ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক ইলিশের দাম ৫ হাজার কলাপাড়ায় গাঁজাসহ ৪ জন গ্রেফতার প্রবাসে কাজের সন্ধানে গিয়ে প্রবাসীর মৃত্যু , তিন মাসপর নিজ বাড়িতে দাফন পটুয়াখালী জেলা শাখার সোনালী অতীত ক্লাবের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ আইজিপির অবৈধ দখল বাজদের দখলে বাকেরগঞ্জের পৌর শহরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া শ্রীমন্ত নদীর দু পাশ প্রধানমন্ত্রীর ৭৬ তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছন সোনারগাঁয়ে কাঁচপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সভা ও সদস্য সংগ্রহ বাকেরগঞ্জে সোশাল ইসলামি ব্যাংকের ১৪৩ তম শাখা উদ্ভোধন কুমিল্লায় নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে চারদিনের অভিযানে নামছে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড

কুষ্টিয়া কুমারখালীর উত্তর মিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মনিরুল থাকেন প্রবাসে, চাকরি করেন বাংলাদেশে।

দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার।

এস, এম, ওয়ালিদুজ্জামান শুভ কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের উত্তর
মিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম দীর্ঘ পাঁচ বছর
যাবত স্বপরিবারে আমেরিকার নিউইয়র্কে অবস্থান করে আসছে। অথচ বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষকের পদ বহাল তবিয়তে ধরে রেখেছেন তিনি। এদিকে ভারপ্রাপ্ত
প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে গোজামিল কার্যক্রম। নিউইয়র্কের সপ্তম শ্রেণীতে
প্রধান শিক্ষক মনিরুলের ছেলে পড়াশোনা করে, সেই সাথে পাঁচ বছরের মধ্যে
একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি নিউইয়র্কে। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং
কমিটির সভাপতি ও কুমারখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে উৎকোচের
মাধ্যমে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে স্বপরিবারে বসবাস করছেন।
তবুও বহাল তবিয়তে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে কুমারখালীর উত্তর মিরপুর মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে বহাল এই প্রধান শিক্ষক। একাধারে ৩ মাস ১৬
দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা শিক্ষা
অফিসারের অনুমতি ছাড়া যোগদান করতে পারবে না তিনি। অথচ সেখানে দীর্ঘ ৫ বছর
অনুপস্থিত থেকেও কিভাবে স্কুলে যোগদান করে? আর কিভাবেই বা তিনি একজন
নিয়মিত সহকারী শিক্ষক মিলন ইসলামকে সাময়িক বহিষ্কার করে? অথচ ফৌজদারের
বিধি অনুসারে যতক্ষণ পর্যন্ত দোষী প্রমাণিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত
বহিষ্কারের কোন আদেশ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক নিতে পারেন
না। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলামের চাকুরিইতো বৈধ নয়।
সেখানে তিনি নিজেই পাঁচ বছর ধরে নিউইয়র্কে বসবাস করে সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কিবাবে চাকুরিতে যোগদান করে? আবার সকল নিয়ম
কানুন মেনে যারা চাকুরি করছেন সেই সকল শিক্ষকবৃন্দ প্রধান শিক্ষক
মনিরুলের অবৈধতা নিয়ে আঙ্গুল তুললে তাদেরকে বহিস্কারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে
বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে সহকারী শিক্ষক মিলনকে কোন নিয়মনীতি ছাড়াই গায়ের
