বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৫২ অপরাহ্ন

চান্দিনায় সরকারী জমি দখল অভিযোগের তদন্ত শুরু-

মো: সাজ্জাদ হোসেন (কুমিল্লা,চান্দিনা) : কুমিল্লার চান্দিনায় আল-আমিন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার সামনে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের ১নং খাস খতিয়ানের আওতাধীন সরকারি জমি দখলের অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে চান্দিনায় আল-আমিন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা ও চান্দিনা পশ্চিম বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ওই ভূমি পরিদর্শন ও তদন্ত শুরু করেছে চান্দিনা উপজেলা প্রশাসন। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও মসজিদ কমিটির দায়ের করা পৃথক অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই তদন্ত কার্যক্রম হয়।
চান্দিনা উপজেলা ভূমি অফিসের কাননগো চম্পক ত্রিপুরা ও চান্দিনা পৌর ভূমি অফিসের নায়েব মো. মোখলেছুর রহমান দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তারা চান্দিনা আল আমিন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগকারীদের সাথে কথা বলেন।
এর আগে ১৯ অক্টোবর (সোমবার) দুপুরে চান্দিনা আল আমিন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মিলনায়তনে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন সংবাদ সম্মেলন করেন। সাদ বিল্ডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান ওই জায়গাটি রাতের অন্ধকারে দখল করে নিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। দখলকৃত ওই জমি কুমিল্লা জেলা প্রশাসক এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের সম্পত্তি বলে দাবি করা হয়। এছাড়া গত ১৩ অক্টোবর বিকেলে চান্দিনা পশ্চিম বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটি ও মুসল্লীরা ঘটনাস্থলের সামনে প্রতিবাদ সভা করেন। এর আগে মাদ্রাসা ও মসজিদ কমিটি কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তদন্ত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন- চান্দিনা আল আমিন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ জাকির হোসেইন, চান্দিনা পশ্চিম বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি আলহাজ¦ মো. রমজান আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ আলী ভূইয়া, সদস্য মাকসুদ হাসান মাসুম, মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ মো. আবু তাহের মুন্সী, সদস্য মো. নূরুল ইসলাম মুন্সী প্রমুখ।
এব্যাপারে সাদ বিল্ডার্স এর জিএম খলিলুর রহমান সজল বলেন- ’আমরা সিএস এবং আরএস খতিয়ান ও দলিলমূল্যে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি ক্রয় করেছি। আমাদের প্রতিষ্ঠান কোন সরকারি ভূমি দখল করেনি। তারা যে দাবি করেছেন তা ভিত্তিহীন।
চান্দিনা উপজেলা ভূমি অফিসের কাননগো চম্পক ত্রিপুরা জানান, চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মসজিদ কমিটি ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। আমরা প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে এসেছি। ম্যাপ, খতিয়ান ও কাগজপত্র মিলিয়ে দেখতে হবে। অপর পক্ষকে কাগজপত্র দেয়ার জন্য বলেছি। এখনই এবিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar