মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫২ অপরাহ্ন

কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ রাতের আধাঁরে পরিবহন থেকে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি

স্টাফ রিপোর্টারঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও কাঁচপুর হাইওয়ে (ওসি) আব্দুল কাইয়ুমের নির্দেশক্রমে এসআই সামাদের নেতৃত্বে পুলিশ ফোর্স জনসম্মূখে পরিবহন থেকে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি। জানাগেছে, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মেইন একটি টার্নিং পয়েন্ট ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। এধরনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি পাঁচ মিনিটের জন্য বন্দ থাকলে, সম্পূর্ণ যানবাহন চলাচলে বিঘœ ঘটে। তেমনী যানজটে পরিবহন যাত্রীদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। তাই মালবাহী পরিবহন, লক্কর-ঝঁক্কর পরিবহন, লড়ি, ট্রাক, ভ্যান, মুরগির গাড়িসহ বিভিন্ন যাতের পরিবহন থেকে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, রাতের আধাঁরে সড়কে ডিউটিরত পুলিশ নিজের বক্ষে নামের ব্যাচ খুলে প্রত্যেকে ডিউটি পরিচালনা করেন। প্রকাশ্য চাঁদাবাজি কালে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করেন, আলমগীর নামের এক কনেষ্টবলকে আপনাদের ডিউটিরত সার্জেন্ট কিংবা এসআই কে? তিনি প্রশ্নের উত্তরে বললেন, (ওসি) কাইয়ুম তবে আপনাদের নামের ব্যাচ কোথায় তিনি বললেন আমাদের কারো ডিউটি করলে, পুলিশের পোশাকে ব্যাচ লাগে না। এক পর্যায়ে তার বসকে কানা ফুসাফুসি করে। হঠাৎ কনেষ্টবল আলমগীর এসে সাংবাদিকের পকেটের কলমটি কেড়ে নিলো। কেড়ে নিয়ে কলমটি খুলে দেখে শুনে, কলমটি আবার ফেরত দিলো। কিছুক্ষন পরে আবার হতাশায় মগ্ন হয়ে হাতে থাকা লাল রঙের একটি ব্যাগ সেটিও দেখার জন্য পাগল হয়ে যায়। এক পর্যায়ে ব্যাগটি দেখার সুযোগ না পেয়ে । ডিউটিরত পুলিশের সহকর্মীরা ডিউটি না করে ঘটনাস্থল কাঁচপুর মোড় মেইন পয়েন্ট ডিউটি থাকা অবস্থায় এক পাশে সকলে চেপে গেলো। অত:পর প্রকাশ্য চাঁদাবাজির বিষয়টি এসআই সামদকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করলে, তিনি কোন প্রকার কথাবার্তা না বলে, রেগে গিয়ে বলেন, আপনারা আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেন। তাতে কি হয় পড়ে দেখা যাবে। জনসম্মূখে প্রকাশ্য পরিবহন থেকে ব্যপক আকাড়ে উৎকোচ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশের এমন কান্ড দেখে মানুষ আশ্চর্যবোধ সৃষ্টি করেছেন। নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক অনেক পরিবহন ড্রাইভার ও মালিককে, পুলিশের অর্থ নেওয়ার কথা জিজ্ঞাসাবাদ করলে, তারা কোমল সূরে বলেন ভাই এ ভাবে সাড়া জীবন সড়ক পথে পুলিশদের অর্থ দিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। অন্যথায় আমরা হামলা-মামলা-হয়রানির ব্যপক স্বীকার হতে হয়। কাজেই আপনারা সংবাদ মাধ্যমে লেখালেখী করে এর কোন প্রকার ভালো প্রতিক্রিয়া আসবেনা বলে জানান পরিবহন ব্যবসায়ীরা। গভির রাতের আধাঁরে প্রকাশ্য চাঁদাবাজির বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুমকে