ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ২ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটুয়াখালীতে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত। সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে দুমকিতে আওয়ামীলীগের উদ্যোগে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল বদরপুর আদমিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় আগুন দিয়ে অধ্যক্ষকে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন করা হয় কুমিল্লার মুরাদনগরে কূষিজমিন থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ টি ড্রেজার মেশিন জব্দ। বাকেরগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকের অপচিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন গৃহবধূ,থানায় অভিযোগ টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের প্রশাসনিক সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা‌ গুইমারা উপজেলায় বার্ষিক কার্যক্রম পর্যালোচনা ও ফিডব্যাগ গ্রহণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমাহামার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ।

চৌগাছায় তিন দিনে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত

(চৌগাছা প্রতিনিধি) যশোরের চৌগাছায় কোন কিছুতেই যেন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

গত তিনদিনে পৌর সদরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী ও শিশুসহ ১২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের যশোরে রেফার করা হয়েছে। বাকিরা চৌগাছা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন মহল্লায় প্রচার কাজ পরিচালনার পাশাপাশি ডেঙ্গুর উৎপত্তিস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংসে কাজ করে যাচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও পৌর এলাকা থেকে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী চৌগাছা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ভর্তিকৃতদের মধ্যে দুইজন রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আক্রান্তরা হলেন চৌগাছা পৌর এলাকার তাসের আলীর মেয়ে তিশা খাতুন (২৪), মতিয়ার রহমানের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৫৫), শান্তি বিশ্বাসের ছেলে রুপম (২৩), থানাপাড়ার রফিকুল ইসলামের ছেলে তানভীর হোসেন (১১), ইছাপুর গ্রামের মৃত আহমদ আলীর ছেলে লুৎফর রহমান (৪৫), একই গ্রামের হায়দার আলীর স্ত্রী গোলাপী বেগম (৩৫), উপজেলার গুয়াতলী গ্রামের সাহেব আলীর মেয়ে সাহারা খাতুন (১৪), কদমতলা গ্রামের জাফর আলীর মেয়ে জিনিয়া খাতুন (৩), ভাদড়া গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে নাহিদ হোসেন (২৬), ধুলিয়ানী গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে সাগর হোসেন (২৪), মুক্তদাহ গ্রামের ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে রবিউল ইসলাম (৫৫) ও রঘুনাথপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে রুহুল আজিজ (৫৫)।

আক্রান্তদের মধ্যে নাহিদ হোসেন ও রুহুল আজিজের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের সোমবার যশোর মেডিকের কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। ইতোমধ্যে অনেক রোগী সুস্থ হয়ে যাওয়ায় তাদের ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে দ্রুতই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার আহবান জানান তিনি।

এ অবস্থায় সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম ও পৌর কর্তৃপক্ষ ওই মহল্লার বাড়ি বাড়ি জনসচেতনতা মূলক প্রচারাভিযানের পাশাপাশি ডেঙ্গুর উৎপত্তিস্থল ওষুধ স্প্রে করে ধ্বংস করেন।

এ সময় পৌরসভার সচিব গাজী আবুল কাশেম, স্বাস্থ্য সহকারী আবু সাঈদ রাজু, প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলমগীর মতিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কবি শাহানুর আলম উজ্জ্বল, পৌর কর্মচারী মনিরুল ইসলাম, মাসুদ আহমেদসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পটুয়াখালীতে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

চৌগাছায় তিন দিনে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত

আপডেট টাইম ০৬:০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

(চৌগাছা প্রতিনিধি) যশোরের চৌগাছায় কোন কিছুতেই যেন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

গত তিনদিনে পৌর সদরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী ও শিশুসহ ১২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের যশোরে রেফার করা হয়েছে। বাকিরা চৌগাছা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন মহল্লায় প্রচার কাজ পরিচালনার পাশাপাশি ডেঙ্গুর উৎপত্তিস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংসে কাজ করে যাচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও পৌর এলাকা থেকে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী চৌগাছা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ভর্তিকৃতদের মধ্যে দুইজন রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আক্রান্তরা হলেন চৌগাছা পৌর এলাকার তাসের আলীর মেয়ে তিশা খাতুন (২৪), মতিয়ার রহমানের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৫৫), শান্তি বিশ্বাসের ছেলে রুপম (২৩), থানাপাড়ার রফিকুল ইসলামের ছেলে তানভীর হোসেন (১১), ইছাপুর গ্রামের মৃত আহমদ আলীর ছেলে লুৎফর রহমান (৪৫), একই গ্রামের হায়দার আলীর স্ত্রী গোলাপী বেগম (৩৫), উপজেলার গুয়াতলী গ্রামের সাহেব আলীর মেয়ে সাহারা খাতুন (১৪), কদমতলা গ্রামের জাফর আলীর মেয়ে জিনিয়া খাতুন (৩), ভাদড়া গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে নাহিদ হোসেন (২৬), ধুলিয়ানী গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে সাগর হোসেন (২৪), মুক্তদাহ গ্রামের ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে রবিউল ইসলাম (৫৫) ও রঘুনাথপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে রুহুল আজিজ (৫৫)।

আক্রান্তদের মধ্যে নাহিদ হোসেন ও রুহুল আজিজের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের সোমবার যশোর মেডিকের কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। ইতোমধ্যে অনেক রোগী সুস্থ হয়ে যাওয়ায় তাদের ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে দ্রুতই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার আহবান জানান তিনি।

এ অবস্থায় সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম ও পৌর কর্তৃপক্ষ ওই মহল্লার বাড়ি বাড়ি জনসচেতনতা মূলক প্রচারাভিযানের পাশাপাশি ডেঙ্গুর উৎপত্তিস্থল ওষুধ স্প্রে করে ধ্বংস করেন।

এ সময় পৌরসভার সচিব গাজী আবুল কাশেম, স্বাস্থ্য সহকারী আবু সাঈদ রাজু, প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলমগীর মতিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কবি শাহানুর আলম উজ্জ্বল, পৌর কর্মচারী মনিরুল ইসলাম, মাসুদ আহমেদসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।