জোড়ে সাময়িক বহিষ্কার করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির
সভাপতি। উল্লেখ্য যে, আমেরিকা প্রবাসী এই প্রধান শিক্ষক প্রতি দুই বছর
পরপর এদেশে আসেন এবং তার অনুগত স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠন করে রেখে
যান। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হলে আবার নতুন করে কমিটি গঠনের
সময় আসার কারণে মূলত এই সহকারী শিক্ষক মিলনকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়।
অভিযোগকারী মিলন জানান, এই প্রধান শিক্ষক স্কুলে না থাকায় স্কুল পরিচালনা
সহ নানাবিধ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই তিনি প্রধান শিক্ষকের এই না
থাকাকে ইস্যুকরে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির কাছে জবাব চেয়েছিলেন। এই জবাবই
যেন কাল হয়ে দাঁড়ালো মিলনের। সুত্রে জানা যায়, এই প্রধান শিক্ষক ও
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগসাজসে স্কুলের বিভিন্ন তহবিলের অর্থ লুটপাট
করে আসছে। তারই উদাহরন হিসাবে এবারের স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের
যে তফশিল ঘোষনা করা হয়েছে এবং যে মনোনয়নপত্র বিক্রয় করা হচ্ছে তার মূল্য
ধরা হয়েছে ১০ হাজার টাকা। ১টি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে মনোনয়নপত্রের দাম কেন
১০ হাজার টাকা করা হলো এমন প্রশ্ন এলাকাবাসীর। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা
অফিসারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে ৫শ থেকে ২ হাজার
টাকা পর্যন্ত মনোনয়নপত্রের মুল্য হতে পারে। তাই বলে ১০ হাজার টাকা কখনও
হতে পারে না। এ ব্যাপারে তিনি পদক্ষেপ নিবে বলে সাংবাদিকদের জানান এবং
আগামী ১৭ আগষ্ট এই বিদ্যালয়ের সকল অপকর্মের তদন্ত করা হবে তিনি আশ্বাস দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু শিক্ষার্থী জানান, আমাদের বিদ্যালয় শিক্ষক
সংকট, তারপরেও মিলন স্যার একজন ভালো মনের মানুষ, সেই সাথে একজন দক্ষ
শিক্ষক তিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে আমাদেরকে পাঠদান করে থাকেন । এমন একজন
শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করায় আমরা শিক্ষার্থীরা হতাশ। এ বিষয়ে ম্যানেজিং
কমিটির সভাপতি মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক
নিউইয়র্কে ছিলেন আমার আমলে ছুটি দিতে অপারগতা পোষণ করলে, তখন তিনি
নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে একমাস আগে এসে যোগদান করেন। অপরদিকে কুমারখালী
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রশিদের সাথে কথা হলে তিনি শাক দিয়ে
মাছ ঢাকার চেষ্টা করেন এবং না না কৌশলে প্রশ্ন এড়িয়ে যান।
সরজমিনে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের মনিরুল এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,
অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলাম।
পরবর্তীতে সাংবাদিকদের ক্যামেরা সরিয়ে ফেললে তখন তিনি বলেন, নিউইয়র্কে
আমি দোকানে চাকরি করতাম। ঘন্টায় আমাকে সাত ডলার, আর আমার স্ত্রীকে ঘন্টায়
১৯ ডলার দিতো। আমরা পাতাল ট্রেনে চড়ে নিউইয়র্কের বাসা থেকে ৫০ কিলোমিটার
দূরে বিভিন্ন দোকানে বোম চকলেট সহ নানা ধরনের পণ্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে
বিক্রি করতাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক ইলিশের দাম ৫ হাজার