মুঠোয়ফোনে জানার চেষ্টা করলে তিনি সরকারী মোবাইল ফোন বন্ধ করে রেখে দেন। এরিপরিপ্রেক্ষিতে বোঝাগেছে, সক্রিয় চাঁদাবাজদের মূল হোতা ওসি। কাঁচপুর হাইওয়ে থানার (ওসি) যোগদান কারার পরপর, প্রাথমিক দখলেই গত ২২/৯/২০১৮ তারিখ ৪/৫ শত অটোরিক্সা ও ইজিবাইক চলাচল নিষেদ্ধ বলে থানায় আক্রিয়ে প্রতিটি গাড়ি থেকে ৫/১০ হাজার টাকা নিয়ে। একের পর এ গাড়ি গুলো ছেড়ে দেয় এবং পরিবহন গ্রেজ মালিদের কাছে মাসিক মাশোহারার চুক্তি করে নিধনে। এধরনের প্রায় হালকা পরিবহন থেকে ২০ লক্ষ টাকার বাচাঁবাজির ব্যপক ভিডিও রেকর্ডসহ অনেক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এখন ইজিবাইক ও অটোরিক্সা যাদের থেকে মাসিক চুক্তি রয়েছে তাদেরকে সড়ক পথে উঠার জন্য পার্মিশন টোকেন দিয়েছেন নিরবে। আর যারা টোকেন বিহীন তারা সড়ক পথে উঠলে ইজিবাইক ও অটোরিক্সা এ সকল যানবাহন ডাম্পিং এর ব্যবস্থা করেন। এধরনের দুর্নীতি চিত্রের একাধীক সংবাদ জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় বার বার প্রকাশ হয়েছে। তার পরেও কোন প্রকার আইনী ব্যবস্থা সাধারণ পরিবহন ব্যবসায়ীরা পাননি বলে জানান। সূত্রমতে জানাগেছে, ব্যপক চাঁদাবাজির দায়ে ক্ষুদ্ধ স্থানীয় এলাকার সাধারন জনগণ। দীর্ঘদিনের ব্যপক পরিবহন খাতের চাঁদাবাজি অভিযুক্ত হলেও। হাইওয়ে রেঞ্জের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাদের বিষয়টি জ্ঞাতব্য থাকলেও, আইনগত ভাবে আমলে নিচ্ছে না তারা। সংশ্লিষ্টদের মতে জানাগেছে, পরিবহন খাদ ও সওজের জায়গায় গড়ে ওঠা স্থাপনা থেকে মাসিক মাশোহারার চাঁদাবাজি তালিকার মূল হোতা ছিলো সাবেক ওসি শরিফুল আলম। শরিফুল আলমের দিক নির্দেশনা মূলক ভাবে, বর্তমান ওসি আব্দুল কাইয়ুম তার চেয়েও ভয়ঙ্কর ভাবে চাঁদাবাজি তালিকায় শীর্ষ স্থান অধিকার করেছেন। জানাগেছে, ওসি গত ৮/৯ মাস আগে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার পশ্চিম পাশে থানার দেয়াল ঘিরে একটি জাতীয় শহিদ মিনার রয়েছে। সে সকল শহীদ মিনারের জায়গা দখল করার নামে দোকানপাট উত্তালনের ব্যপক চেষ্টা চালিয়ে ছিলেন তিনি। এ নিয়ে কাঁচপুর ইউনিয়ণ বাসী ক্ষুদ্ধ হয়ে ওসিকে ধাওয়া দেওয়ার পরে। দোকানপাট উত্তালন বন্দ রেখে এখন নিরব ভূমিকা পালন করেন। অনুসন্ধানে জানাগেছে, ওসি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার আত্মিও স্বজন ও গোপালগঞ্জের পরিচয়ে দিয়ে মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। হরদমে উৎকোচ লুটিয়ে নিচ্ছে এ সকল পরিবহন থেকে- ইজিবাইক, অটোরিক্সা , ট্রাক, লেগুনা, সিএনজি, বডবডি, টেম্পু, সওজের জায়গায় ফুটপাত, বাস ও রাতের আধাঁরে মুরগির গাড়িসহ আরও বিভিন্ন পরিবহন থেকে মোটা অঙ্কের অবৈধ উৎকোচ লুটান ওসি আব্দুল কাইয়ুম। এধরনের অভিযুক্ত বিভিন্ন খাতের পরিবহন থেকে কোটি কোটি টাকার অর্থ লোপাট করেন তিনি। তাদের সাথে যুক্ত রয়েছেন এসআই সামাদসহ হাইওয়ে পুলিশের অনেক কর্মকর্তারা। এ সকল অবৈধ কর্মকান্ডের মূল হোতা ওসি’র নির্দেশনায় তার ফোর্সরা। যা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষও অবৈধ অর্থের ভাগবাটোয়ারায় নিরব ভুমিকা পালন করেন। যার কারণে আইনের প্রতি