বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

ঘরে থাকাই নিরাপদ, ই-কমার্সই ভবিষ্যৎ

ই-কমার্স এবং ডাক বিভাগের সম্মিলিত শক্তি অনলাইন ব্যবসাকে প্রান্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে পারে- ই-কমার্স দিবসের আলোচনায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ই-কমার্স দিবস ২০২১ উপলক্ষ্যে ৭ এপ্রিল, বুধবার ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-কমার্স এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ‘‘ই-কমার্স ফর লিভিং’’ শিরোনামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। ই-ক্যাবের প্রেসিডেন্ট জনাব শমী কায়সারের সভাপতিত্বে রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত এই সভায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহম্মেদ পলক এমপি ও ই-ক্যাবের উপদেষ্ঠা নাহিম রাজ্জাক এমপি। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীন, আমদানী ও রফতানী অনু-বিভাগের প্রধান জনাব এএইচএম শফিকুজ্জামান, ডিজিটাল কমার্স সেল এর প্রধান জনাব হাফিজুর রহমান, মোঃ ওবায়দুল আজম, ডিরেক্টর এন্ড চিফ এক্সেকিউটিভ অফিসার, বিএফটিআই। এবারের ই-কমার্স দিবসের প্রতিপাদ্য ‘‘ঘরে থাকাই নিরাপদ, ই-কমার্সই ভবিষ্যৎ’’।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মুস্তাফা জব্বার বলেন, ই-ক্যাব আজ অপরিহার্য প্রয়োজনে পরিণত হয়েছে। ই-ক্যাব হয়েছে ১৫০০ সদস্যের পরিবার। এত অল্প সময়ে ই-কমার্সের এই ব্যাপ্তি ও ই-ক্যাবের এই অগ্রগতি শুধু করোনার কারণে হয়নি। করোনার মতো পরিস্থিতিতে সরকারের নানা পদক্ষেপ ও ই-ক্যাবের যারা নেতৃত্বে রয়েছে তাদের ক্রমাগত প্রচেষ্টার ফসল। দেশের সবচেয়ে বড় ডাক-চেইনকে ই-কমার্সের কাজে লাগানোর মাধ্যমে ই-কমার্সের ব্যাপ্তি আরো প্রান্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব। ই-কমার্স এবং পোস্টাল সার্ভিস উভয় সক্ষমতা মিলিয়ে গ্রামীণ ই-কমার্সের ব্যপ্তি বাড়ানো যায়। কারণ ডাক বিভাগের মতো এত বড় বাহিনী ও নেটওয়ার্ক দেশের কোনো প্রাইভেট বা পাবলিক সেক্টরের নেই।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহম্মেদ পলক বলেন, বাংলাদেশের ই-কমার্স এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়েছে প্রবৃদ্ধির একটা উদাহরণ হিসেবে। এটা সম্ভব হয়েছে ই-ক্যাবের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং এই সেক্টরের কর্মীদের একনিষ্ঠ পরিশ্রমের কারণে। ই-ক্যাব একটি নবীন সংগঠন হয়েও তাদের কর্মতৎপরতা এবং আপদকালীন সময়ে সেবা দিয়ে সক্ষমতা ও দক্ষতার পরিচয়ে দিয়ে আইসিটি সেক্টরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর যে তিনটি দেশ করোনাকালীণ সময়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। তারমধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এতে ই-ক্যাব সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

ই-ক্যাবের উপদেষ্ঠা নাহিম রাজ্জাক এমপি বলেন, ই-ক্যাব যেভাবে মাঠ পর্যায়ে এবং সরকারের সাথে পলিসি পর্যায়ে কাজ করে দেশের ই-কমার্সের উন্নয়নে কাজ করছেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে ই-কমার্সের উল্লেখযোগ্য ব্যপ্তি ঘটেছে। সময়ের সাথে সঠিক পদক্ষেপ ও নেতৃত্ব দেয়ার জন্য তিনি ই-ক্যাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রশংসা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ই-ক্যাবের প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন স্বপ্ন আজ সফল হয়েছে। আজ মুজিব বর্ষে এবং স্বাধীনতার ৫০তম বর্ষে এসে আমরা তার সুফল ভোগ করছি। বিগত সময়ে ই-ক্যাব সেযব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সবসময় আমরা সরকারের সহযোগিতা পেয়েছি এবং পাচ্ছি। করোনার ঢেউ যখন দ্বিতীয়বার এসেছে তখন সরকার প্রথমে চলাচল সীমিত ঘোষণা করে ৬ টা পর্যন্ত। আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে এবং সরাসরি গিয়ে বর্তমানে এই সময়টা রাত ১২টা পর্যন্ত বর্ধিত করেছি। এভাবে আমরা মানুষকে সেবা দিতে অনলাইন উদ্যোক্তাদের নিয়ে সবার পাশে থাকবো।

ই-ক্যাবের সেক্রেটারী জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল, ফিন্যান্স সেক্রটারী আব্দুল হক অনু, জয়েন্ট সেক্রেটারী নাসিমা আক্তার নিশা, ডিরেক্টর জিয়া আশরাফ, ডিরেক্টর সাইদ রহমান, জেনারেল ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম শোভন বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ই-ক্যাবের ডিরেক্টর আসিফ আহনাফ।

ই-ক্যাবের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা তাদের চলতি বছরের তাদের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar