ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঝড়ে লন্ডভন্ড নড়াইলের একটি মাদ্রাসা কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উদযাপন কুসিক নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন যারা সিলেটের বন‍্যার্তদের পাশে বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানা আকস্মিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার গজারিয়ায় মাদক, সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ,প্রতিরোধে বিট পুলিশের সভা অনুষ্ঠিত। নওগাঁর নিয়ামতপুরে শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লায় ট্রেনের চাকা লাইনচ্যুত হয়ে তিন রুটে চলাচল বন্ধ। সরে দাঁড়ালো বিদ্রোহী,সাতকানিয়ার এওচিয়ায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবু ছালেহ

চলে গেলেন শচীনের গুরু আচরেকার

ফাইল ছবি

স্পোর্টস ডেস্ক :  নতুন বছরের শুরুতেই ভারতীয় ক্রিকেটে শোকের আবহ। চলে গেলেন রমাকান্ত আচরেকার। ক্রিকেট নিয়ে উৎসাহ রয়েছে অথচ আচরেকারের নাম শোনেননি এমন মানুষ সত্যিই বিরল। শচীন টেন্ডুলকার, বিনোদ কাম্বলি, প্রভীন আমরেদের মতো নক্ষত্রদের তিনি উপহার দিয়েছেন বিশ্ব ক্রিকেটকে। ৮৭ বছর বয়সে মুম্বাই ক্রিকেটের এক রঙিন অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটালো তার মৃত্যু। গতকাল বুধবার বিকাল চারটায় নিজ বাসভবনেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৩২ সালে জন্ম আচরেকারের। ১৯৬০ সালে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার হয়ে একটি মাত্র প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছিলেন হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বিপক্ষে। খেলোয়াড়ের চেয়ে তিনি বেশি সুনাম অর্জন করেন কোচ হিসেবে। খ্যাতি ছড়িয়ে পড়াতেই ১১ বছর বয়সী টেন্ডুলকারকে তাঁর বড় ভাই নিয়ে যান সারদাশ্রম আচরেকারের একাডেমিতে। টেন্ডুলকারের প্রতিভা দেখে স্কুল বদলানোর পরামর্শ দেন প্রথমে। বান্দারার নিউ ইংলিশ স্কুল থেকে টেন্ডুলকার চলে আসেন সারদাশ্রম বিদ্যা মন্দিরে। বাকিটা ইতিহাস।

আচরেকারের ছোঁয়ায় সাফল্যের শিখরে ওঠা টেন্ডুলকার গুরুকে নিয়ে একবার বলেছিলেন, ১১ বছর বয়সেই আমার আসল ক্রিকেটের শুরু, যখন আমার বড় ভাই নিয়ে যান আচরেকারের কাছে। সেই তিন-চার বছরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমার গড়ে ওঠার পেছনে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝড়ে লন্ডভন্ড নড়াইলের একটি মাদ্রাসা

চলে গেলেন শচীনের গুরু আচরেকার

আপডেট টাইম ০৬:১৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারী ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক :  নতুন বছরের শুরুতেই ভারতীয় ক্রিকেটে শোকের আবহ। চলে গেলেন রমাকান্ত আচরেকার। ক্রিকেট নিয়ে উৎসাহ রয়েছে অথচ আচরেকারের নাম শোনেননি এমন মানুষ সত্যিই বিরল। শচীন টেন্ডুলকার, বিনোদ কাম্বলি, প্রভীন আমরেদের মতো নক্ষত্রদের তিনি উপহার দিয়েছেন বিশ্ব ক্রিকেটকে। ৮৭ বছর বয়সে মুম্বাই ক্রিকেটের এক রঙিন অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটালো তার মৃত্যু। গতকাল বুধবার বিকাল চারটায় নিজ বাসভবনেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৩২ সালে জন্ম আচরেকারের। ১৯৬০ সালে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার হয়ে একটি মাত্র প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছিলেন হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বিপক্ষে। খেলোয়াড়ের চেয়ে তিনি বেশি সুনাম অর্জন করেন কোচ হিসেবে। খ্যাতি ছড়িয়ে পড়াতেই ১১ বছর বয়সী টেন্ডুলকারকে তাঁর বড় ভাই নিয়ে যান সারদাশ্রম আচরেকারের একাডেমিতে। টেন্ডুলকারের প্রতিভা দেখে স্কুল বদলানোর পরামর্শ দেন প্রথমে। বান্দারার নিউ ইংলিশ স্কুল থেকে টেন্ডুলকার চলে আসেন সারদাশ্রম বিদ্যা মন্দিরে। বাকিটা ইতিহাস।

আচরেকারের ছোঁয়ায় সাফল্যের শিখরে ওঠা টেন্ডুলকার গুরুকে নিয়ে একবার বলেছিলেন, ১১ বছর বয়সেই আমার আসল ক্রিকেটের শুরু, যখন আমার বড় ভাই নিয়ে যান আচরেকারের কাছে। সেই তিন-চার বছরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমার গড়ে ওঠার পেছনে।