মানুষের মূল্যবোধ একে বারেই কমে গেছে বলে সাধারন জনগণের ভাষ্য। এ বিষেয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার (ওসি) আব্দুল কাইয়ুমকে মুঠোয়ফোনে তাদের দুর্নীতির কথা জানতে চাইলে, সরকারী মোবাইল ফোন বন্দ করে রেখে দেন। হাইওয়ে থানার তদন্ত (ওসি) আলী রেজাকে এসআই সামাদের পরিবহন চাঁদাবাজির কথা মুঠোয়ফোনে জানতে চাইলে বলেন, আমাদের পুলিশ প্রশাসন যে কেহ চাঁদাবাজির সাথে যুক্ত হলে তাকে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করবো। তিনি আরও বলেন, আমি পরিবহন যানজট নিরসনে দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে। আমার ঘুম নেই খাওয়া নেই , আমরা তো ভালো পদে থেকেও চাঁদাবাজি বুঝিনা কিন্তু আমাদের নিচের সার্জেন্ট, এসআই , কনেষ্টবল এদের কেন এতো চাঁদাবাজির অভিযোগ আমাদের কানে আসবে। আমরা এ বিষয়ে অচিরেই আইনি ব্যবস্থা গহেন করবো বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে হাইওয়ে রেঞ্জের ডিআইজিকে সরকারী মুঠোয়ফোনে জানতে চাইলে, তিনি ফোনে কোন প্রকার দায়িত্ব বোধ গ্রহন করেননি। এ সময়ে স্থানীয় এলাকার মাহি মোমেন, রাসেল, সবুজসহ ১০/১২ জন সাংবাদিকদের জানান, কাঁচপুর হাইওয়ে ওসির নেতৃত্বে মসজিদ মার্কেটের সম্মূখে একটি বৃহত্তম হকার মার্কেট ছিলে। সে সকল হকার মার্কেট উচ্ছেদ করে। সে সকল জায়গায় প্রতিদিনের তালিকায় বিভিন্ন প্রকার শতাধি’ক পরিবহন রেখে। ওসি’র আত্মিও স্বজন ও পুলিশের ক্যাসিয়ার মামুন নামের ব্যক্তিরা প্রতিদিন গাড়ি মোটা অঙ্কের বিনিময়ে গাড়ি ছেড়ে দেয়। এধরনের হাজার হাজার পরিবহন ব্যবসায়ীদের কাছে সুযোগ্য অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, রাঘব বোয়ালের মত অবৈধ অর্থের প্রতি লোলুপ দৃষ্টি ও তার কিছু সংখ্যাক সোর্স গোপাল গঞ্জের পরিচয়ে পরিবহন সকল খাতে চাঁদাবাজির লুটত্রাস করেন। কারণ সু´ চাঁদাবাদির প্লানে এখন কাঁচপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোশাররফ ওমর এর প্রতি নজর ধারী করেন। তারে দিয়ে লুটের রাজ্য দখল করার জন্য। এ নিয়ে অনুসন্ধানী একটি তথ্যে সূত্রে, সাবেক ওসি শরিফুলের আমলে কাঁচপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোশাররফ ওমরের সাথে ওই ধরনের অভিযুক্ত চাঁদাবাজির কারণে দীর্ঘদিন ধরে দন্দ লেগেই ছিলো। জানাগেছে শরিফ একক ভাবে সকল চাঁদাবাজি আত্মসাৎ করাতে, চেয়ারম্যানকে চাঁদার ভাগবাটোয়ারা না দেওয়াতে দীর্ঘদিন ধরে দন্দ ছিলো। বর্তমান ওসি আব্দুল কাইয়ুম তার দন্দের বিষয়টি বুজতে পেরে তার সাথে গভির সম্পর্ক সৃষ্টি করে যোগদান করার সপ্তাহ ৩/৪ পূর্বে কাঁচপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোশাররফ ওমর এর নিজ বাস ভবনে সন্ধ্যা কালীন ভোজের আয়োজন করার কথা বলে, সরকারী পুলিশ পিকআপে তার ফোর্স নিয়ে। তার বাস ভবনে ভোজের আড্ডায় হন (ওসি)। সে খানে মিল মহাব্বত বাড়িয়ে একত্রে কাজের সুযোগ হাতে তুলে নিয়েছেন গোপন ভোজের আয়োজন করে। পরিবহন কাউন্টার ব্যবসা (ওসি’র) নেতৃত্বে- ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর এলাকায় সড়ক পথ আক্রিয়ে পরিবহন কাউন্টারের গাড়ি গুলো থেমে থাকাতে পথচারীদের চড়ম দুর্ভোগ। জনসচেতন পথচারীরা