাকাবাসি। এদিকে এলাকাবাসির উদ্যোগে সাঁকোটি জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করা হচ্ছে। দিনে কয়েক হাজার পথচারি পার হওয়ার নিকটতম এই সাঁকোটি দ্রুত স্থায়ীভাবে পাকা সেতু করার দাবি এলাকাবাসির।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রাবাড়ী থেকে পুরাতন ডেমরা রোডের বাশেরপুল নামক এলাকার ডান পাশে প্রবাহিত হয়েছে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা- নারায়নগঞ্জ-ডেমরা ( ডিএনডি) ওয়াসা খাল। যার প্রশস্থ প্রায় দেড়শ ফুট। এর একপাশে রয়েছে সড়ক ও জনপথের ঢাকা-ডেমরা রোড। আর অপর পাশে ইসলাম নগর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা। এই পাশে খালটি ঘেঁষে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি প্রশস্থ পাকা রাস্তা। দীর্ঘ এই খালের ওপরের অনেকস্থানে রয়েছে কয়েকটি পাকা সেতু। কিন্ত এই সাঁকোর নিকট নেই কোন সেতু বা ব্রিজ। ফলে এই এলাকাবাসিদের ঢাকা-ডেমরা রোডে যেতে একদিকে প্রায় এক ও অন্যদিকে দেড় কিলোমিটার পথ ঘুরে যেতে হয়। ফলে এই দুর্দশা ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে প্রায় সাত বছর আগে স্থানীয় এলাকাবাসির উদ্যোগে এই বাশের সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়। যার নামকরণ করা হয় ‘শেখ রাসেল সাঁকো বা সেতু।’ সরেজমিনে দেখা যায়, দুইপাশে রেলিং ছাড়া দেড়শতাধিক ফুট লম্বা ও পাচ ফুট চওড়া এই বাশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন শিশু শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। একদিকে সাঁকোর রেলিং নেই, অন্যদিকে সেটি উঁচুনিচু অবস্থায় আছে। চলার সময় সাঁকোটি হেলেদোলে। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যায়। এছাড়া সাঁকোর একটু নিচেই পানি। রয়েছে কচুরিপানাও। সাঁকোটিতে রেলিং না থাকায় ও ঝাঁকুনির কারনে বয়স্ক ও শিশুরা চলাচলে অসাবধানতায় যে কোন সময় পা ফসকে খালে পড়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
এই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষসহ শিশু পথচারিরা পারাপার করেন বলে জানান এলাকার কয়েকজন স্থানীয় প্রবীন বাসিন্দাসহ অনেকেই। কারন হিসেবে তারা জানান, সাঁকোর ইস্টার্ন হাউজিং পাশের কয়েকটি মহল্লায় বসবাস করেন কয়েক লক্ষ জনগন। আর অপরপাশে অর্থাৎ ঢাকা-ডেমরা রোডে রয়েছে বেশ কয়েকটি বড় গার্মেন্টস, মিল-কারখানাসহ বিভিন্ন ছোটবড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা ও সাধারন জনগন সল্পসময়ে নিকটতম এই সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপারে বাধ্য হন। দিনে পারাপার কিছুটা সহজ হলেও রাতে পর্যাপ্ত আলোর অভাবে পারাপারে ভোগান্তিতে পরেন জনগন। এব্যপারে এলাকার প্রবীন বাসিন্দা হাজী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সাঁকোটি এলাকাবাসির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে আবারও সাঁকোটির অনেক বাশ পচে গেছে। আমরা এলাকাবাসি মিলে বাশ কিনে সাঁকোটির সংস্কার করছি। এটি পাকা সেতু করার জন্য আমরা যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। এদিকে হাজী সোহরাব সিকদার জানান, সাঁকোটি পারাপার করতে গিয়ে মাঝে মাঝেই অনেকেই পানিতে পরে যায় বা পা মচকে আহত হয়। গত মাসে আশি বছর বয়সের রফিকুল ইসলাম চৌধুরী নামের এক বৃদ্ধ সাঁকো পারাপারের সময় পানিতে পরে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসা নেন। সাঁকো পার হয়ে আসা গৃহিণী নাজমা আক্তার জানান, সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যেতে ও আনতে দিনে কয়েকবার সাঁকোটি খুবই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয়। যা আপনারা নিজ চোখেই দেখলেন। আমার মত অনেক মানুষ রেলিংবিহীন এই সাঁকো দিয়ে পারাপার হন। এটা দ্রুত পাকা করা উচিৎ।
এটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৪নম্বর ওয়ার্ডের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের দক্ষিণপাশ, হিজলতলা, বাশেরপুল, আমিনবাগ ও খান নগর এলাকাসহ ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের বামৈল, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের উত্তরপাশ, সালামবাগ, ইসলামবাগ, ব্যাংক কলোনি, ডগাইর নতুনপাড়া ও ভূঁইয়া মসজিদসহ বেশ কয়েকটি এলাকার কয়েক হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে বাধ্য হন। এব্যপারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: মাসুদুর রহমান মোল্লা বাবুল আজকের পত্রিকাকে জানান, সাঁকোটি এলাকাবাসির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে পাকা সেতু করার জন্য এলাকাবাসি যোগাযোগ মন্ত্রণাময়ে আবেদন করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শহীদ ভাই শেখ রাসেল নামক সাঁকোটিকে দ্রুত পাকা সেতু করার জন্য কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এবিষয়ে ঢাকা সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো: এমদাদুল হক মুঠোফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমাদের শেখ রাসেল সাঁকোটাকে পাকা সেতু করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্ত সেটা এই মুহূর্তে করা সম্ভব না। কবে পাকা করা হবে সেটাও নিশ্চিত করে বলতে পারছিনা। তবে দেরি হবে।