কুষ্টিয়া কুমারখালীর উত্তর মিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মনিরুল থাকেন প্রবাসে, চাকরি করেন বাংলাদেশে।

আপডেট টাইম ১০:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২

দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার।

এস, এম, ওয়ালিদুজ্জামান শুভ কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের উত্তর
মিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম দীর্ঘ পাঁচ বছর
যাবত স্বপরিবারে আমেরিকার নিউইয়র্কে অবস্থান করে আসছে। অথচ বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষকের পদ বহাল তবিয়তে ধরে রেখেছেন তিনি। এদিকে ভারপ্রাপ্ত
প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে গোজামিল কার্যক্রম। নিউইয়র্কের সপ্তম শ্রেণীতে
প্রধান শিক্ষক মনিরুলের ছেলে পড়াশোনা করে, সেই সাথে পাঁচ বছরের মধ্যে
একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি নিউইয়র্কে। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং
কমিটির সভাপতি ও কুমারখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে উৎকোচের
মাধ্যমে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে স্বপরিবারে বসবাস করছেন।
তবুও বহাল তবিয়তে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে কুমারখালীর উত্তর মিরপুর মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে বহাল এই প্রধান শিক্ষক। একাধারে ৩ মাস ১৬
দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা শিক্ষা
অফিসারের অনুমতি ছাড়া যোগদান করতে পারবে না তিনি। অথচ সেখানে দীর্ঘ ৫ বছর
অনুপস্থিত থেকেও কিভাবে স্কুলে যোগদান করে? আর কিভাবেই বা তিনি একজন
নিয়মিত সহকারী শিক্ষক মিলন ইসলামকে সাময়িক বহিষ্কার করে? অথচ ফৌজদারের
বিধি অনুসারে যতক্ষণ পর্যন্ত দোষী প্রমাণিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত
বহিষ্কারের কোন আদেশ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক নিতে পারেন
না। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলামের চাকুরিইতো বৈধ নয়।
সেখানে তিনি নিজেই পাঁচ বছর ধরে নিউইয়র্কে বসবাস করে সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কিবাবে চাকুরিতে যোগদান করে? আবার সকল নিয়ম
কানুন মেনে যারা চাকুরি করছেন সেই সকল শিক্ষকবৃন্দ প্রধান শিক্ষক
মনিরুলের অবৈধতা নিয়ে আঙ্গুল তুললে তাদেরকে বহিস্কারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে
বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে সহকারী শিক্ষক মিলনকে কোন নিয়মনীতি ছাড়াই গায়ের
জোড়ে সাময়িক বহিষ্কার করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির
সভাপতি। উল্লেখ্য যে, আমেরিকা প্রবাসী এই প্রধান শিক্ষক প্রতি দুই বছর
পরপর এদেশে আসেন এবং তার অনুগত স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠন করে রেখে
যান। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হলে আবার নতুন করে কমিটি গঠনের
সময় আসার কারণে মূলত এই সহকারী শিক্ষক মিলনকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়।
অভিযোগকারী মিলন জানান, এই প্রধান শিক্ষক স্কুলে না থাকায় স্কুল পরিচালনা
সহ নানাবিধ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই তিনি প্রধান শিক্ষকের এই না
থাকাকে ইস্যুকরে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির কাছে জবাব চেয়েছিলেন। এই জবাবই
যেন কাল হয়ে দাঁড়ালো মিলনের। সুত্রে জানা যায়, এই প্রধান শিক্ষক ও
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগসাজসে স্কুলের বিভিন্ন তহবিলের অর্থ লুটপাট
করে আসছে। তারই উদাহরন হিসাবে এবারের স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের
যে তফশিল ঘোষনা করা হয়েছে এবং যে মনোনয়নপত্র বিক্রয় করা হচ্ছে তার মূল্য
ধরা হয়েছে ১০ হাজার টাকা। ১টি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে মনোনয়নপত্রের দাম কেন
১০ হাজার টাকা করা হলো এমন প্রশ্ন এলাকাবাসীর। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা
অফিসারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে ৫শ থেকে ২ হাজার
টাকা পর্যন্ত মনোনয়নপত্রের মুল্য হতে পারে। তাই বলে ১০ হাজার টাকা কখনও
হতে পারে না। এ ব্যাপারে তিনি পদক্ষেপ নিবে বলে সাংবাদিকদের জানান এবং
আগামী ১৭ আগষ্ট এই বিদ্যালয়ের সকল অপকর্মের তদন্ত করা হবে তিনি আশ্বাস দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু শিক্ষার্থী জানান, আমাদের বিদ্যালয় শিক্ষক
সংকট, তারপরেও মিলন স্যার একজন ভালো মনের মানুষ, সেই সাথে একজন দক্ষ
শিক্ষক তিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে আমাদেরকে পাঠদান করে থাকেন । এমন একজন
শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করায় আমরা শিক্ষার্থীরা হতাশ। এ বিষয়ে ম্যানেজিং
কমিটির সভাপতি মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক
নিউইয়র্কে ছিলেন আমার আমলে ছুটি দিতে অপারগতা পোষণ করলে, তখন তিনি
নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে একমাস আগে এসে যোগদান করেন। অপরদিকে কুমারখালী
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রশিদের সাথে কথা হলে তিনি শাক দিয়ে
মাছ ঢাকার চেষ্টা করেন এবং না না কৌশলে প্রশ্ন এড়িয়ে যান।
সরজমিনে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের মনিরুল এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,
অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলাম।
পরবর্তীতে সাংবাদিকদের ক্যামেরা সরিয়ে ফেললে তখন তিনি বলেন, নিউইয়র্কে
আমি দোকানে চাকরি করতাম। ঘন্টায় আমাকে সাত ডলার, আর আমার স্ত্রীকে ঘন্টায়
১৯ ডলার দিতো। আমরা পাতাল ট্রেনে চড়ে নিউইয়র্কের বাসা থেকে ৫০ কিলোমিটার
দূরে বিভিন্ন দোকানে বোম চকলেট সহ নানা ধরনের পণ্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে
বিক্রি করতাম।