পুলিশের হস্তক্ষেপ চাইলেও। তারা পরিপূর্ণ বিষয়টি আমলে নেয়না। জনগণের দুর্ভোগের কারণে বিষয়টি যেন দিন দিন কষ্টের মূখপাত্র হয়ে দাড়িয়েছে। মানুষের চলাচলের বিঘœহানি ঘটে একমাত্র ব্রিজের ঢালের মেইন পয়েন্ট-প্রতিটি সড়কে গভির রাতের আধাঁরে যাত্রীবাহি ভারি পরিবহন গুলো শত মাইল বেগে চলাচলে যখন অভ্যাস্থ্য থাকে। রাস্তার পাশে সিড়িয়াল ভাবে কাউন্টার গুলো বসাতে, গার্মেন্টস্ধসঢ়; শ্রমিকদের পথচলায় চড়ম দুর্ভোগ ও ঝুকিপূর্ণ। যা পথচারীদের জীবনের কোন নিরাপত্তা নেই। আর কাউন্টার ব্যবসায়ীদের এক টাকার ভাড়া দশ টাকা। সরেজমিন সূত্রমতে, হিমাচল-পরাপর ৯/১০টি পরিবহনর কাউন্টার থাকাতে। সে সকল কাউন্টারের পরিবহন গুলো সড়ক পথ আক্রিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা যাত্রী উঠা নামায় ব্যস্ত থাকে। এক ধরনের চাঁদাবাজরা হাইওয়ে পুলিশের নেতৃত্বে চলাচলরত পরিবহন থেকে ১০০/৫০০ টাকা জোরপূর্ব হাতিয়ে নিচ্ছে। জনগন জানতে চায়, কমিউনিটি পুলিশের কাজ কি? সার্বিক ভাবে হাইওয়ে পুলিশের সহযোগীতা করা। যানজট নিরসন রাখা। তারা যানজট নিরসর নয় তারাও পরিবহন থেকে ২০-১০০ টাকা নিচ্ছে। আর তাও যদি না দেওয়া হয়। ভালো ভালো পরিবহন গুলো পিটিয়ে পরিবহনের অবস্থা লক্কর-ঝক্কর করে দেয়। তাদের সাথে যুক্ত হয়ে হাইওয়ে পুলিশ সকল ধরনের পরিবহন অর্থ না দিলে পিটিয়ে পরিবহনের মিনি লাইট গলো হাতুর দিয়ে ভেঙ্গে চুড়ে চুড়মার করে দেয়। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা সঠিক ভাবে প্রতিবাদ চাইলে, কাউন্টার ব্যবসায়ীরা ও তাদের পালিত চাঁদাবাজরা গনমাধ্যম কর্মীদের উপর ব্যপক আকাড়ে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। যার প্রতিফলে, হাইওয়ে তদন্ত (ওসি) আলী রেজা ও সোনারগাঁও থানার এসআই আবুল হাসানকে বিষয় অবহিত করলে। তারা কোন প্রকার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। এ বিষয়ে সোনারগাঁও থানার নির্বাহী ভূমি কমিশনার(ম্যাজিস্ট্রেট) বি.এম. রুহুল আমিন রিমন সাংবাদিকদের জানান, ভাই আমিও একদিন কাঁচপুরে পথচলায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাসায় ফিরতে হয়েছিলো। সেদিন কাঁচপুর হাইওয়ে ওসি’র কোন প্রকার সহযোগীতা পাইনি। আমার জানা আছে কাঁচপুর হাইওয়ে ওসি অনেক দাপটে চলাফেড়া করেন এবং তিনি অনেক দুর্নীতিবাজ। আমার মত একজন মানুষ তিনি কোন প্রকার আমাকে সহযোগীতা করেননি। আমার সেটি মনে আছে তিনি এধরনের মনের আবেগ দিয়ে দু:খের সাথে আত্ম প্রকাশ করেন। উল্লেখিত বিষয়ে সাধারন জনগণ জানতে চায় ওই ধরনের বিভিন্ন খাতে ব্যপক আকাড়ে চাঁদাবাজি করেও কোন ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা। তাহলে পুলিশের দুর্নীতি আইনি ব্যবস্থা কে নিবে। পরিবহন ব্যবসায়ীদের প্রশ্নমতে, কেউ খাবেনা, কেউ খাবে, ক্ষুদ্বার্থ ব্যক্তি না খেয়ে মারা জাবে, এমন তীক্ষè দুর্নীতি হলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি কোথায় পৌছে যাবে। এধরনের প্রশ্নের জাবাব সাধারন জনগণের কাছে টলমল অবস্থায় আছে। কোথায় গেলে শান্তির জাবাব ফিরে পাকে । ব্যাখ্যা চায় সোনারগাঁও শিক্ষিত সচেতন বাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar