বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪২ অপরাহ্ন

ঝিনাইদহে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, পল্লি চিকিৎসক আটক

মোঃ শাহ আলম ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ঝিনাইদহের মহেশপুরে সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাইফুল ইসলাম (৩২) নামে এক পল্লী চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক ওই ছাত্রীকে ওষুধ খাওয়া এবং ইনজেকশন দিয়ে অচেতন করে ফেলে। বর্তমানে ধর্ষিতা মেয়েটি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার সেজিয়া বাজারে নাজ ফার্মেসিতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার স্কুল ছাত্রীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। সে সেজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। ধর্ষক সাইফুল ইসলাম মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউনিয়ানের সেজিয়া গ্রামের খোদাবন্দীপাড়ার নুর মোহাম্মাদের ছেলে ও পল্লি চিকিৎসক। নির্যাতনের শিকার স্কুল ছাত্রীর মা ,বলছে, কয়েক দিন আগে তার মেয়ের জ্বর হয়। জ্বর ভাল না হলে তার বাবা শনিবার রাতে সাইফুল ইসলামের নাজ ফার্মেসিতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এবং সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিয়ে বাড়ি ফিরিয়ে আনে। পল্লি চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম মেয়ের বাবা আজিজকে বলে সকালে পাঠিয়ে দেবেন আরও চিকিৎসা দিতে হবে। পরে রোববার সকালে চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম এর কথা মত তার পিতা চিকিৎসার জন্য মেয়েকে নাজ ফার্মেসিতে পাঠিয়ে দেন। স্কুল ছাত্রী সেখানে গেলে সাইফুল ইসলাম তার শরীরে একটি ইনজেকশন পুশ করে এবং একটি ট্যাবলেট খাইয়ে দেয়। এরপর স্কুল ছাত্রী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে সাইফুল ইসলাস তাকে ধর্ষণ করে। স্কুল ছাত্রীর পরিবারের লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস মোবাইলে জানান, ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar