ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে শরনখোলা উপজেলার রায়েন্দা বাজার প্লাবিত। ভাঙ্গা – যশোর – বেনাপোল মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরন হলে দুরত্ব কমবেশি ৮৬ কি: মি: গজারিয়ায় ভবেরচর ইউনিয়নে জাতীয় শোক দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত। মাদারীপুরের কালকিনিতে এক শিশুকে ধর্ষনের চেষ্টা,থানায় মামলা দায়ের টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত রাঙ্গাবালীর জল কপাটের বেহাল দশা, দুশ্চিন্তায় কৃষকরা গজারিয়ার বালুয়াকান্দীতে অনুদানের চেক হস্তান্তর মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের যৌথ বর্ধিত সভা ট্রাক উল্টে খাদে পড়ে গেল শরনখোলা উপজেলায় মতলব উত্তরে নতুন ভোটার ফরমে ইউপি সদস্যের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ

কুষ্টিয়া দহকুলায় কথিত পশু ডাঃ বিল্লালের ভুল চিকিৎসায় সর্বশান্ত হলেন এক কৃষক

মোহাম্মদ রফিক কুষ্টিয়া :—————  কুষ্টিয়া সদর  উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা হিন্দু পাড়ায় গত ২৬ আগস্ট  দুলাল নামে এক কৃষকের গরু অসুস্থ হলে স্থানীয় পশু চিকিৎসক বিল্লালকে চিকিৎসার জন্য ডাকে।  কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল পশুর পায়ে ব্যথা ও গায়ে জ্বর থাকার কারণে গরুকে এন্টিবায়োটিকসহ তিন ধরনের ইনজেকশন করে, পরদিন পুনরায় কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল গরুটিকে আবারো অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ইনজেকশন করে। এ সময় পশুটির অবস্থা অবনতি হলে কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল সেখান থেকে সটকে পড়ে । তাকে ফোন দিলেও সে ফোন রিসিভ করেনি। স্থানীয়রা  পশুটির অবস্থা খারাপ দেখে স্থানীয় কসাই নায়েব আলীকে খবর দেয়। গরুটির বাজারমূল্য প্রায় ৬৫ হাজার টাকা হলেও ওই কসাই মাত্র ২০ হাজার টাকায় গরুটি কিনে নেয়। কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল হোসেন সে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা গ্রামের মৃত মুল্লিক মণ্ডলের ছেলে। কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল হোসেন সরকারি নিয়ম অমান্য করেই কুষ্টিয়ার বিভিন্ন জায়গায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। একটি সূত্র জানায়, গত ৮ আগস্ট চট্টগ্রাম কর্ণফুলী পশু বাজারে পশু চিকিৎসা করার জন্য গেলে প্রশাসনের কাছে আটক হয় এই কথিত পশু চিকিৎসক। এ সময় মুচলিকা দিয়ে  প্রশাসন তাকে ছেড়ে দিলে তিনি থেমে নেই। সরকারের নির্দেশ রয়েছে শুধুমাত্র রেস্টার্ট পশু চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক ও স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করতে পারবে কিন্তু তা মানছেন না এই কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল হোসেন। এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান, শুধুমাত্র চিকিৎসকই অ্যান্টিবায়োটিক ও স্ট্রাইড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করতে পারবেন। তাছাড়া কোনো প্রাথমিক পশু চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক  ও স্ট্রাইড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করতে পারবে না। যদি কোন প্রাথমিক পশু চিকিৎসক এন্টিবায়োটিক ও স্ট্রাইক জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করে তাহলে তার প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে শরনখোলা উপজেলার রায়েন্দা বাজার প্লাবিত।

কুষ্টিয়া দহকুলায় কথিত পশু ডাঃ বিল্লালের ভুল চিকিৎসায় সর্বশান্ত হলেন এক কৃষক

আপডেট টাইম ০৫:১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৯
মোহাম্মদ রফিক কুষ্টিয়া :—————  কুষ্টিয়া সদর  উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা হিন্দু পাড়ায় গত ২৬ আগস্ট  দুলাল নামে এক কৃষকের গরু অসুস্থ হলে স্থানীয় পশু চিকিৎসক বিল্লালকে চিকিৎসার জন্য ডাকে।  কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল পশুর পায়ে ব্যথা ও গায়ে জ্বর থাকার কারণে গরুকে এন্টিবায়োটিকসহ তিন ধরনের ইনজেকশন করে, পরদিন পুনরায় কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল গরুটিকে আবারো অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ইনজেকশন করে। এ সময় পশুটির অবস্থা অবনতি হলে কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল সেখান থেকে সটকে পড়ে । তাকে ফোন দিলেও সে ফোন রিসিভ করেনি। স্থানীয়রা  পশুটির অবস্থা খারাপ দেখে স্থানীয় কসাই নায়েব আলীকে খবর দেয়। গরুটির বাজারমূল্য প্রায় ৬৫ হাজার টাকা হলেও ওই কসাই মাত্র ২০ হাজার টাকায় গরুটি কিনে নেয়। কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল হোসেন সে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা গ্রামের মৃত মুল্লিক মণ্ডলের ছেলে। কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল হোসেন সরকারি নিয়ম অমান্য করেই কুষ্টিয়ার বিভিন্ন জায়গায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। একটি সূত্র জানায়, গত ৮ আগস্ট চট্টগ্রাম কর্ণফুলী পশু বাজারে পশু চিকিৎসা করার জন্য গেলে প্রশাসনের কাছে আটক হয় এই কথিত পশু চিকিৎসক। এ সময় মুচলিকা দিয়ে  প্রশাসন তাকে ছেড়ে দিলে তিনি থেমে নেই। সরকারের নির্দেশ রয়েছে শুধুমাত্র রেস্টার্ট পশু চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক ও স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করতে পারবে কিন্তু তা মানছেন না এই কথিত পশু চিকিৎসক বিল্লাল হোসেন। এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান, শুধুমাত্র চিকিৎসকই অ্যান্টিবায়োটিক ও স্ট্রাইড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করতে পারবেন। তাছাড়া কোনো প্রাথমিক পশু চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক  ও স্ট্রাইড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করতে পারবে না। যদি কোন প্রাথমিক পশু চিকিৎসক এন্টিবায়োটিক ও স্ট্রাইক জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করে তাহলে তার প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।