ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঝড়ে লন্ডভন্ড নড়াইলের একটি মাদ্রাসা কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উদযাপন কুসিক নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন যারা সিলেটের বন‍্যার্তদের পাশে বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানা আকস্মিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার গজারিয়ায় মাদক, সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ,প্রতিরোধে বিট পুলিশের সভা অনুষ্ঠিত। নওগাঁর নিয়ামতপুরে শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লায় ট্রেনের চাকা লাইনচ্যুত হয়ে তিন রুটে চলাচল বন্ধ। সরে দাঁড়ালো বিদ্রোহী,সাতকানিয়ার এওচিয়ায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবু ছালেহ

জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে সিরিজ শুরু টাইগারদের

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক:   জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশই ফেভারিট। কিন্তু সাকিব-তামিম না থাকায় হয়তো অজানা কোনো শঙ্কা কাজ করছিল। তবে মাঠে সাকিব-তামিমের অনুপস্থিতি টের পাওয়া যায়নি। ব্যাটিংয়ে যদিও বাংলাদেশ প্রথমে পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল কিন্তু পরে ইমরুল কায়েস ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ১২৭ রানের জুটিতে ভালো স্কোর গড়ে টাইগাররা। পরে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইন-আপ ধসিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাজমুল ইসলাম অপু। যার ফলে এই ম্যাচে জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে মাশরাফি বাহিনী। জিম্বাবুয়েকে ২৮ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। রবিবার দুপুরে শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইমরুল কায়েসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৭১ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ২৪৩ রানে থেমেছে।

সাকিব-তামিম বিহীন ম্যাচে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে শুরুতে নেমেছিলেন ইমরুল ও লিটন দাস। তবে দলীয় ১৬ রানেই লিটন আউট হয়ে যান। এরপর মাঠে নামেন অভিষিক্ত ফজলে মাহমুদ রাব্বি। রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান তিনি। মাত্র ১৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে সেই চাপ কাটাতে খেলছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু বেশিদূর যেতে পারেননি। দলীয় ৬৬ রানে ফিরে যান দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিক (১৫)।
এরপর ইমরুলের সঙ্গে দলের হাল ধরেন মিঠুন। চতুর্থ উইকেটে এ দুজন ৭৩ রান যোগ করেন। এরপর মিঠুন আউট হয়ে যান ব্যক্তিগত ৩৭ রানে। তাকে অনুসরণ করেন মাহমুদউল্লাহ ও মিরাজ। ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
তবে একপাশে অবিচল ছিলেন ইমরুল। তার সঙ্গে সপ্তম উইকেটে জুটি বাঁধেন সাইফ উদ্দিন। তারা দু’জন এই জুটিতে করেন ১২৭ রান। এটি ওয়ানডেতে সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
মূলত এখান থেকেই লড়াই করার মতো স্কোর পায় মাশরাফি বাহিনী। পরে ইমরুল ও সাইফ দুজনই আউট হলেও বাংলাদেশ ২৭১ রান করতে সক্ষম হয়। জিম্বাবুয়ের কাইল জার্ভিস চারটি এবং টেন্ডাই চাতারা তিনটি করে উইকেট নেন।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝড়ে লন্ডভন্ড নড়াইলের একটি মাদ্রাসা

জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে সিরিজ শুরু টাইগারদের

আপডেট টাইম ০৫:০২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮

মাতৃভূমির খবর ডেস্ক:   জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশই ফেভারিট। কিন্তু সাকিব-তামিম না থাকায় হয়তো অজানা কোনো শঙ্কা কাজ করছিল। তবে মাঠে সাকিব-তামিমের অনুপস্থিতি টের পাওয়া যায়নি। ব্যাটিংয়ে যদিও বাংলাদেশ প্রথমে পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল কিন্তু পরে ইমরুল কায়েস ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ১২৭ রানের জুটিতে ভালো স্কোর গড়ে টাইগাররা। পরে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইন-আপ ধসিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাজমুল ইসলাম অপু। যার ফলে এই ম্যাচে জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে মাশরাফি বাহিনী। জিম্বাবুয়েকে ২৮ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। রবিবার দুপুরে শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইমরুল কায়েসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৭১ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ২৪৩ রানে থেমেছে।

সাকিব-তামিম বিহীন ম্যাচে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে শুরুতে নেমেছিলেন ইমরুল ও লিটন দাস। তবে দলীয় ১৬ রানেই লিটন আউট হয়ে যান। এরপর মাঠে নামেন অভিষিক্ত ফজলে মাহমুদ রাব্বি। রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান তিনি। মাত্র ১৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে সেই চাপ কাটাতে খেলছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু বেশিদূর যেতে পারেননি। দলীয় ৬৬ রানে ফিরে যান দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিক (১৫)।
এরপর ইমরুলের সঙ্গে দলের হাল ধরেন মিঠুন। চতুর্থ উইকেটে এ দুজন ৭৩ রান যোগ করেন। এরপর মিঠুন আউট হয়ে যান ব্যক্তিগত ৩৭ রানে। তাকে অনুসরণ করেন মাহমুদউল্লাহ ও মিরাজ। ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
তবে একপাশে অবিচল ছিলেন ইমরুল। তার সঙ্গে সপ্তম উইকেটে জুটি বাঁধেন সাইফ উদ্দিন। তারা দু’জন এই জুটিতে করেন ১২৭ রান। এটি ওয়ানডেতে সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
মূলত এখান থেকেই লড়াই করার মতো স্কোর পায় মাশরাফি বাহিনী। পরে ইমরুল ও সাইফ দুজনই আউট হলেও বাংলাদেশ ২৭১ রান করতে সক্ষম হয়। জিম্বাবুয়ের কাইল জার্ভিস চারটি এবং টেন্ডাই চাতারা তিনটি করে উইকেট নেন।